নোটিশ:
শিরোনামঃ
এনআইডি সংশোধনকে ভোগান্তিমুক্ত করতে চাই সময়সীমা ও জবাবদিহি ইউক্রেন–রাশিয়া শান্তি আলোচনা ফের শুরুর ইঙ্গিত, বড় বাধা ভূখণ্ড ও নিরাপত্তা চীন সফরে কিম জং উন, চালু হলো নতুন ইয়ালু নদী সেতু জাতিসংঘ সংস্কার ও বহুপক্ষীয় সহযোগিতায় বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত কুয়াকাটায় পর্যটক নিরাপত্তা ও পরিবেশ রক্ষায় পরিকল্পিত উন্নয়নের তাগিদ বিদ্যুৎ স্থাপনা পরিদর্শন ও পরীক্ষার ফি পুনর্নির্ধারণ উন্নয়ন সহযোগিতা নিয়ে আলোচনায় ঢাকা সফরে আসছেন জার্মানির উপমন্ত্রী রেশমশিল্পে যান্ত্রিকীকরণ ও প্রান্তিক তাঁতিদের কাঁচামাল সহজলভ্য করার সুপারিশ বাংলাদেশি চোখের রোগীদের জন্য চীনের কুনমিংয়ে বিশেষ সেবা চালু জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের ৬৪ লাখের বেশি আবেদন নিষ্পত্তি: ইসি

আওয়ামী লীগকে কি আসলেই নিষিদ্ধ করা হয়েছে?

সিনান সাবিত
  • আপডেট সময় রবিবার, ১১ মে, ২০২৫
  • ৫৮৫ বার দেখা হয়েছে
জুলাই-অগাস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লীগের সকল কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।
জুলাই-অগাস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লীগের সকল কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।

আওয়ামী লীগকে কি আসলেই নিষিদ্ধ করা হয়েছে? সারা দেশের মানুষ যখন আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করা হয়েছে এই আনন্দে বিভোর, এমনকি মিডিয়াগুলোও স্পষ্ট ভাষায় ” আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করা হয়েছে” মর্মে শিরোনাম প্রচার করছে, তখন কিছু জাগ্রত জুলাই জনতার মধ্যে এই প্রশ্ন দেখা দিয়েছে যে আসলেই আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে নাকি এটি নিতান্তই শব্দের মারপ্যাঁচ।

এই সন্দেহের দোলাচল সৃষ্টি হওয়ার কারণ অন্তর্বর্তী সরকার নিজেই। উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে যমুনার সামনে রাত ১১টায় এক ব্রিফিংয়ে আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল ‘উপদেষ্টা পরিষদের বিবৃতি’ সাংবাদিকদের পড়ে শোনান।

বিবৃতিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্র্যাইব্যুনালের বিচারকাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকবে।

সরকারের এই ঘোষণার মধ্যে নতুন কিছু দেখছে না সচেতন মহল। যেখানে একই ধরণের সিদ্ধান্ত গত ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখেই নেওয়া হয়েছিল, সেখানে শাহবাগে উত্তাল আন্দোলনের ফলে নতুন কী অর্জিত হলো তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। শব্দের মারপ্যাঁচের অভিযোগ তুলে অনেক আন্দোলনকারী উপদেষ্টা আসিফ নজরুলকে জুলাইয়ের রক্তের সাথে বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগে অভিযুক্ত করছেন এবং এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত শাহবাগেই অবস্থান করছেন।

আগামী সোমবার এই বিষয়ে লিখিত গেজেট প্রকাশ হওয়ার কথা রয়েছে। তার আগ পর্যন্ত আওয়ামী লীগকে আসলে কত শতাংশ নিষিদ্ধ করা হলো তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই গেল জাগ্রত জুলাই জনতার মনে।
নিষেধাজ্ঞার এই ঘোষণাকে শুধুমাত্র রাজনৈতিক কৌশল হিসেবেই দেখছেন অনেকে। তারা মনে করেন, এটি একটা সাময়িক পদক্ষেপ যা রাজনৈতিক চাপ সামলাতে নেওয়া হয়েছে। বাস্তবে দলটির কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ হবে না। তাই সাধারণ মানুষ ও সমর্থকদের মনে এখনো দ্বিধা ও অস্থিরতা বিরাজ করছে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT