
মানববন্ধনে বক্তারা দাবি করেন, মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা, নিয়মিত পাঠদান ও বার্ষিক পরীক্ষা এবং আবাসিক এতিম শিক্ষার্থীদের চলাচলের ওপর ভোটকেন্দ্রের নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। জামেয়া মাদানিয়া শুলকবহর মাদ্রাসার সহকারী পরিচালক মাওলানা মুহাম্মদ হারুন বলেন, মাদ্রাসার প্রায় ৯০ শতাংশ শিক্ষার্থী আবাসিক এবং এর মধ্যে অনেকেই এতিম। ভোটকেন্দ্র হলে শিক্ষার্থীদের অন্তত তিন দিন আগে মাদ্রাসা ছাড়তে হবে, যা তাদের নিরাপত্তা ও পরীক্ষার পরিবেশে ঝুঁকি সৃষ্টি করবে।
তিনি আরও বলেন, “ফেব্রুয়ারি-মার্চে শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষা রয়েছে। কোনো ধরনের আলাপ-আলোচনা ছাড়া আকস্মিকভাবে মাদ্রাসা ভোটকেন্দ্র ঘোষণার সিদ্ধান্ত উদ্দেশ্যমূলক মনে হচ্ছে। আশা করছি, নির্বাচন কমিশন দ্রুত এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করবে।”
মানববন্ধনে মাদ্রাসার শিক্ষা সচিব মাওলানা মহিউদ্দীন, মাওলানা মুফতি হাফিজুল্লাহ, মাওলানা তাহের, মাওলানা মুসা ও মাওলানা গিয়াস উদ্দীনও বক্তব্য রাখেন। তারা প্রশাসনের কাছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও এতিমখানাকে রাজনৈতিক ভিড় ও ঝুঁকি থেকে নিরাপদ রাখার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও পরীক্ষার পরিবেশ রক্ষা করার আহ্বান জানান।
চট্টগ্রাম জেলার সিনিয়র নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ বশির আহমেদ জানান, এর আগেও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই মাদ্রাসা ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। আশপাশে কোনো কেন্দ্র না থাকায় এ বছরও এখানে ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। তবে আশপাশে কেন্দ্র পাওয়া গেলে শিক্ষার্থীদের দাবির বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।