পর্তুগালের প্রেসিডেন্ট অভিবাসন আইন-২৫ অনুমোদন স্থগিত করে আদালতে পাঠালেন - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
জাককানইবিতে সমুদ্র ও জলবায়ু–বিষয়ক ‘Exploring the Blue Earth’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত দুধকুমার নদে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে এসিল্যান্ডের হস্তক্ষেপ, স্বস্তিতে তীরবর্তী বাসিন্দারা ইবিতে জুলাই বিপ্লববিরোধী অভিযোগে ফের ৯ শিক্ষক বরখাস্ত নানিয়ারচর জোন (১৭ই বেংগল) এর মানবিক উদ্যো‌গে বিনামূল্যে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রথম নির্বাহী পরিচালক হলেন মো. সাদি উর রহিম জাদিদ আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস উপলক্ষে ইবিতে আলোচনা সভা জামায়াতের মনোনয়নে কে এই হিন্দু প্রার্থী ভারত ছাড়তে তড়িঘড়ি সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামাল পশ্চিমবঙ্গে বেওয়ারিশ কুকুরের প্রহরায় বেঁচে গেল পরিত্যক্ত নবজাতক দুর্গম কুড়ামারায় সেনাবাহিনীর ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, চিকিৎসা পেল ১২২ বাসিন্দা

পর্তুগালের প্রেসিডেন্ট অভিবাসন আইন-২৫ অনুমোদন স্থগিত করে আদালতে পাঠালেন

মিফতাহ চৌধুরী (লিসবন প্রতিনিধি)
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই, ২০২৫
  • ২০৫ বার দেখা হয়েছে

পর্তুগালের প্রেসিডেন্ট মার্সোলো রেবেলো দে সাউসা নতুন “অভিবাসন ও নাগরিকত্ব আইন-২৫” চূড়ান্তভাবে অনুমোদন না দিয়ে তা যাচাই-বাছাইয়ের জন্য সাংবিধানিক আদালতে পাঠিয়েছেন। প্রেসিডেন্টের দৃষ্টিতে খসড়া আইনে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অসংগতি রয়েছে, যা সংশোধনের প্রয়োজন রয়েছে বলে তিনি মত দিয়েছেন।

প্রেসিডেন্ট রেবেলো দে সাউসা আইনটিতে তিনটি বড় ধরনের ক্রুটি লক্ষ্য করেছেন, যা হলো—

১. আপিলের সুযোগ সীমিত করা:

নতুন আইনে অভিবাসন সংক্রান্ত বিষয়ে আবেদনকারীদের আপিলের অধিকার সীমিত করা হয়েছে। এতে ন্যায়বিচার পাওয়ার পথ সংকীর্ণ হতে পারে বলে উদ্বেগ জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট।

২. অভিবাসন বিরোধী ধারা:

প্রেসিডেন্টের মতে, প্রস্তাবিত আইনটি অভিবাসীদের স্বার্থবিরোধী হয়ে উঠতে পারে এবং বর্তমান অভিবাসন নীতির সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ। ফলে এটি প্রয়োগে বৈষম্য তৈরি হতে পারে।

৩. মানবিক অধিকার খর্বের আশঙ্কা:

নতুন আইনের কিছু ধারা অভিবাসীদের পরিবার reunification (পরিবারকে পরবর্তীতে নিয়ে আসার) ও অন্যান্য মৌলিক মানবিক সুযোগ-সুবিধা সীমিত করতে পারে। এতে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার নীতিমালার লঙ্ঘনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে প্রেসিডেন্ট মনে করেন।

এসব কারণে প্রেসিডেন্ট বিলটিতে স্বাক্ষর না করে তা পর্তুগালের সাংবিধানিক আদালতের পর্যালোচনার জন্য পাঠিয়েছেন। তার মতে, চূড়ান্ত অনুমোদনের আগে বিলটির আরও গভীরভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা প্রয়োজন।

এদিকে প্রেসিডেন্টের এই পদক্ষেপকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে পর্তুগালের পিএস (সোশালিস্ট পার্টি) ও সুশীল সমাজের অনেকেই। তাদের প্রত্যাশা, সাংবিধানিক আদালতের মতামতের ভিত্তিতে সংযোজন-বিয়োজনের মাধ্যমে আইনটি আরো মানবিক ও ভারসাম্যপূর্ণভাবে সংশোধিত হয়ে কার্যকর হবে।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT