শেকৃবি সংলগ্ন মিনিবাজারে দ্রব্যমূল্যের চড়া দাম: অভিযোগে ছাত্রদল কর্মীর তদারকি - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
ড্রোন হামলার আশঙ্কা, বন্ধ দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ইরানের হামলায় তেল আবিবে আতঙ্ক: মানুষ আশ্রয় নিচ্ছে আন্ডারগ্রাউন্ডে গাজীপুরে মাদ্রাসাছাত্র হত্যা: গাঁজা সেবন দেখে ফেলায় রনিকে মেরে লাশ পুড়িয়ে দেয় ছাব্বির কুবিতে প্রথমবার জাতীয় বিতর্ক উৎসব, অংশ নেবে ৫৬টি দল আত্রাইয়ে স্ত্রী–সন্তানকে ছুরিকাঘাতে হত্যা, পরে স্বামীর আত্মহত্যা নিজ অফিসে ইবি শিক্ষিকাকে হত্যার বিচারের দাবিতে ইবিতে বিক্ষোভ মিছিল কুবি শিক্ষার্থীদের উপর হামলার অভিযোগে কিশোর গ্যাংয়ের তিন সদস্য আটক ইবিতে শিক্ষিকা খুন, কর্মচারীর আত্মহননের চেষ্টা ভূমি প্রতিমন্ত্রীর আকস্মিক ভূমি অফিস পরিদর্শন, কর্মকর্তাদের অনুপস্থিতিতে ক্ষোভ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

শেকৃবি সংলগ্ন মিনিবাজারে দ্রব্যমূল্যের চড়া দাম: অভিযোগে ছাত্রদল কর্মীর তদারকি

শেকৃবি প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৩৫ বার দেখা হয়েছে
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি) ক্যাম্পাস সংলগ্ন মিনিবাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বাইরের বাজারের তুলনায় বেশি নেওয়া হচ্ছে, এমন অভিযোগ তুলেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিষয়টি নিয়ে তদারকি ও আলোচনা করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সর্বকনিষ্ঠ সদস্য রাসেল পারভেজ।
শিক্ষার্থীদের দাবি, মিনিবাজারে মুরগির মাংস প্রতি কেজিতে প্রায় ২০ টাকা, ছোলা ও চিনি প্রায় ৫ টাকা, কলা প্রতি হালিতে প্রায় ১০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছিল। এছাড়া লেবু, বেগুনসহ অন্যান্য সবজির দামও তুলনামূলক বেশি রাখা হচ্ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। এমনকি ফটোকপির দোকানেও বাইরে থেকে প্রতি কপিতে ২০-৩০ পয়সা বেশি নেওয়া হচ্ছিল বলে জানিয়েছেন কয়েকজন শিক্ষার্থী।
এ বিষয়ে রাসেল পারভেজ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বিষয়টি লক্ষ্য করা হচ্ছিল। এতে সাধারণ শিক্ষার্থীরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিলেন। তাই কয়েকজন শিক্ষার্থী মিলে শান্তিপূর্ণভাবে দোকানদারদের সঙ্গে আলোচনা করে ন্যায্য মূল্য নির্ধারণের আহ্বান জানানো হয়। তিনি জানান, তাদের উদ্দেশ্য কাউকে হেয় করা নয়; বরং শিক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষা এবং ক্যাম্পাসে একটি ন্যায্য বাজারব্যবস্থা নিশ্চিত করা।
আলোচনার পর কিছু পণ্যের দামে ইতোমধ্যে সমন্বয় এসেছে বলেও জানান তিনি। তবে বিষয়টি স্থায়ীভাবে সমাধানের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিয়মিত মনিটরিংয়ের দাবি জানান সংশ্লিষ্টরা, যাতে ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত মূল্য আদায় না হয়।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT