ফিদাকা আবি ওয়া উম্মি ইয়া রাসুলাল্লাহ - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
ঈদযাত্রায় দৌলতদিয়া ঘাটে নেই ভোগান্তি নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষের জমকালো আয়োজনে বুটেক্সে শুরু হলো অ্যালামনাই সুপার কাপ রাজবাড়ীর কালুখালীতে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু আইসিএমএবি ও নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত রাজবাড়ী সদরে শ্রেষ্ঠ কলেজ শিক্ষকের সম্মাননা পেলেন সহকারী অধ্যাপক মাসুদুজ্জামান বাগদুলী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকের বেত্রাঘাতে হসপিটালে ছাত্র, শিক্ষক অবরুদ্ধ পতাকা নামাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ঠ হয়ে ঝলসে গেলেন মনিরা ড. রশিদুন্ নবীর হাতে উঠছে বাংলা একাডেমির ‘নজরুল পুরস্কার ২০২৬’ আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন জাককানইবির নতুন উপাচার্য Pin Up Casino Onlayn Azərbaycan

ফিদাকা আবি ওয়া উম্মি ইয়া রাসুলাল্লাহ

আরিফ আজাদ
  • আপডেট সময় সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ২৫২ বার দেখা হয়েছে
হিদায়াত, ঈমানহারা, আলিম, মুফতি, কুরআনের হাফেজ, মাদরাসা, আল্লাহ, রাসুল সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আল্লাহর রাসুল, হিফাযত, দ্বীন, উম্মুল মু’মিনীন, দুয়া, সরকার, শাস্তি, ফিতনা, কটুক্তি, বন্ধুতালিকা, ঈমান, ইসলাম, আল্লাহর দুশমন, হিদায়াত কামনা,ফিদাকা আবি ওয়া উম্মি ইয়া রাসুলাল্লাহ
হিদায়াত কতো আশ্চর্য বস্তু—সুবহানাল্লাহ!!
ইমরান নামে মাদরাসা ব্যাকগ্রাউন্ডের যে লোকটার ঈমানহারা হয়ে যাওয়া নিয়ে বেশ কথা হচ্ছে, যিনি একাধারে আলিম, মুফতিও নাকি ছিল, লোকটা অনেকবছর আগ থেকে আমার বন্ধুতালিকায় ছিল এবং ইনবক্সে অনেক বিষয়ে অনেক আলাপ হতো।
দুটো বই নাকি লিখেছিল। আমাকে একবার অনুরোধও করেছিল তার বইয়ের কথা যেন আমার পাঠকদের জানাই। আমি উত্তরে বলেছিলাম, ‘কোনো বই সম্পর্কে কাউকে বলতে হলে, সেই বইটা আমার পড়া থাকতে হবে। আমার পক্ষ থেকে ভুল কোনোকিছু প্রচার হলে, সেটা বেশ বড় ক্ষতি হয়ে যাবে’।
তার অনেক অনুরোধ আর জোরাজুরি সত্ত্বেও আমি তার বইগুলো নিয়ে কিছু বলিনি কোথাও। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা আমাকে বড় বাঁচা বাচিয়েছেন আলহামদুলিল্লাহ।
লম্বা সময় তার সাথে আর কথা হলো না। এমনকি, তার কোনো অ্যাক্টিভিজমও সামনে আসেনি সেভাবে। আজ সে এমন একটা পোস্ট দিয়েছে যা দেখে রক্ত মাথায় উঠে যাওয়ার উপক্রম। আমি চিন্তা করে পেলাম না, আল্লাহ আর রাসুল সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে কটুক্তিকারী কীভাবে আমার বন্ধুতালিকায় এলো! চেক করতে গিয়ে বুঝলাম, লোকটা ঈমানহারা তো হয়েছেই, পরিণত হয়েছে আল্লাহ এবং রাসুলের দুশমনেও। আল্লাহ তাকে হিদায়াত দিন। হিদায়াত যদি নসিবে না থাকে, তাকে যেন ধ্বংস করে ছাড়েন।
একজন কুরআনের হাফেজ, একজন আলিম, মুফতি, মসজিদের ইমামকে ঈমানহারা হতে দেখার মতো বিষাদময় আর কী হতে পারে? আল্লাহ আমাদের হিফাযত করুন।
আল্লাহর রাসুল সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কোন দুয়া বেশি করতেন—এমন প্রশ্নের জবাবে একজন উম্মুল মু’মিনীন রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেছেন, আল্লাহর রাসুল এই দোয়াটাই দিনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পড়তেন—ইয়া মুক্বাল্লিবাল ক্বুলুব, সাব্বিত ক্বলবি আলা দ্বীনিক। হে অন্তর সমূহের পরিবর্তনকারী, আপনি আমার অন্তরকে দ্বীনের ওপর অটল রাখুন।
আমি এই লোকের হিদায়াত কামনা করি। সে যদি তার এই বাড়াবাড়ি এবং বিদ্বেষ থেকে না ফিরে, যদি সে এই ফিতনা ছড়াতেই থাকে, সরকারকে অনুরোধ করব তাকে যেন শাস্তির আওতায় আনা হয়।
ফিদাকা আবি ওয়া উম্মি ইয়া রাসুলাল্লাহ। আমার বাবা-মা আপনার জন্য কুরবান হোক, হে প্রিয়তম রাসুল।
  • দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ এর সর্বশেষ নিউজ পড়তে ক্লিক করুন: সর্বশেষ
  • দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ এর ফেসবুক পেজটি ফলো করুন: dailysabasbd

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT