প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, তিনি ইরানে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ধ্বংস করে ‘বিশাল সামরিক জয়’ অর্জন করেছেন। তবে এই দাবি কতটা সত্য, তা সময়ই বলে দেবে। এখনই একে নিঃসন্দেহে সাফল্য
যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনে বিমান হামলা চালানোর ঘোষণা দেয়ার পরেই আমেরিকার রাজনীতিবিদদের মধ্যে উদ্দীপনা ও তীব্র প্রতিক্রিয়ার ঝড় উঠেছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প জানালেন, এই অভিযানে ফোর্ডো, নাতাঞ্জ ও ইসফাহান স্ট্রাইক
ভারতে ভ্রমণ প্রসঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার একটি লেভেল-২ সতর্কতা জারি করে ভ্রমণকারীদের “অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন” করার পরামর্শ দিয়েছে। “অপরাধ ও সন্ত্রাসবাদ”-এর ঝুঁকির কারণে গত ১৬ই জুন এই পরামর্শটি দেওয়া হয়,
যুক্তরাষ্ট্র ফের আকাশপথে হামলার পথ বেছে নিয়েছে। লক্ষ্য ছিল ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো। এই অভিযানে যুক্ত হয়েছে ইসরায়েলও, যার কৌশলগত সমর্থন ও গোয়েন্দা সহায়তা ছিল অনস্বীকার্য। নাতাঞ্জ, ফরডো ও ইস্ফাহানের মতো
ইরানের তিনটি পারমাণবিক কেন্দ্রে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলার পর আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ) জানিয়েছে, হামলার পর ওইসব স্থাপনার আশপাশের এলাকায় তেজস্ক্রিয়তার কোনো বাড়তি মাত্রা পরিলক্ষিত হয়নি। আইএইএ শনিবার এক বিবৃতিতে
শনিবার রাত ৮টায় (ইউ.এস. ই.টি.),[বাংলাদেশ সময় ভোর সাড়ে ছয়টা] ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় মার্কিন বোমা হামলার ঘোষণা দিলে সাথে সাথে তার সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম Truth Social সার্ভার ক্র্যাশ করে —
ইরানের পরমাণু স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে ইরান আজ ভোরে ইসরায়েলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহরে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। তেল আবিব ও হাইফাসহ মধ্য ও উত্তর ইসরায়েলের আকাশজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে যখন
ইরানের ভূখণ্ডে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চালানো এক আগ্রাসী বিমান হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ফিলিস্তিনের ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস। মার্কিন যুদ্ধবিমানের এই শক্তিশালী হামলায় ইরানের ৩টি পারমাণবিক স্থাপনা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আজ
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর তীব্র উদ্বেগের সুর ছড়িয়ে পড়েছে দেশে–বিদেশে, যেখানে জাতিসংঘ, রাশিয়া ও চীন প্রধান তিনটি শক্তি পাল্টা কূটনৈতিক পদক্ষেপ নিচ্ছে। ঐক্যভূমিতে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, “আমি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন…
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ভয়াবহ পারমাণবিক হামলার জবাব দিতে প্রস্তুত ইরান। দেশটির সামরিক বাহিনী থেকে শুরু করে কুদস বাহিনী, হিজবুল্লাহ ও ড্রোন স্কোয়াড—সবাই এখন পাল্টা আঘাতের জন্য তৈরি। আকাশ, সমুদ্র