পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠ শেকৃবির—পুনরুদ্ধারে বাধা দিলে তা জাতীয় সমস্যায় রূপ নেবে: শেকৃবি পোস্টগ্র্যাজুয়েট ডিন - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
ঈদযাত্রায় দৌলতদিয়া ঘাটে নেই ভোগান্তি নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষের জমকালো আয়োজনে বুটেক্সে শুরু হলো অ্যালামনাই সুপার কাপ রাজবাড়ীর কালুখালীতে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু আইসিএমএবি ও নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত রাজবাড়ী সদরে শ্রেষ্ঠ কলেজ শিক্ষকের সম্মাননা পেলেন সহকারী অধ্যাপক মাসুদুজ্জামান বাগদুলী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকের বেত্রাঘাতে হসপিটালে ছাত্র, শিক্ষক অবরুদ্ধ পতাকা নামাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ঠ হয়ে ঝলসে গেলেন মনিরা ড. রশিদুন্ নবীর হাতে উঠছে বাংলা একাডেমির ‘নজরুল পুরস্কার ২০২৬’ আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন জাককানইবির নতুন উপাচার্য Pin Up Casino Onlayn Azərbaycan

পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠ শেকৃবির—পুনরুদ্ধারে বাধা দিলে তা জাতীয় সমস্যায় রূপ নেবে: শেকৃবি পোস্টগ্র্যাজুয়েট ডিন

শেকৃবি প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১০৬ বার দেখা হয়েছে

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের আগারগাঁওয়ে অবস্থিত পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠ শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) নিজস্ব সম্পত্তি উল্লেখ করে মাঠটি পুনরুদ্ধারে কোনো ধরনের বাধা এলে তা জাতীয় সমস্যায় রূপ নেবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পোস্টগ্র্যাজুয়েট ডিন ড. মোহাম্মদ সালাউদ্দিন এম চৌধুরী।

তিনি বলেন “১৯৮৬ সালে আমরা যখন প্রথম এই বিশ্ববিদ্যালয়ে আসি, তখন এই মাঠ আমাদেরই ছিল। সে সময় বিশ্ববিদ্যালয় ছিল ৫০০–৬০০ মানুষের একটি পরিবার। বর্তমানে শেকৃবি ৫ হাজার থেকে ৬ হাজার মানুষের পরিবারে পরিণত হয়েছে। এরশাদের মতো স্বৈরশাসকের সময়ে আমরা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারিনি। কিন্তু এখন আমাদের সময় এসেছে এই মাঠ ফিরে নেওয়ার। এখন এমন কোনো শক্তি নেই, যারা এই মাঠ আবার ছিনিয়ে নিতে পারবে।”
তিনি আরও বলেন, “মাঠ ঘেরাও কর্মসূচির সময় প্রশাসন যখন আসে, তখন আমরা স্পষ্টভাবে জানিয়েছি—যদি বাধা দেওয়া হয়, তাহলে তিন ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে। প্রথমত, শেকৃবির পাশের সড়ক অবরোধ করা  হলে, তা জাতীয় সমস্যায় রূপ নেবে। দ্বিতীয়ত, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা গণপূর্ত অধিদপ্তরে গিয়ে আলোচনায় বসবে।  যদি কেউ স্বৈরাচারী আচরণ করে বা বাধা দেয়, তাহলে তারা এই এলাকায় টিকবে না।  তৃতীয়ত, “বিশ্ববিদ্যালয় ইতোমধ্যে এক বিঘা জমি প্রশাসনকে দিয়েছে। এরপরও যদি আমাদের ন্যায্য দাবিতে বাধা দেওয়া হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সব কার্যক্রম এই বিশ্ববিদ্যালয়ে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হবে। এই মাঠকে শেকৃবির শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা সর্বশক্তি দিয়ে আগলে রাখবে।”

বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠে অনুষ্ঠিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় শেকৃবির শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠ শেকৃবির কাছে পৈতৃক সম্পত্তির মতো। ১৯২০ সালে তৎকালীন সরকার ১৫ নম্বর গেজেটের মাধ্যমে ২৯১ একর জমি শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে বরাদ্দ দেয়। পরবর্তীতে চীন–মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র, পঙ্গু হাসপাতাল, সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন স্থাপনা বিশ্ববিদ্যালয়ের জমির ওপর নির্মাণ করা হয়, যা সরকার নিয়মতান্ত্রিকভাবে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে গ্রহণ করে।

বক্তারা আরো জানান, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয় মাত্র ৮৭ একর জমির মধ্যে সীমাবদ্ধ। গবেষণা ও শিক্ষা কার্যক্রম সম্প্রসারণ, দেশের জাতীয় স্বার্থ এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠটি ব্যবহার করা জরুরি।
সমাবেশে আরও বলা হয়, “এই জায়গা আমাদেরই। কারও মনে যদি এখনো সংশয় থাকে আমরা মাঠটি পাব কিনা—আজকের পর থেকে ধরে নিন মাঠটি আমাদেরই। এই মাঠের জন্য মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করা হবে। বিভিন্ন স্বার্থান্বেষী মহল চাপ সৃষ্টি করতে পারে, তবে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে তা শক্ত হাতে মোকাবিলা করা হবে। প্রয়োজনে দেশের সব কৃষিবিদ ও অ্যালামনাই আমাদের পাশে দাঁড়াবে।”

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT