ইনোভেশন ওয়ার্ল্ড কাপ বাংলাদেশ ২০২৬: লাইফ সায়েন্সে গোল্ড জিতল রাবির ‘প্রজেক্ট কানন’ - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
সড়ক সংস্কারের দাবিতে ইবি শিক্ষার্থীদের কুষ্টিয়া-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ ভোলা বরিশাল সেতুর দাবিতে ইবিতে মানববন্ধন মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদ নির্মাণ নিয়ে উত্তেজনা আদর্শিক নেতৃত্বই জাতিকে এগিয়ে নেয়—আফগানিস্তানের উন্নয়ন তার প্রমাণ: মামুনুল হক নোয়াখালীতে তাহাজ্জুদের সময় ১২ বছরের মাদ্রাসাছাত্রের মৃত্যু শেষ হলো কুবির পঞ্চম ছায়া জাতিসংঘ সম্মেলন ভারত অনুমতি না দেওয়ায় বুড়িমারীতে ভুটানের ট্রানজিট পণ্য আটকে অরুণাচলে মসজিদে ঢুকে ইমামকে ‘ভারত মাতা কি জয়’ বলাতে চাপ গেজেট বঞ্চনার প্রতিবাদে ইবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘The Voice of JKKNIU’-এর গ্র্যান্ড ফাইনাল অনুষ্ঠিত

ইনোভেশন ওয়ার্ল্ড কাপ বাংলাদেশ ২০২৬: লাইফ সায়েন্সে গোল্ড জিতল রাবির ‘প্রজেক্ট কানন’

রাফাসান আলম, রাবি প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় শনিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৩৪ বার দেখা হয়েছে

সারা দেশের ৪০৬ প্রজেক্টকে পিছনে ফেলে লাইফ সায়েন্স ক্যাটাগরিতে প্রথম; ইন্দোনেশিয়ার আন্তর্জাতিক বুটক্যাম্পে অংশ নেবে দলটি।

দেশের উদ্ভাবনী তরুণদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত Innovation World Cup Bangladesh 2026 (National Round)–এর লাইফ সায়েন্স ক্যাটাগরিতে অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থীদের দল ‘প্রজেক্ট কানন’।

শুক্রবার (৭ নভেম্বর) ঢাকার খিলগাঁও গভর্নমেন্ট কলোনি স্কুল অ্যান্ড কলেজে অনুষ্ঠিত হয় ‘ইনোভেশন ওয়ার্ল্ড কাপ বাংলাদেশ ২০২৬’-এর জাতীয় পর্যায়ের ফাইনাল রাউন্ড।

সারা দেশের ৪০৬টি প্রজেক্ট ও ১,৫০০-এর বেশি উদ্ভাবকের মধ্য থেকে নির্বাচিত সেরা ৮৫ দলের অন্যতম ছিল প্রজেক্ট কানন। দলটি লাইফ সায়েন্স ক্যাটাগরিতে সেরা ১০–এ জায়গা করে নিয়ে গোল্ড মেডেল জয়ের গৌরব অর্জন করে। দলে রয়েছেন রাবির সাতজন শিক্ষার্থী এবং শহীদ এম. মনসুর আলী মেডিকেল কলেজের একজন শিক্ষার্থী।

প্রতিযোগিতাটি আয়োজন করেছে Dreams of Bangladesh (DOB)। এক্সক্লুসিভ পার্টনার হিসেবে ছিল MIICA Malaysia। জাতীয় পর্যায়ের এ আয়োজনে সৃজনশীলতা, উদ্ভাবনী চিন্তা ও গবেষণার মাধ্যমে দেশের তরুণ উদ্ভাবকেরা তাদের প্রকল্প উপস্থাপন করেন।

‘প্রজেক্ট কানন’ কাজ করছে বর্তমান বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য সংকট অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (Antimicrobial Resistance) এবং ওষুধের অপব্যবহার (Medicine Misuse) প্রতিরোধে। প্রকল্পটির লক্ষ্য—সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি, ওষুধের যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স মোকাবিলায় কার্যকর সমাধান তৈরি।

গোল্ড মেডেল জয়ের পর দলের সদস্য ফারিহা তাবাচ্ছুম বলেন,
“আমাদের প্রজেক্টের যাত্রায় এটি একটি নতুন সূচনা। আমরা বিশ্বাস করি, এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি স্তরে ওষুধের সঠিক ব্যবহার ও অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করতে পারব।”

দলটির কো-ফাউন্ডার নাসিম মাহমুদ খন্দকার বলেন,
“গবেষণা ও সচেতনতার মাধ্যমে ওষুধের অপব্যবহার এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স মোকাবিলায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন সম্ভব। এই অর্জন আমাদের আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও আত্মবিশ্বাসী করেছে।”

উল্লেখ্য, গোল্ড মেডেল অর্জনের পর প্রজেক্ট কানন নির্বাচিত হয়েছে আন্তর্জাতিক বুটক্যাম্পে অংশগ্রহণের জন্য, যা অনুষ্ঠিত হবে ইন্দোনেশিয়ার বান্দুং শহরে। সেখানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সেরা উদ্ভাবনী দলের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে তারা।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT