নোটিশ:
শিরোনামঃ
বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নে ২০ উদ্যোগের ৭টি বাস্তবায়ন করেছে সরকার বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর বাণিজ্যে নতুন খাত ও ডিজিটাল ট্রেড সহযোগিতার উদ্যোগ নিউমুরিং টার্মিনাল পরিচালনায় ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে ১৫ বছরের চুক্তি আজ টোকিও ফ্যাশন এক্সপোতে বাংলাদেশের পোশাক, হোম টেক্সটাইল ও চামড়াপণ্য সেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮.৩৪ শতাংশ বাংলাদেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.১২ বিলিয়ন ডলার বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ সভায় নিজস্ব সংস্কার এজেন্ডা তুলে ধরবে বাংলাদেশ বাংলাদেশ-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি দ্রুত সম্পন্নে জার্মানির সমর্থন আবাসন ও পার্বত্য চট্টগ্রামের বিদ্যুতে এডিবির ২৭৭.৭২ মিলিয়ন ডলার সহায়তা বিমানের বহরে আসছে ১০টি এয়ারবাস, থাকবে চারটি A350-900

ভারতের আসামে কংগ্রেস নেতার ‘বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত’ গাওয়ায় রাজনৈতিক বিতর্ক

আন্তর্জাাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৮৫ বার দেখা হয়েছে
কংগ্রেস নেতা বিধুভূষণ দাস

শ্রীভূমিতে কংগ্রেসের বৈঠকে রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশন নিয়ে বিজেপির সমালোচনা, কংগ্রেস বলছে—‘বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত নয়, এটি রবীন্দ্রনাথের গান।’

ভারতের আসাম রাজ্যে কংগ্রেস সেবা দলের এক বৈঠকে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার অভিযোগে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। টাইমস অব ইন্ডিয়া বুধবার জানিয়েছে, সোমবার শ্রীভূমি জেলার একটি বৈঠকে কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা বিধুভূষণ দাস রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ‘আমার সোনার বাংলা’ গানটি গাওয়ার পর এই বিতর্কের সূত্রপাত হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, শ্রীভূমির ভাঙার বাসিন্দা এবং সেবা দলের জেলা ইউনিটের সাবেক চেয়ারম্যান বিধুভূষণ দাস স্থানীয় কংগ্রেস কার্যালয় ইন্দিরা ভবনে করিমগঞ্জ (শ্রীভূমি) জেলা সেবা দলের কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে বক্তব্য শুরু করার আগে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গানটি পরিবেশন করেন।

ঘটনাটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং বিজেপি নেতাসহ রাজ্যের রাজনীতিতে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি করে।

আসামের মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু পাল বলেন, “কংগ্রেস এমন একটি দল যেখানে সবকিছুই সম্ভব। তারা কখন কী গান করতে হয়, সেটাও জানে না। আমি ভিডিওটি দেখব এবং বিষয়টি তদন্তের জন্য পুলিশকে অনুরোধ করব।”

তবে কংগ্রেস নেতারা অভিযোগটি ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। করিমগঞ্জ জেলা কংগ্রেস কমিটির মিডিয়া বিভাগের চেয়ারম্যান শাহাদাত আহমেদ চৌধুরী স্বপন বলেন, “এটি বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত নয়, একটি রবীন্দ্রসংগীত। বিধুভূষণ দাস তার বক্তব্য শুরু করার আগে বলেছিলেন, তিনি একটি রবীন্দ্রনাথের গান পরিবেশন করবেন। তিনি একজন প্রবীণ নেতা, যিনি প্রতি স্বাধীনতা দিবসে ভারতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।”

চৌধুরী আরও বলেন, “আমার সোনার বাংলা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি সাহিত্যিক সৃষ্টি, যা বাংলাদেশ পরে জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে গ্রহণ করেছে। তাই এটিকে অন্যভাবে ব্যাখ্যা করা রাজনৈতিক বিভ্রান্তি সৃষ্টি ছাড়া কিছু নয়।”

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আসামের রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে, যেখানে বিজেপি ও কংগ্রেস উভয়পক্ষ একে অপরকে সাংস্কৃতিক বিভ্রান্তি ও রাজনৈতিক সুযোগসন্ধানিতার অভিযোগে আক্রমণ করছে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT