নোটিশ:
শিরোনামঃ
চিকিৎসার ব্যয়ে দারিদ্র্য: স্বাস্থ্যসেবায় আর্থিক সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে কিউবার ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে জাতিসংঘে প্রস্তাব পাস, সমর্থন কমেছে হাইতিতে প্রায় ৫৯ লাখ মানুষ তীব্র খাদ্যসংকটে: জাতিসংঘ-সমর্থিত মূল্যায়ন ২০২৭ সালের মার্চ–এপ্রিলে ব্যাংক খাতে দৃশ্যমান উন্নতির আশা বাংলাদেশ ব্যাংকের চলতি অর্থবছরে ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত প্রবাসী আয় বেড়েছে ১৩ দশমিক ৩ শতাংশ ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে ইলিশ ধরতে প্রস্তুত জেলেরা উচ্চশিক্ষায় টেলিভিশন চ্যানেল ও ১৮০ বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিজিটাল নেটওয়ার্কের পরিকল্পনা ইউজিসির চার সমুদ্রবন্দরে সতর্কসংকেত নামানোর নির্দেশ ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবই ৩০ নভেম্বরের মধ্যে উপজেলায় পৌঁছানোর লক্ষ্য চিকিৎসার নিজস্ব ব্যয়ে ১৭ বছরে দারিদ্র্যে পড়েছেন প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ মানুষ: গবেষণা

চিকিৎসার ব্যয়ে দারিদ্র্য: স্বাস্থ্যসেবায় আর্থিক সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে

সম্পাদকীয়
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৬ বার দেখা হয়েছে
চিকিৎসা সেবা প্রতীকী ছবি

একটি পরিবারের কেউ অসুস্থ হলে চিকিৎসা নেওয়ার সিদ্ধান্ত যেন সঞ্চয় ভাঙা, ঋণ করা কিংবা প্রয়োজনীয় খাবার কমিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তে পরিণত না হয়। স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিট ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গবেষণায় ২০০৫ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে চিকিৎসার নিজস্ব ব্যয়ে আনুমানিক ১ কোটি ১০ লাখ মানুষের দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে যাওয়ার তথ্য আমাদের স্বাস্থ্যব্যবস্থার আর্থিক দুর্বলতাকে সামনে এনেছে।

শুধু নতুন হাসপাতাল নির্মাণ বা যন্ত্রপাতি কেনা দিয়ে সমস্যার সমাধান হবে না। সরকারি প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত ওষুধ, কার্যকর পরীক্ষা-নিরীক্ষা, পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যকর্মী এবং নির্ভরযোগ্য রেফারেলব্যবস্থা না থাকলে মানুষকে শেষ পর্যন্ত ব্যয়বহুল বেসরকারি সেবার দিকে যেতে হয়। দরিদ্র ও গ্রামীণ পরিবার এই ব্যবস্থায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

আমাদের অগ্রাধিকার হওয়া উচিত উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের সেবার মান উন্নয়ন, প্রয়োজনীয় ওষুধের প্রাপ্যতা প্রকাশ্যভাবে পর্যবেক্ষণ, ব্যয়বহুল চিকিৎসায় লক্ষ্যভিত্তিক আর্থিক সহায়তা এবং চিকিৎসার প্রকৃত খরচ সম্পর্কে স্বচ্ছ তথ্য। একই সঙ্গে সরকারি অর্থ কোথায় ব্যয় হচ্ছে এবং রোগী কী সেবা পাচ্ছেন, তার স্বাধীন মূল্যায়ন দরকার।

স্বাস্থ্যসেবায় আর্থিক সুরক্ষা কোনো বিলাসিতা নয়। চিকিৎসা নেওয়ার কারণে পরিবারকে নতুন করে দরিদ্র হতে না দেওয়া রাষ্ট্রীয় স্বাস্থ্যনীতির অন্যতম প্রধান সফলতার মানদণ্ড হওয়া উচিত।

ছবি: প্রতীকী।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT