জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের শহীদদের ‘জাতীয় বীর’ ঘোষণায় হাইকোর্টের রুল - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
জঙ্গল ছলিমপুরে সন্ত্রাসী তাণ্ডব, র‍্যাবের ডিএডি নিহত তারেক রহমান: জুলাই গণ অভ্যুত্থানের শহীদ-আহতদের জন্য নতুন বিভাগ হবে ২০২৬ হজের জন্য হজযাত্রীদের টিকাদান কার্যক্রম শুরু আলিফ হত্যা মামলা- চিন্ময় কৃষ্ণ দাসসহ ৩৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন, বিচার শুরু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতাল: উচ্চপর্যায় বৈঠকে অগ্রগতি ও দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার ২১ জানুয়ারির মধ্যে সিদ্ধান্ত চাইছে আইসিসি, ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ভাগ্য অনিশ্চিত মাগুরার চিত্রা নদী থেকে উদ্ধার মুঘল আমলের তরবারি, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত দক্ষিণ স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা: লাইনচ্যুতি ও সংঘর্ষে নিহত ২১, আহত শতাধিক দীর্ঘ ২৬ বছর পর কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ রিপোর্টার্স ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা জম্মু-কাশ্মীরে বন্দুকযুদ্ধে সাত ভারতীয় সেনা আহত

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের শহীদদের ‘জাতীয় বীর’ ঘোষণায় হাইকোর্টের রুল

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় সোমবার, ১৪ জুলাই, ২০২৫
  • ২৬৪ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশের ইতিহাসের এক রক্তাক্ত অধ্যায় ‘জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান’। সেই গণজাগরণে শহীদ হওয়া আবু সাঈদ, মীর মুগ্ধ, ওয়াসিমসহ অসংখ্য শহীদের আত্মত্যাগের স্বীকৃতি এখনও মেলেনি। অবশেষে সেই বীর সন্তানদের নিয়ে হাইকোর্টে প্রাথমিক সুবিচারের দরজা খুললো। আজ সোমবার (১৪ জুলাই) বিচারপতি ফাহমিদা কাদেরের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এক যুগান্তকারী রুল জারি করেছেন।

আদালত জানতে চেয়েছেন, কেন জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে শহীদ হওয়া সকল শহীদকে ‘জাতীয় বীর’ ঘোষণা করা হবে না। সেই সঙ্গে শহীদদের প্রকৃত ও নির্ভরযোগ্য তালিকা তৈরি করে তা গেজেট আকারে প্রকাশের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।

রুলে আরও বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ‘নতুন বাংলাদেশের জাতীয় সংস্কারক’ হিসেবে ঘোষণার বিষয়ে নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না।

রিটের পক্ষে আদালতে শুনানি করেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ইকরামুল কবির। আদালত মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের চার সপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, গত বছরের জুলাই মাসে সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে শুরু হয় দেশের ইতিহাসের অন্যতম বড় ছাত্র-জনতার আন্দোলন। সেই আন্দোলনে সরকারি বাহিনীর গুলিতে এবং সরকারি দলের সন্ত্রাসীদের হামলায় একের পর এক প্রাণ ঝরতে থাকে। ২৯ জুলাই রংপুরে বুক পেতে দিয়ে গুলিবিদ্ধ হন আবু সাঈদ। তার রক্তে আন্দোলন আরও বেগবান হয়। একই দিন চট্টগ্রামে পুলিশের গুলিতে নিহত হন ছাত্রদল নেতা ওয়াসিম। রাজধানীর উত্তরা এলাকায় আন্দোলনকারীদের মাঝে পানি বিতরণের সময় প্রাণ হারান মীর মুগ্ধ। মৃত্যুর মুহূর্তে ‘পানি লাগবে কারও পানি’ বলে তার আকুতি হৃদয় স্পর্শ করে সারাদেশের মানুষের।

শুধু এই তিনজন নয়, আন্দোলনের পাঁচ আগস্ট পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে গুলি ও হামলায় শহীদ হন এক হাজারেরও বেশি মানুষ। ইতিহাসের পাতায় তাদের ঠাঁই হয়েছে ‘জুলাই শহীদ’ নামে। তাদের এই আত্মত্যাগকে সম্মান জানিয়ে অবশেষে আদালতে উচ্চ পর্যায়ের রিট দায়ের করা হয়।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT