ইসলামি বিপ্লবের বার্ষিকীতে ইরানে ২ হাজারের বেশি বন্দির সাজা মওকুফ - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
আমার ভোটে জিতবে যে, দায় আমারও যা করবে সে যানবাহনে বিধিনিষেধ: ভোটের আগে–পরে চলাচলে কড়াকড়ি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে না খেললেও শাস্তি নয়, বাংলাদেশকে নতুন আইসিসি ইভেন্ট আয়োজনের আশ্বাস ইসলামি বিপ্লবের বার্ষিকীতে ইরানে ২ হাজারের বেশি বন্দির সাজা মওকুফ রোহিঙ্গা সংকটে ২০ লাখ ইউরো সহায়তা দিল ইইউ ভোট উৎসবে গ্রামমুখী জনস্রোত, সড়ক-রেল-নৌপথে বাড়তি চাপ ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ৯ লাখ ৫৮ হাজার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, প্রথমবার ড্রোন ও বডি ওর্ন ক্যামেরা নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সারা দেশে ড্রোন উড্ডয়ন নিষিদ্ধ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিতে ভূষিত আইটি বিশেষজ্ঞ মোস্তাফা রফিকুল ইসলাম ডিউক উৎসবমুখর পরিবেশে নির্ভয়ে ভোট দেওয়ার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টা ইউনূসের

ইসলামি বিপ্লবের বার্ষিকীতে ইরানে ২ হাজারের বেশি বন্দির সাজা মওকুফ

আন্তর্জাাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৮ বার দেখা হয়েছে

ইসলামি বিপ্লবের বার্ষিকী সামনে রেখে ইরানে ২ হাজারের বেশি বন্দির সাজা মওকুফ, কমানো বা পরিবর্তনের অনুমোদন দিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। তবে সাম্প্রতিক সরকারবিরোধী বিক্ষোভের সঙ্গে জড়িত কোনো অভিযুক্ত বা দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি এই সাধারণ ক্ষমার আওতায় পড়েননি বলে নিশ্চিত করেছে দেশটির বিচার বিভাগ।

বিচার বিভাগের বরাতে রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম মিজান অনলাইন জানিয়েছে, বিচার বিভাগের প্রধানের অনুরোধে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি মোট ২ হাজার ১০৮ জন দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির সাজা মওকুফ, কমানো বা পরিবর্তনের অনুমতি দিয়েছেন।

বিচার বিভাগের উপপ্রধান আলি মোজাফফারি বলেন, সাম্প্রতিক দাঙ্গা ও সরকারবিরোধী বিক্ষোভের ঘটনায় জড়িত অভিযুক্ত কিংবা দণ্ডপ্রাপ্ত কেউই এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত নন। তিনি জানান, সাধারণ ক্ষমা প্রদানের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট আইনগত মানদণ্ড অনুসরণ করা হয়েছে।

ইরানে জাতীয় ও ধর্মীয় গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষে এর আগেও একাধিকবার সাধারণ ক্ষমা বা সাজা লঘুর ঘোষণা দিয়েছেন সর্বোচ্চ নেতা খামেনি। ইসলামি বিপ্লবের বার্ষিকী উপলক্ষে এই সিদ্ধান্তকে সে ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে ইরানে বিক্ষোভ শুরু হয়। পরবর্তী সময়ে তা দেশজুড়ে সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয়। বিশেষ করে ৮ ও ৯ জানুয়ারি আন্দোলন সবচেয়ে সহিংস আকার ধারণ করে।

তেহরান কর্তৃপক্ষের দাবি, ওই অস্থিরতায় তিন হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও সাধারণ নাগরিক উভয়ই রয়েছেন। সরকার এসব সহিংস ঘটনাকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT