নোটিশ:
শিরোনামঃ
এনআইডি সংশোধনকে ভোগান্তিমুক্ত করতে চাই সময়সীমা ও জবাবদিহি ইউক্রেন–রাশিয়া শান্তি আলোচনা ফের শুরুর ইঙ্গিত, বড় বাধা ভূখণ্ড ও নিরাপত্তা চীন সফরে কিম জং উন, চালু হলো নতুন ইয়ালু নদী সেতু জাতিসংঘ সংস্কার ও বহুপক্ষীয় সহযোগিতায় বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত কুয়াকাটায় পর্যটক নিরাপত্তা ও পরিবেশ রক্ষায় পরিকল্পিত উন্নয়নের তাগিদ বিদ্যুৎ স্থাপনা পরিদর্শন ও পরীক্ষার ফি পুনর্নির্ধারণ উন্নয়ন সহযোগিতা নিয়ে আলোচনায় ঢাকা সফরে আসছেন জার্মানির উপমন্ত্রী রেশমশিল্পে যান্ত্রিকীকরণ ও প্রান্তিক তাঁতিদের কাঁচামাল সহজলভ্য করার সুপারিশ বাংলাদেশি চোখের রোগীদের জন্য চীনের কুনমিংয়ে বিশেষ সেবা চালু জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের ৬৪ লাখের বেশি আবেদন নিষ্পত্তি: ইসি

এনআইডি সংশোধনকে ভোগান্তিমুক্ত করতে চাই সময়সীমা ও জবাবদিহি

সম্পাদকীয়
  • আপডেট সময় রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৭ বার দেখা হয়েছে
Digital public service and computer, illustrative image

জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের বিপুলসংখ্যক আবেদন নিষ্পত্তি হওয়া নিঃসন্দেহে প্রশাসনিক অগ্রগতি। কিন্তু কোনো সরকারি সেবার সাফল্য শুধু নিষ্পত্তিকৃত ফাইলের সংখ্যা দিয়ে মাপা যায় না। নাগরিক কত দিনে সেবা পেলেন, কতবার অফিসে যেতে হলো এবং প্রত্যাখ্যাত আবেদন সম্পর্কে তিনি পরিষ্কার ব্যাখ্যা পেয়েছেন কি না—এসব প্রশ্নের উত্তরও সমান জরুরি।

পরিচয়পত্রে ভুল নাম, জন্মতারিখ বা ঠিকানা একজন মানুষের চাকরি, শিক্ষা, ব্যাংকিং, চিকিৎসা ও সামাজিক সুরক্ষার সুবিধা গ্রহণে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। এমন একটি নথির সংশোধন দীর্ঘদিন আটকে থাকলে প্রশাসনিক বিলম্বের খেসারত দিতে হয় নাগরিককেই। তাই আবেদন গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে সম্ভাব্য নিষ্পত্তির সময় জানানো, প্রতিটি ধাপে অগ্রগতির বার্তা পাঠানো এবং প্রত্যাখ্যানের নির্দিষ্ট কারণ লিখিতভাবে প্রকাশ করা প্রয়োজন।

এখানে জালিয়াতি প্রতিরোধের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। দ্রুত সেবা দিতে গিয়ে যাচাই শিথিল করা যেমন গ্রহণযোগ্য নয়, তেমনি সন্দেহের অজুহাতে বৈধ আবেদন অনির্দিষ্টকাল আটকে রাখাও ন্যায়সংগত নয়। ঝুঁকিভিত্তিক যাচাই, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাজের সময়সীমা এবং অভিযোগের স্বাধীন পুনর্বিবেচনা—এই তিনটি ব্যবস্থা একসঙ্গে কার্যকর করা দরকার।

উপজেলা পর্যায়ে যথাযথ প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ালে সাধারণ মানুষকে অকারণে দূরের দপ্তরে ছুটতে হবে না। পাশাপাশি সংশোধনের সবচেয়ে প্রচলিত ভুলগুলো চিহ্নিত করে প্রাথমিক নিবন্ধনেই সেগুলো ঠেকানোর উদ্যোগ নেওয়া উচিত।

পরিচয়পত্র সংশোধন কোনো অনুগ্রহ নয়; এটি নির্ভুল সরকারি পরিচয়ের অধিকার বাস্তবায়নের অংশ। তাই সাফল্যের পরবর্তী মানদণ্ড হোক দ্রুততা, স্বচ্ছতা এবং নাগরিকের প্রতি জবাবদিহি।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT