চ্যাটজিপিটি দিয়ে সময় বাঁচালেও হারাচ্ছে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
জাককানইবিতে সমুদ্র ও জলবায়ু–বিষয়ক ‘Exploring the Blue Earth’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত দুধকুমার নদে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে এসিল্যান্ডের হস্তক্ষেপ, স্বস্তিতে তীরবর্তী বাসিন্দারা ইবিতে জুলাই বিপ্লববিরোধী অভিযোগে ফের ৯ শিক্ষক বরখাস্ত নানিয়ারচর জোন (১৭ই বেংগল) এর মানবিক উদ্যো‌গে বিনামূল্যে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রথম নির্বাহী পরিচালক হলেন মো. সাদি উর রহিম জাদিদ আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস উপলক্ষে ইবিতে আলোচনা সভা জামায়াতের মনোনয়নে কে এই হিন্দু প্রার্থী ভারত ছাড়তে তড়িঘড়ি সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামাল পশ্চিমবঙ্গে বেওয়ারিশ কুকুরের প্রহরায় বেঁচে গেল পরিত্যক্ত নবজাতক দুর্গম কুড়ামারায় সেনাবাহিনীর ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, চিকিৎসা পেল ১২২ বাসিন্দা

চ্যাটজিপিটি দিয়ে সময় বাঁচালেও হারাচ্ছে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় রবিবার, ৩ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৫৬ বার দেখা হয়েছে

০৩ আগস্ট ২০২৫

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির বিকাশে জীবনের নানা জটিলতা সহজ হয়ে উঠেছে। আগে মানুষের ভরসা ছিল গুগলের ওপর, আর এখন বহু ক্ষেত্রেই তার জায়গা নিয়েছে চ্যাটজিপিটি। প্রশ্ন করলেই মুহূর্তে উত্তর, কবিতা লেখা থেকে শুরু করে রান্নার রেসিপি, জটিল গণিত কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাসাইনমেন্ট—সবই মিলছে এআইয়ের মাধ্যমে। সময় বাঁচাতে অনেকেই এখন সরাসরি চ্যাটবটের কাছেই সমাধান খুঁজে নিচ্ছেন।

তবে এতে এক অজানা বিপদের আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। চ্যাটজিপিটি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ও গবেষকদের মতে, এই টুল ব্যবহারে মানুষের মস্তিষ্কে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে স্মৃতি ধারণের ক্ষমতা, কমে যাচ্ছে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা ও স্বাভাবিক চিন্তার দক্ষতা।

‘দি কগনিটিভ কস্ট অব ইউজিং লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেলস’ শীর্ষক এক গবেষণায় উঠে এসেছে, চ্যাটজিপিটির মতো ভাষাভিত্তিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারে মানুষের শেখার ক্ষমতা, মনোযোগ ও তথ্য মনে রাখার সামর্থ্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

এমআইটি (MIT)-তে ৫৪ জন শিক্ষার্থীকে তিনটি গ্রুপে ভাগ করে চার মাস ধরে একটি পরীক্ষা চালানো হয়। একদল নিয়মিত চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করে, আরেকদল গুগল, আর শেষ দলটি কোনো প্রযুক্তিগত সহায়তা ছাড়াই কাজ করে। গবেষণায় দেখা যায়, চ্যাটজিপিটি ব্যবহারকারীরা প্রথমদিকে দ্রুত ফলাফল পেলেও দীর্ঘমেয়াদে তাদের মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমতে থাকে। তারা আগের মতো তথ্য মনে রাখতে পারছে না, চিন্তাভাবনায়ও জড়তা দেখা দিচ্ছে।

অন্যদিকে যারা নিজেরা চিন্তা করে কাজ করেছে, তাদের মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা ও ভাষাগত দক্ষতা ছিল তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি। গুগল ব্যবহারকারীদের অবস্থান ছিল মাঝামাঝি।

গবেষকরা সতর্ক করে বলছেন, চ্যাটজিপিটির অতিরিক্ত ব্যবহার শুধুমাত্র চিন্তাভাবনার ধরনকে প্রভাবিত করছে না, বরং সামগ্রিকভাবে সৃজনশীলতা ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশেও বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এতে করে লেখার দক্ষতা ও নতুন কিছু ভাবার ক্ষমতা হ্রাস পাচ্ছে।

সতর্ক পরামর্শ: প্রযুক্তি হোক সহায়ক, নিয়ন্ত্রণহীন নির্ভরতা নয়—এই বার্তাই দিচ্ছে গবেষণা।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT