ইবিতে আবৃত্তির কলাকৌশল বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
জঙ্গল ছলিমপুরে সন্ত্রাসী তাণ্ডব, র‍্যাবের ডিএডি নিহত তারেক রহমান: জুলাই গণ অভ্যুত্থানের শহীদ-আহতদের জন্য নতুন বিভাগ হবে ২০২৬ হজের জন্য হজযাত্রীদের টিকাদান কার্যক্রম শুরু আলিফ হত্যা মামলা- চিন্ময় কৃষ্ণ দাসসহ ৩৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন, বিচার শুরু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতাল: উচ্চপর্যায় বৈঠকে অগ্রগতি ও দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার ২১ জানুয়ারির মধ্যে সিদ্ধান্ত চাইছে আইসিসি, ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ভাগ্য অনিশ্চিত মাগুরার চিত্রা নদী থেকে উদ্ধার মুঘল আমলের তরবারি, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত দক্ষিণ স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা: লাইনচ্যুতি ও সংঘর্ষে নিহত ২১, আহত শতাধিক দীর্ঘ ২৬ বছর পর কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ রিপোর্টার্স ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা জম্মু-কাশ্মীরে বন্দুকযুদ্ধে সাত ভারতীয় সেনা আহত

ইবিতে আবৃত্তির কলাকৌশল বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ইবি প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ২১ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৭৯ বার দেখা হয়েছে
Oplus_131072
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) “আবৃত্তি আবৃত্তি” সংগঠনের উদ্যোগে দিনব্যাপী আবৃত্তির কলাকৌশল ও সাংগঠনিক দক্ষতা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) সকালে  বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্র- নজরুল কলা ভবনের গগণ হরকরা গ্যালারীতে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আবৃত্তি পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক খান মাজহারুল ইসলাম লিপু।
প্রধান আলোচক খান মাজহারুল ইসলাম লিপু বলেন, আবৃত্তি একটা আলাদা শিল্প। আবৃত্তির মূল কাজ হচ্ছে যে কোন একটা কাজকে অন্যের কাছে নান্দনিকভাবে তুলে ধরা। এটা এমন শিল্প যা মানুষের মনোযোগ ধরে রাখতে সাহায্য করে। আবৃত্তি হচ্ছে যে কোন একটি লিখিত বোধকে অন্যের সামনে নান্দনিকভাবে কণ্ঠের মাধ্যমে তুলে ধরা। আবৃত্তি বলতে শুধু কবিতা নয় নাটক, প্রবন্ধ, পত্র সাহিত্য ইত্যাদি আবৃত্তির অন্তর্ভুক্ত।
আবৃত্তি করার জন্য সর্বপ্রথম নির্বাচন, বারবার পড়া, সারমর্ম বুঝা, প্রতিটা লাইনের মর্মোদ্ধার করা, প্রতিটা শব্দের মর্মোদ্ধার, প্রতিটা অক্ষরের সঠিক উচ্চারণ নিশ্চিত করতে হবে। কবিতার বোধ অনুযায়ী উপস্থাপন করে দেখতে হবে কোনটি অন্যদের জন্য সহজতর হয়। নিজের মনের মাধুরি মিশিয়ে নিজের মতো তুলে ধরতে হবে। পরের শব্দের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করতে হবে।
নওশিন পর্ণিনী সুস্মা বলেন, আবৃত্তি শুধু শব্দ উচ্চারণের শিল্প নয়, এটি অনুভূতি, অভিব্যক্তি এবং মানবিক সত্তার এক গভীরতম প্রকাশ। একটি কবিতা যখন কাগজ থেকে কণ্ঠে উঠে আসে, তখন তা আর কেবল কবির হয় না,তা হয়ে ওঠে আমাদের সবার, আমাদের হৃদয়ের। আবৃত্তি আমাদের শোনায় শব্দের সুর, ভাষার সৌন্দর্য আর অনুভবের উষ্ণতা।একটি সঠিক বিরতি, একটি নিখুঁত টান, আর একটি শ্বাস এগুলো মিলেই একটি সাধারণ কবিতাকে অসাধারণ হয়ে ওঠার শক্তি দেয়। আমরা যখন আবৃত্তি করি, তখন শুধু কণ্ঠ নয়, মন, দেহ, অভ্যাস সবকিছু মিলেই একটি পূর্ণতা তৈরি হয়।
তাই আজকের কর্মশালায় আমরা শেখার চেষ্টা করেছি কীভাবে কবিতকে আত্মস্থ করতে হয়,কীভাবে শব্দকে প্রাণ দিতে হয়,
এবং কীভাবে নিজের অভিজ্ঞতা, আবেগ ও কণ্ঠস্বরের ভিন্নতা দিয়ে একটি লেখাকে নতুন করে জন্ম দেওয়া যায়। আবৃত্তি মানুষকে সংযুক্ত করে, সংবেদনশীল করে মানুষের কাছে মানুষের গল্প পৌঁছে দেয়। আমি বিশ্বাস করি, আজকের এই আয়োজন আমাদের প্রত্যেককে নিজের ভেতরের শিল্পীকে খুঁজে পেতে আরও একধাপ এগিয়ে দেবে।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT