নোটিশ:
শিরোনামঃ
বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নে ২০ উদ্যোগের ৭টি বাস্তবায়ন করেছে সরকার বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর বাণিজ্যে নতুন খাত ও ডিজিটাল ট্রেড সহযোগিতার উদ্যোগ নিউমুরিং টার্মিনাল পরিচালনায় ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে ১৫ বছরের চুক্তি আজ টোকিও ফ্যাশন এক্সপোতে বাংলাদেশের পোশাক, হোম টেক্সটাইল ও চামড়াপণ্য সেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮.৩৪ শতাংশ বাংলাদেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.১২ বিলিয়ন ডলার বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ সভায় নিজস্ব সংস্কার এজেন্ডা তুলে ধরবে বাংলাদেশ বাংলাদেশ-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি দ্রুত সম্পন্নে জার্মানির সমর্থন আবাসন ও পার্বত্য চট্টগ্রামের বিদ্যুতে এডিবির ২৭৭.৭২ মিলিয়ন ডলার সহায়তা বিমানের বহরে আসছে ১০টি এয়ারবাস, থাকবে চারটি A350-900

জাপানে এক কোটি কর্মীর চাহিদা, সাত দিনের মধ্যে কর্মপরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর কাছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৩৯৯ বার দেখা হয়েছে
বাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সভা

জাপানের শ্রমবাজারে ২০৪০ সালের মধ্যে এক কোটি ১০ লাখ যুবক শ্রেণির কর্মীর চাহিদা পূরণে বাংলাদেশ প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় আগামী সাত দিনের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ কর্মপরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান’র কাছে উপস্থাপন করবে।

রোববার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত প্রস্তুতিমূলক সভায় সিনিয়র সচিব ড. নেয়ামত উল্যাহ ভূঁইয়া সভাপতিত্ব করেন। সভায় মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক উপস্থিত ছিলেন।

সভায় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী সকল কর্মকর্তাকে জাপানে কর্মী পাঠানোর বিষয়ে দক্ষতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান। সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয় কিভাবে অদক্ষ শ্রমশক্তিকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করে জাপানসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশে পাঠানো যায়।

সভায় বলা হয়, জাপানে যুবসংখ্যা কমে যাওয়ায় নির্দিষ্ট কিছু ট্রেডে শ্রমিকের চাহিদা বাড়ছে। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ২.৩ মিলিয়ন অতিরিক্ত যুবশ্রমশক্তি রয়েছে। এই যুবশক্তিকে দক্ষ করে আন্তর্জাতিক বাজারে পাঠানো হলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের ক্ষেত্রেও বড় সুযোগ সৃষ্টি হবে।

প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সভায় জাপান থেকে কর্মী পাঠানোর বিষয়ে বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। নবগঠিত সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ২০টি কার্যক্রম যুক্ত ছিল। এগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রবাসী কর্মী প্রেরণ একটি জাতীয় কর্মসূচিতে পরিণত হয়েছে।

সভায় উল্লেখ করা হয়, জাপানে শ্রমিক পাঠানোর জন্য দক্ষতা ও ভাষা শিক্ষার ওপর জোর দেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই ৩৩টি ট্রেড-ভিত্তিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (TTC) তৈরি করা হয়েছিল। এখন আরও ২০টি TTC যোগ করে মোট ৫৩টিতে জাপানি ভাষা শিক্ষা ও দক্ষতা প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

তবে জাপানি ভাষার শিক্ষকের অপ্রতুলতা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। সভায় আলোচনা হয় কীভাবে আরও বেশি শিক্ষক নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা যায়। এছাড়া, দেশে থাকা ২০০টি বেসরকারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং বিদেশে শ্রমিক পাঠানোর এজেন্সিগুলোর কাছ থেকে সহযোগিতা নেওয়ার পথও খতিয়ে দেখা হয়েছে।

জাপানে দ্রুত বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর লক্ষ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ কর্মপরিকল্পনা আগামী সাত দিনের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীকে উপস্থাপন করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

সভায় কর্মকর্তাদের মধ্যে দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। পাশাপাশি স্টেকহোল্ডার, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে মতবিনিময় সভা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যাতে প্রশিক্ষণ ও ভাষা শিক্ষার কার্যক্রম আরও কার্যকর করা যায়।

মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থার প্রধানগণ এই সভায় উপস্থিত ছিলেন।


🔑 পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য

  1. অদক্ষ শ্রমিককে দক্ষ ও আধা-দক্ষ শ্রমিক হিসেবে রূপান্তর করা।

  2. জাপানের শ্রমবাজারে বাংলাদেশের উপস্থিতি বাড়ানো।

  3. প্রশিক্ষণ ও ভাষা শিক্ষার সম্প্রসারণ।

  4. ২০৪০ সালের মধ্যে এক কোটি ১০ লাখ জাপানি শ্রমবাজারের চাহিদা পূরণে বাংলাদেশি শ্রমিক পাঠানো।

  5. বৈদেশিক কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT