
চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ না নিলেও বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে কোনো ধরনের শাস্তি বা জরিমানা করবে না আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। বরং পুরস্কার হিসেবে ২০৩১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগেই বাংলাদেশকে আরও একটি বৈশ্বিক টুর্নামেন্টের আয়োজক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে আইসিসি।
ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তান ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্তের প্রেক্ষাপটে গতকাল আইসিসির সঙ্গে বৈঠকে বসে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বৈঠকের পর আজ রাতে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, তিনি ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটি খেলতে পাকিস্তানকে অনুরোধ জানিয়েছেন।
এরপরই বাংলাদেশকে ঘিরে এসব সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানায় আইসিসি।
এর আগে রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে লাহোরে আইসিসির ডেপুটি চেয়ারম্যান ইমরান খাজার সঙ্গে বৈঠক করেন পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি ও বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আইসিসি জানায়, সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে পিসিবি ও বিসিবির সঙ্গে তাদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপসহ দক্ষিণ এশিয়ায় ক্রিকেটের সামগ্রিক ভবিষ্যৎ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে এবারের বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অনুপস্থিতিকে ‘দুর্ভাগ্যজনক অনুপস্থিতি’ হিসেবে উল্লেখ করে সংস্থাটি।
আইসিসি, বিসিবি ও পিসিবির মধ্যে হওয়া সমঝোতার অংশ হিসেবে সিদ্ধান্ত হয়েছে, ২০৩১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগেই বাংলাদেশ একটি আইসিসি ইভেন্ট আয়োজন করবে। তবে আয়োজক নির্বাচন প্রক্রিয়া, সময়সূচি ও পরিচালনাগত সব শর্ত আইসিসির প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত হবে।
উল্লেখ্য, ২০৩১ সালে ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে ওয়ানডে বিশ্বকাপ আয়োজন করার কথা রয়েছে বাংলাদেশের।
আইসিসির প্রধান নির্বাহী সনযোগ গুপ্তাকে উদ্ধৃত করে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়,
“টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অনুপস্থিতি দুঃখজনক। তবে এটি বাংলাদেশকে একটি প্রধান ক্রিকেট জাতি হিসেবে আইসিসির দীর্ঘস্থায়ী অঙ্গীকারকে পরিবর্তন করবে না। বিসিবিসহ গুরুত্বপূর্ণ অংশীজনদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে আমরা বাংলাদেশের ক্রিকেটের টেকসই উন্নয়ন এবং খেলোয়াড় ও সমর্থকদের জন্য ভবিষ্যৎ সুযোগ আরও শক্তিশালী করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”