আপনার সিভি/রেজ্যুমেই সম্ভাব্য নিয়োগকর্তার কাছে আপনার প্রথম ছাপ। নিজেকে চমৎকার ভাবে মেলে ধরার তাই সুন্দরভাবে সিভি/রেজ্যুমে বানানোর কোনো বিকল্প নেই। আপনি যদি প্রথমবারের মতো চাকরির জন্য আবেদন করেন বা নতুন
সুইজারল্যান্ড আবারও অতীতের অপরাধের জন্য ক্ষমা চেয়েছে—ইয়েনিশ ও সিন্তি সম্প্রদায়ের যাযাবর শিশুদের পরিবার থেকে জোরপূর্বক আলাদা করে পালক পরিবারে স্থানান্তর করার জন্য। সুইস সরকার স্বীকার করেছে যে ইয়েনিশ ও সিন্তি
মহান আল্লাহ তায়ালাকে নিয়ে ফেসবুকে নিজের টাইম লাইনে অশালীন ও অশ্রাব্য পোস্ট দেওয়ার পর সাধারণ মুসলিম জনতার প্রতিবাদ ও আলেমদের বিবৃতির মুখে ক্ষমা চেয়ে পোস্ট দিলেন রাখাল রাহা। তার ফেসবুক
স্টপ এএপিআই হেইট-এর প্রকাশিত তথ্যমতে, ২০২৪ সালের মার্কিন নির্বাচন, যেখানে ডোনাল্ড ট্রাম্প জয়ী হন, তার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে অনলাইনে এশীয়-বিরোধী বিদ্বেষ “উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে।” সংস্থাটি বলছে, ট্রাম্পের অভিবাসনবিরোধী নীতি এবং এইচ-১বি
কবি কাজী নজরুল ইসলামের সেই অমর পঙক্তি আবারও প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠল: বিশ্বের যা কিছু মহান সৃষ্টি চির কল্যাণকর অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর। সম্প্রতি আলজাজিরার অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের
মজার বিষয় হলো, SAD পরদিন, ৩ আগস্ট বিকেল ৩টায় শহীদ মিনারে একটি কর্মসূচির ডাক দেয়। দুপুর ১টা ৫ মিনিটে, হান্নান আমার আত্মীয়াকে ফোন করে নাহিদের ব্যবস্থা করা একটি নতুন নিরাপদ
১ আগস্ট, সকাল ১১:৩৬-এ সালমান আমার বিশ্বস্ত ব্যক্তিকে ক্যাম্পাসে তাদের চলমান আন্দোলনের কিছু ছবি পাঠায়। সে একই সঙ্গে ফাহিমের কাছ থেকে হ্যাশট্যাগ বাছাই করে তা ছাত্রদের গ্রুপে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য
৩০ জুলাই সকালে রেজা বনানীতে ফাহিম ও আন্দালিবের বাসায় পৌঁছান, ছাত্রদের পুরান ঢাকার নতুন নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে যেতে। কিন্তু সেখানে পৌঁছে রেজা দেখেন, জায়গাটি খুব বেশি নিরাপদ নয়, কারণ এটি
ছাত্রদের আন্দোলনে কে কতটুকু ভূমিকা রেখেছিল, তা নিয়ে Students Against Discrimination (SAD) ও শিবিরের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক চলছে। আমরা, আমার সঙ্গীরা ও আমি, সিদ্ধান্ত নিলাম আসল সত্য তুলে ধরা দরকার। যেহেতু
সম্প্রতি রিপাবলিকান বাংলার সিনিয়র এডিটর এবং হেড অফ ইনপুট ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ, যাকে নেটিজেনরা “হকার সাংবাদিক” হিসেবে চেনে, একটি ফেসবুক পোস্টর মাধ্যমে ঢাকায় অবস্থিত শহীদ মিনারটি কলকাতায় স্থানান্তরের আবদার করেছে।