১) মূলত ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ শাসনের পতনের মধ্য দিয়েই দক্ষিন-পুর্ব এশিয়ার এ অঞ্চলে আধুনিক গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু। এ যাত্রার মধ্য দিয়েই মানব ইতিহাসের অন্যতম রাষ্ট্রনৈতিক মতবাদ ‘গণতন্ত্র’ এ অঞ্চলে প্রথমবারের
“তোমরা সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশিয়ে দিও না এবং সত্য জেনেও গোপন করো না।” —(সূরা আল-বাকারা: ৪২) এই আয়াতটি বারবার কানে বাজে, যখন দেখি—গণমাধ্যমের কিছু প্রভাবশালী অংশ সত্য উচ্চারণের জায়গায় কৌশলে
বাংলাদেশে ‘ট্যাগিং রাজনীতি’ এখন কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং এক গভীর অপকৌশলের অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা ও ভিন্নমত নিয়ন্ত্রণে রাষ্ট্রযন্ত্র নানা সময় নাগরিকদের ওপর “উগ্রবাদী”, “জঙ্গি”, এমনকি “রাষ্ট্রদ্রোহী”
গত ১১ জুলাই জুমার নামাজের সময় চাঁদপুরের মসজিদে খুৎবা অপছন্দ হওয়ার অজুহাতে একজন ইমামের ওপর বর্বরোচিত হামলার ঘটনা শুধু স্থানীয় নয়, বরং জাতীয় পর্যায়ে গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। আহত ইমাম
বাংলাদেশের ইতিহাসে ২০২৪ সালের জুলাই আগস্টের সেই দিনগুলো ছিল বিভীষিকাময়। তৎকালীণ সরকার প্রধান শেখ হাসিনা, বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে যে ভয়াবহ রক্তপাতের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, তার দলিল-প্রমাণ বারবার সামনে এসেছে। ৫ আগস্ট যাত্রাবাড়ির
আগের পর্ব পড়ুন এখানে: গাজার ত্রাণযুদ্ধ আল-রাশিদ সড়কে একটি যাত্রা: পর্ব ১ ফিরতি পথ আমি আমার পরিবারকে আল-রাশিদ সড়কে দেখা দৃশ্যগুলো বললাম, আর তারা তাকিয়ে শুনলো—বিস্ময় আর উদ্বেগ নিয়ে—তাদের এই
গাজা শহর সম্প্রতি, জীবনে প্রথমবার, গাজার ত্রাণের অপেক্ষায় থাকা সেই বিশাল, ব্যাকুল জনতার ভেতর দিয়ে হেঁটে যাওয়ার অভিজ্ঞতা হল আমার। আমার নিজের এলাকা দেইর আল-বালাহতে এ দৃশ্য দেখা যায় না।
জুলাই ২০২৪। পিজিতে তখন আমাদের পরীক্ষা সামনে। বড় পরীক্ষা। বোর্ড এক্সাম টাইপ। দৈনিক আসি-যাই। আর দেখি ছেলেরা কোটার বিরুদ্ধে শাহবাগে জমা হয়েছে, শ্লোগান প্রভৃতি দিচ্ছে। দাঁড়িয়ে দেখি। সহমত হই। মুক্তিযোদ্ধাদের
এ দেশে ধর্ষণ নতুন নয়। নারী নির্যাতনও নয়। কিন্তু এই মুরাদনগরের ঘটনা নতুন করে প্রমাণ করল — এই দেশের মানুষ, সমাজ আর রাষ্ট্র ঠিক কতটা হীন, বিকৃত, নির্মম আর ভণ্ড
মধ্যপ্রাচ্যের ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে ভয়াবহ যুদ্ধ শেষ হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের ১২‑দিনের রক্তাক্ত সংঘাত শেষে ২৪ জুন ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি এসেছে। ইসরায়েল তেহরানে হামলার পর ইরান সরাসরি