গ্রিস উপকূলে উদ্ধার ২০২ অভিবাসী, বেশিরভাগই বাংলাদেশি - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
গ্রিস উপকূলে উদ্ধার ২০২ অভিবাসী, বেশিরভাগই বাংলাদেশি মক্কায় সৌদি, পাকিস্তান ও তুরস্কের ঐতিহাসিক প্রতিরক্ষা চুক্তি, একজনের ওপর হামলা মানেই তিন দেশের ওপর হামলা নেত্রকোনার বড় বাজারে ভয়াবহ আগুন, পুড়ছে ৫ বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান; নিয়ন্ত্রণে ৭ ইউনিটের প্রাণপণ চেষ্টা সাকিবের দেশে ফেরা ও জাতীয় দলে ফেরার সম্ভাবনা নেই, ইঙ্গিত ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর ফেসবুকে যুক্ত হলো বিকাশ, সহজ হলো ডিজিটাল পেমেন্ট বৃষ্টি উপেক্ষা করে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে’ দর্শনার্থীদের ঢল সেমিকন্ডাক্টর খাতে সুখবর, আসছে বিশেষ প্রণোদনা দক্ষিণ কোরিয়ার নজরে বাংলাদেশের পোশাক শিল্প, বড় বিনিয়োগ সম্ভাবনা জলাবদ্ধ এলাকায় কৃষিতে নতুন দিগন্ত: পলি নেট হাউসে বছরে ১০ লাখ পর্যন্ত মানসম্মত চারা উৎপাদন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ২০ আগস্ট, তফসিল ঘোষণা ইসির

গ্রিস উপকূলে উদ্ধার ২০২ অভিবাসী, বেশিরভাগই বাংলাদেশি

আন্তর্জাাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬
  • ৫ বার দেখা হয়েছে

ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রায় আবারও বড় ধরনের উদ্ধার অভিযান চালিয়েছে গ্রিসের কোস্ট গার্ড। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের ক্রিট দ্বীপের উপকূল থেকে ২০২ জন অভিবাসীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের অধিকাংশই বাংলাদেশ ও সুদানের নাগরিক বলে জানিয়েছে গ্রিক কর্তৃপক্ষ।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, লিবিয়া থেকে ছোট নৌযানে করে ইউরোপের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছিলেন এসব অভিবাসী। সাগরে বিপজ্জনক পরিস্থিতির মধ্যে তাদের অবস্থান শনাক্ত করে উদ্ধার অভিযান চালায় গ্রিসের কোস্ট গার্ড। পরে সবাইকে নিরাপদে ক্রিট দ্বীপে নেওয়া হয়।

প্রাথমিকভাবে উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের খাদ্য, চিকিৎসা ও অস্থায়ী আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের পরিচয় যাচাই এবং মানবপাচার চক্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের শনাক্তে তদন্ত শুরু করেছে গ্রিক কর্তৃপক্ষ।

বিশ্লেষকদের মতে, ইউরোপে কর্মসংস্থান ও উন্নত জীবনের আশায় প্রতি বছর হাজারো মানুষ লিবিয়া হয়ে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু মানবপাচারকারীদের প্রলোভনে পড়ে অনেকেই জীবনের ঝুঁকি নেন। জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থা (IOM) দীর্ঘদিন ধরে সতর্ক করে আসছে যে, মধ্য ভূমধ্যসাগর বিশ্বের সবচেয়ে প্রাণঘাতী অভিবাসন রুটগুলোর একটি।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে লিবিয়া থেকে গ্রিস ও ইতালিমুখী অনিয়মিত অভিবাসীর সংখ্যা বেড়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশ, সুদান, মিসর ও কয়েকটি আফ্রিকান দেশের নাগরিকদের মধ্যে এই রুট ব্যবহারের প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এ কারণে গ্রিসের সীমান্ত নিরাপত্তা ও অভিবাসন ব্যবস্থাপনার ওপরও চাপ বাড়ছে।

গ্রিক কর্তৃপক্ষ অভিবাসীদের বৈধতা যাচাই শেষে আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছে। একই সঙ্গে মানবপাচার প্রতিরোধে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT