চীন বিশ্বের সর্বোচ্চ সেতুর বহনের সক্ষমতা পরীক্ষা করলো ৯৬ ভারী-ট্রাক দিয়ে - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
ড. ওয়ালী তছর উদ্দিন এমবিই নেতৃত্বে সিলেট জেলা প্রশাসক মোঃ সারওয়ার আলম এর সাথে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কুবিস্থ চট্টগ্রাম স্টুডেন্টস ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃত্বে শরিফুল-ফয়সাল  ইউরোপীয় ইউনিয়নের গ্র্যান্ট পেল কুবির গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো পিএইচডির সুপারিশ পেলেন ১৩ শিক্ষার্থী কুবিতে ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং ক্লাবের উদ্যোগে শুরু ‘ফিন ফেস্ট’ আড়াইহাজারে হাফিজিয়া মাদরাসায় শিক্ষার্থীদের ১০টি মোবাইল ভাঙচুর, ভিডিও ভাইরাল আইসিজেতে রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলার শুনানি আজ শুরু, তিন সপ্তাহ চলবে টেকনাফ সীমান্তে নাফ নদে মাইন বিস্ফোরণ: যুবকের পা উড়ে গেল, সড়ক অবরোধ কুবিতে ৬ শিক্ষার্থীকে ফোবানা স্কলারশিপ প্রদান  নিজেকে ভেনেজুয়েলার ‘ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট’ দাবি করলেন ট্রাম্প

চীন বিশ্বের সর্বোচ্চ সেতুর বহনের সক্ষমতা পরীক্ষা করলো ৯৬ ভারী-ট্রাক দিয়ে

আন্তর্জাাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় বুধবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৫
  • ২১১ বার দেখা হয়েছে

চীনের গুইঝৌ প্রদেশের কার্স্ট পাহাড়ের ভেতরে অবস্থিত হুয়াজিয়াং গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন সেতু সম্প্রতি তার চূড়ান্ত ভার বহন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। সেতুটি উচ্চতা ৬২৫ মিটার এবং মোট দৈর্ঘ্য ২,৮৯০ মিটার, যার প্রধান স্প্যানের দৈর্ঘ্য ১,৪২০ মিটার। বিশেষজ্ঞরা এটিকে ‘অভূতপূর্ব প্রকৌশল কীর্তি’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

সেতুর নির্মাণ প্রকল্পে ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে কাজ শুরু হয় এবং সেপ্টেম্বর ২০২৫ সালে জনসাধারণের জন্য এটি উন্মুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। হুয়াজিয়াং গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন সেতু উদ্বোধনের পর লিউঝি থেকে আনলং যাওয়ার সময় ২ ঘণ্টা থেকে কমিয়ে মাত্র ২ মিনিটে আসা যাবে, যা স্থানীয় যোগাযোগ ব্যবস্থা ও পর্যটনে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

সেতুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ২১ থেকে ২৫ আগস্ট পর্যন্ত কঠোর ভার বহন পরীক্ষা চালানো হয়। পরীক্ষার সময় মোট ৯৬টি ভারী ট্রাক, যার মোট ওজন ৩,৩৬০ মেট্রিক টন, সেতুর ওপর রাখা হয়। সেতুর মূল স্প্যান, টাওয়ার, কেবল এবং সাসপেন্ডারগুলোতে ৪০০-রও বেশি সেন্সর স্থাপন করে সামান্যতম নড়াচড়াও পর্যবেক্ষণ করা হয়। প্রকৌশলীরা নিশ্চিত করেছেন যে, সেতুর শক্তি, স্থিতিশীলতা ও সামগ্রিক কর্মক্ষমতা আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মানদণ্ড পূরণ করেছে।

প্রকল্পের ব্যবস্থাপক উ ঝাওমিং জানান, সেতু নির্মাণে অনেক চ্যালেঞ্জ ছিল। কংক্রিট ঢালার সময় তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা, খাড়াভূমি ঠিক রাখা এবং শক্তিশালী বাতাসের প্রভাব কমানো ছিল মূল সমস্যা। তবুও নির্মাণ দল নির্ধারিত সময়ের আগেই কাজ শেষ করেছে। ফলে পাহাড়ি এলাকায় সবচেয়ে বড় স্প্যানের সেতু তৈরি হয়েছে।

বিশ্বের সর্বোচ্চ সেতুর মধ্যে আটটি ইতিমধ্যেই চীনের গুইঝৌ প্রদেশে অবস্থিত। হুয়াজিয়াং গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন সেতু উদ্বোধনের পর এটি এই তালিকায় নতুন রেকর্ড তৈরি করবে।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT