নোটিশ:
শিরোনামঃ
চশমায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ছোঁয়া: সুবিধা, নাকি গোপন নজরদারির ঝুঁকি? অপ্রতিম হত্যার প্রতিবাদে কুবি শিক্ষক সমিতির শোক র‍্যালি ও মানববন্ধন কুবিতে অপ্রতিম হত্যার বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির ধাক্কা সামলাতে এখনই সুরক্ষা পরিকল্পনা দরকার পোশাক কারখানা শীতল রাখার বিনিয়োগ চার বছরের মধ্যে উঠে আসতে পারে: গবেষণা জ্বালানির দাম সর্বোচ্চ ১৭.৪% বাড়ল, ডিজেল লিটারে ১৩৫ টাকা জাতিসংঘে প্রথম ভাষণ দিতে সোমবার নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী হেলথ এশিয়া কনফারেন্সে আন্তর্জাতিক বক্তা তানহা তাবাসসুম ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মৌসুমি অভিযান নয়, বছরজুড়ে প্রস্তুতি চাই এসডিজি অর্জনে সম্মিলিত বৈশ্বিক উদ্যোগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

জামায়াতের নিবন্ধন ফিরে পেতে আপিলের শুনানি শুরু

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ১৩ মে, ২০২৫
  • ২৩১ বার দেখা হয়েছে
জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন

রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন ফিরে পেতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর করা আপিলের শুনানি শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ মে) সকাল ১০টা থেকে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের সাত সদস্যের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।

রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন ফিরে পেতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর করা আপিলের শুনানি শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ মে) সকাল ১০টা থেকে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের সাত সদস্যের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।

শুনানির সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন দলটির ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এ টি এম মাছুম, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জোবায়ের এবং অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল।

উল্লেখ্য, এর আগে ৭ মে আপিল বিভাগ ১৩ মে শুনানির দিন নির্ধারণ করে। যদিও গত ১২ মার্চ একবার শুনানি শুরু হয়েছিল, তবে তা এগোয়নি। পরে আপিল বিভাগ আবারও শুনানির উদ্যোগ নেয়।

২০২৩ সালের ২২ অক্টোবর জামায়াতের নিবন্ধন বাতিলের বিরুদ্ধে খারিজ হওয়া আপিল পুনরুজ্জীবিত করার আদেশ দেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত, যা দলটিকে আইনি লড়াইয়ের নতুন সুযোগ এনে দেয়। এর আগে ২০১৩ সালের ১ আগস্ট হাইকোর্ট একটি রায়ে জামায়াতকে রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন দেওয়া অবৈধ ঘোষণা করে। এরপর নির্বাচন কমিশন ২০১৮ সালের ২৮ অক্টোবর দলটির নিবন্ধন বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।

এছাড়া, ২০১৬ সালে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকটি শুধুমাত্র ন্যায়বিচারের প্রতীক হিসেবে ব্যবহারের সিদ্ধান্ত জানিয়ে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দেওয়া হয়। পরে ২০১৭ সালে নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালায় সংশোধন এনে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক বাতিল করা হয়।

জামায়াতে ইসলামীর দাবি, দলটি ১৯৮৬ সাল থেকে নির্বাচনী প্রতীক হিসেবে ‘দাঁড়িপাল্লা’ ব্যবহার করে আসছে এবং এটি নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। বর্তমানে দলটি নিবন্ধন ও প্রতীক না থাকায় জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে দলীয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে পারছে না।

উল্লেখযোগ্যভাবে, ২০২৩ সালের ১ আগস্ট সরকার জামায়াত ও ইসলামী ছাত্রশিবিরকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করলেও, একই বছরের ২৮ আগস্ট সেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে প্রজ্ঞাপন জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT