বাংলাদেশ–পাকিস্তান সমুদ্র পরিবহনে যৌথ অংশীদারত্বের প্রস্তাব - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:

বাংলাদেশ–পাকিস্তান সমুদ্র পরিবহনে যৌথ অংশীদারত্বের প্রস্তাব

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১১৮ বার দেখা হয়েছে

সমুদ্র পরিবহনে সহযোগিতা জোরদারে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন ও পাকিস্তান ন্যাশনাল শিপিং করপোরেশনের মধ্যে অংশীদারত্ব গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে ইসলামাবাদ। লন্ডনে আইএমও অধিবেশন চলাকালে পাকিস্তানের সমুদ্রবিষয়ক মন্ত্রী সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে বৈঠকে বিস্তৃত কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করেন।

বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি) এবং পাকিস্তান ন্যাশনাল শিপিং করপোরেশনের (পিএনএসসি) মধ্যে সমুদ্র পরিবহন খাতে সমন্বিত অংশীদারত্ব গঠনের আনুষ্ঠানিক রূপরেখা প্রস্তাব করেছে পাকিস্তান। সোমবার লন্ডনে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে পাকিস্তানের সমুদ্রবিষয়ক মন্ত্রী মুহাম্মদ জুনাইদ আনোয়ার চৌধুরী এ প্রস্তাব দেন। পাকিস্তানি দৈনিক দ্য ডন এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

আইএমও–এর ৩৪তম সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে নৌপরিবহন উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম সাখাওয়াত হোসেন বর্তমানে লন্ডনে অবস্থান করছেন। তাঁর সঙ্গেই বৈঠকে পাকিস্তান সমন্বিত অংশীদারত্বের এই বিস্তৃত পরিকল্পনা তুলে ধরে। প্রস্তাবে কনটেইনার ও বাল্ক শিপিং সেবায় যৌথ উদ্যোগ, কারিগরি প্রশিক্ষণ, সামুদ্রিক নিরাপত্তা উন্নয়ন, নাবিকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, পারস্পরিক বন্দর-কল সুবিধা এবং কূটনৈতিক–প্রযুক্তিগত সম্পৃক্ততা জোরদারের বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

মন্ত্রী জুনাইদ আনোয়ার বলেন, আইএমও ও আইএলওসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক সামুদ্রিক প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতামূলক কাঠামো গড়ে তোলাই তাদের বৃহত্তর লক্ষ্য। তিনি করাচি বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, আধুনিকীকরণ উদ্যোগ এবং দ্রুত টার্নঅ্যারাউন্ড সময়ের উন্নতির কথাও উল্লেখ করেন। তাঁর মতে, বন্দরকে ঘিরে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা আঞ্চলিক লজিস্টিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা, বাণিজ্য সচল রাখা এবং দক্ষিণ এশিয়ায় নতুন বাণিজ্যিক একত্রীকরণের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT