সুইজারল্যান্ড জোরপূর্বক শিশু স্থানান্তরের ‘মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ’ স্বীকার করেছে - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
ঈদযাত্রায় দৌলতদিয়া ঘাটে নেই ভোগান্তি নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষের জমকালো আয়োজনে বুটেক্সে শুরু হলো অ্যালামনাই সুপার কাপ রাজবাড়ীর কালুখালীতে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু আইসিএমএবি ও নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত রাজবাড়ী সদরে শ্রেষ্ঠ কলেজ শিক্ষকের সম্মাননা পেলেন সহকারী অধ্যাপক মাসুদুজ্জামান বাগদুলী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকের বেত্রাঘাতে হসপিটালে ছাত্র, শিক্ষক অবরুদ্ধ পতাকা নামাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ঠ হয়ে ঝলসে গেলেন মনিরা ড. রশিদুন্ নবীর হাতে উঠছে বাংলা একাডেমির ‘নজরুল পুরস্কার ২০২৬’ আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন জাককানইবির নতুন উপাচার্য Pin Up Casino Onlayn Azərbaycan

সুইজারল্যান্ড জোরপূর্বক শিশু স্থানান্তরের ‘মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ’ স্বীকার করেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ১৮০ বার দেখা হয়েছে
জাগরেবের কাছে ক্রোয়েশিয়ার সিন্তি ও রোমা নারী ও শিশু, ১৯৪১। / ছবি: উইকিমিডিয়া কমন্স, জার্মান ফেডারেল আর্কাইভ
জাগরেবের কাছে ক্রোয়েশিয়ার সিন্তি ও রোমা নারী ও শিশু, ১৯৪১। / ছবি: উইকিমিডিয়া কমন্স, জার্মান ফেডারেল আর্কাইভ

সুইজারল্যান্ড আবারও অতীতের অপরাধের জন্য ক্ষমা চেয়েছে—ইয়েনিশ ও সিন্তি সম্প্রদায়ের যাযাবর শিশুদের পরিবার থেকে জোরপূর্বক আলাদা করে পালক পরিবারে স্থানান্তর করার জন্য।

সুইস সরকার স্বীকার করেছে যে ইয়েনিশ ও সিন্তি সম্প্রদায়ের যাযাবর শিশুদের অন্য পরিবারের কাছে জোরপূর্বক স্থানান্তর করা আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে “মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ” হিসাবে বিবেচিত হওয়া উচিত।

সরকারের অনুমান অনুযায়ী, এই ধরনের জোরপূর্বক স্থানান্তরে প্রায় ২,০০০ শিশু জড়িত ছিল। “সরকার স্বীকার করে যে ‘Aid Organisation for Children of the Road’ কর্মসূচির অধীনে সংঘটিত কর্মকাণ্ডগুলি বর্তমান আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় ‘মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ’ হিসাবে বিবেচিত হওয়া উচিত,” বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে সুইস সরকার জানায়।

সরকার আরও জানায়, “২০১৩ সালে ভুক্তভোগীদের কাছে করা ক্ষমাপ্রার্থনার পুনরাবৃত্তি করছে এবং তাদের প্রতি করা অবিচারের স্বীকৃতি দিচ্ছে।”

সুইস স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে যে তারা ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে পরামর্শ করবে যাতে অতীতের ঘটনার আরও নিষ্পত্তির প্রয়োজন আছে কিনা তা নির্ধারণ করা যায়।

সুইজারল্যান্ড জানায় যে ১৯৮১ সালের মধ্যে, ১ লাখেরও বেশি শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক জোরপূর্বক কল্যাণমূলক ব্যবস্থা বা পালক পরিবারের অধীনে বসবাসের শিকার হয়েছিল।

“এই কর্মকাণ্ডের শিকার ব্যক্তিরা সাধারণত সুবিধাবঞ্চিত পটভূমি থেকে আসা মানুষ ছিলেন অথবা যাদের জীবনযাত্রা তখনকার সামাজিক আদর্শের সঙ্গে মানানসই ছিল না,” বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

তাদের মধ্যে ছিলেন যাযাবর জীবনযাপনকারী ইয়েনিশ ও সিন্তি সম্প্রদায়ের মানুষ।

শিশুদের এই জোরপূর্বক স্থানান্তরের মূল সংগঠন ছিল প্রো জুভেন্টুট দাতব্য সংস্থার পরিচালিত “Aid Organisation for Children of the Road” কর্মসূচি।

১৯২৬ থেকে ১৯৭৩ সালের মধ্যে, এই কার্যক্রম পরিচালনাকারীরা প্রায় ৬০০ ইয়েনিশ শিশুকে তাদের বাবা-মায়ের কাছ থেকে আলাদা করে বিভিন্ন বাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও পালক পরিবারে জোরপূর্বক ঠেলে দেয়, যা কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় পরিচালিত হয়েছিল।

বিবৃতিতে বলা হয়, এটি আইনের শাসনের নীতির লঙ্ঘন ছিল।

সিন্তি শিশুরাও একই ধরনের পরিস্থিতির শিকার হয়েছিল।

এছাড়াও, যারা শৈশবে পালক পরিবারে স্থানান্তরিত হয়েছিল, তাদের অনেককেই পরবর্তীতে অভিভাবকত্বের আওতায় রাখা হয়, প্রতিষ্ঠানগুলিতে আবদ্ধ করা হয়, বিয়ে করতে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয় এবং কিছু ক্ষেত্রে জোরপূর্বক বন্ধ্যাকরণ করা হয়।

প্রো জুভেন্টুট ছাড়াও, বিভিন্ন ধর্মীয় দাতব্য সংস্থা ও সরকারি কর্তৃপক্ষ এই কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত ছিল, যার ফলে সরকার অনুমান করছে যে প্রায় ২,০০০ শিশু এই ধরনের ব্যবস্থার শিকার হয়েছিল।

  • দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ এর সর্বশেষ নিউজ পড়তে ক্লিক করুন: সর্বশেষ
  • দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ এর ফেসবুক পেজটি ফলো করুন: dailysabasbd

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT