বর্তমানে দেশ সংস্কারে প্র‍য়োজন নিরপেক্ষ ও গ্রহনযোগ্য নির্বাচন : ইউট্যাব সভাপতি - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
মধ্যযুগীয় বর্বরতা বনাম অধুনাকালিক বর্বরতা খামেনি নিহত! যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের যৌথ হামলায় তোলপাড় ইরান ‎সিমাগো র‌্যাঙ্কিংয়ে সারাবিশ্বে ১ হাজারে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় কুবিতে ছাত্রীদের জন্য প্রথমবার চালু হচ্ছে ‘উইমেন’স কর্নার’ ​কুবিতে ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ কর্মসূচি কুবিতে অর্থ ও হিসাব দপ্তরের নতুন ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মো. নাছির উদ্দিন কুবিতে বিজ্ঞান অনুষদের ২৮ শিক্ষার্থী পাচ্ছেন ডিনস অ্যাওয়ার্ড কুবিতে প্রথম মেধা তালিকার ভর্তি সময় বৃদ্ধি কুবির সিএসই বিভাগের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বালিয়াকান্দিতে উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর উদ্যোগে সংবর্ধনা ও পুরস্কার প্রদান

বর্তমানে দেশ সংস্কারে প্র‍য়োজন নিরপেক্ষ ও গ্রহনযোগ্য নির্বাচন : ইউট্যাব সভাপতি

ফাহিম ফয়সাল (শেকৃবি প্রতিনিধি)
  • আপডেট সময় বুধবার, ২৩ জুলাই, ২০২৫
  • ১০০ বার দেখা হয়েছে

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শেকৃবি) ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান স্মরণে সাদা দলের উদ্যোগে “জুলাই-২৪ গণঅভ্যুত্থান : প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি” শীর্ষক দোয়া ও আলোচনা সভা আয়োজন করা হয়।

বুধবার (২৪ জুলাই)  শেকৃবির প্রশাসনিক ভবনের সেমিনার রুমে এই দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আলোচনা সভায় বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও ইউট্যাব সভাপতি অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম বলেছেন, ১৯৭২ সাল থেকে আওয়ামী লীগ মানুষের ওপর নিপীড়ন চালিয়ে আসছে। তাদের রাজনৈতিক ইতিহাসে জনবান্ধব কার্যক্রমের কোনো উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত নেই।

এছাড়াও বলেন, দলে দলে ভাগ হয়ে তারা শুধুমাত্র ব্যক্তি স্বার্থকে কেন্দ্র করে কার্যক্রম চালিয়েছে, যার ফলে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। সেই ফ্যাসিবাদ থেকে দেশকে মুক্ত করেছে ছাত্র ও জনতার সম্মিলিত প্রতিরোধ।

তিনি আরও বলেন, দেশের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন এখনও আসেনি।  বর্তমানে এর জন্য জরুরি একটি নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। কারণ, একমাত্র জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারই পারে দেশকে সঠিক পথে নিয়ে যেতে। আমাদের ইস্পাতসম ঐক্যের মাধ্যমেই একটি সুন্দর, ন্যায়ভিত্তিক ও প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড মোঃ আব্দুল লতিফ এবং কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রাশেদুল ইসলাম।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল লতিফ বলেন, অহংকার ও দাম্ভিকতার কারণেই খুনি হাসিনা দলবলসহ পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে।গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী দীর্ঘ সময় একাডেমিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ায় আমাদের প্রধান লক্ষ্য ছিল বিশ্ববিদ্যালয়কে একাডেমিকভাবে পুনর্গঠনের মাধ্যমে এগিয়ে নেওয়া। এ লক্ষ্যে আমরা সফল হয়েছি।বর্তমানে ৩০ দিনের মধ্যে ফলাফল প্রকাশের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে।
ভর্তির ক্ষেত্রে পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে কোটা বাতিল করে যুক্তিসংগত ও ন্যায্য নিয়ম প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

এছাড়াও তিনি বলেন , জুলাই অভ্যুত্থানে জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বপ্রথম আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়েই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। নিপীড়নের পক্ষে থাকা ১২ জন শিক্ষক ও ১০ জন কর্মকর্তাকে বরখাস্তসহ মোট ৮৮ জনকে বিভিন্ন শাস্তি প্রদান করা হয়েছে। এই তদন্ত ও বিচার কার্যক্রম চলমান থাকবে যতদিন না দোষীদের চূড়ান্ত শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।

কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রাশেদুল ইসলাম বলেন, ভিন্নমত থাকতেই পারে। কিন্তু জুলাইয়ের ঘটনায় যেসব ছাত্রদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা হয়েছিল, সেগুলোর সঠিক ও নিরপেক্ষ বিচার হওয়া জরুরি। ন্যায়ের পক্ষে থাকাই আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। কেউ কেউ নিজের পরিবারের ১৫ জনকে নিয়োগ দিয়েছেন, সেটিও শাস্তির আওতায় আনতে হবে।

এছাড়াও উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক-কর্মকর্তা সহ শাখা ছাত্রদল,ছাত্রশিবির এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্রআন্দোলনের নেতৃবিন্দ।

তারা সকলেই জুলাই গণঅভ্যুত্থানের হত্যাকাণ্ড, মামলা-হামলার সঙ্গে জড়িত সকলের দ্রুতসময়েই সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার আহবান জানান।

উক্ত অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ এবং সাদা দলের সভাপতি অধ্যাপক মুহাম্মদ আবুল বাশার। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক ড. এফ এম আমিনুজ্জামান।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT