ইনোভেশন ওয়ার্ল্ড কাপ বাংলাদেশ ২০২৬: লাইফ সায়েন্সে গোল্ড জিতল রাবির ‘প্রজেক্ট কানন’ - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
ঈদযাত্রায় দৌলতদিয়া ঘাটে নেই ভোগান্তি নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষের জমকালো আয়োজনে বুটেক্সে শুরু হলো অ্যালামনাই সুপার কাপ রাজবাড়ীর কালুখালীতে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু আইসিএমএবি ও নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত রাজবাড়ী সদরে শ্রেষ্ঠ কলেজ শিক্ষকের সম্মাননা পেলেন সহকারী অধ্যাপক মাসুদুজ্জামান বাগদুলী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকের বেত্রাঘাতে হসপিটালে ছাত্র, শিক্ষক অবরুদ্ধ পতাকা নামাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ঠ হয়ে ঝলসে গেলেন মনিরা ড. রশিদুন্ নবীর হাতে উঠছে বাংলা একাডেমির ‘নজরুল পুরস্কার ২০২৬’ আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন জাককানইবির নতুন উপাচার্য Pin Up Casino Onlayn Azərbaycan

ইনোভেশন ওয়ার্ল্ড কাপ বাংলাদেশ ২০২৬: লাইফ সায়েন্সে গোল্ড জিতল রাবির ‘প্রজেক্ট কানন’

রাফাসান আলম, রাবি প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় শনিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১৬৩ বার দেখা হয়েছে

সারা দেশের ৪০৬ প্রজেক্টকে পিছনে ফেলে লাইফ সায়েন্স ক্যাটাগরিতে প্রথম; ইন্দোনেশিয়ার আন্তর্জাতিক বুটক্যাম্পে অংশ নেবে দলটি।

দেশের উদ্ভাবনী তরুণদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত Innovation World Cup Bangladesh 2026 (National Round)–এর লাইফ সায়েন্স ক্যাটাগরিতে অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থীদের দল ‘প্রজেক্ট কানন’।

শুক্রবার (৭ নভেম্বর) ঢাকার খিলগাঁও গভর্নমেন্ট কলোনি স্কুল অ্যান্ড কলেজে অনুষ্ঠিত হয় ‘ইনোভেশন ওয়ার্ল্ড কাপ বাংলাদেশ ২০২৬’-এর জাতীয় পর্যায়ের ফাইনাল রাউন্ড।

সারা দেশের ৪০৬টি প্রজেক্ট ও ১,৫০০-এর বেশি উদ্ভাবকের মধ্য থেকে নির্বাচিত সেরা ৮৫ দলের অন্যতম ছিল প্রজেক্ট কানন। দলটি লাইফ সায়েন্স ক্যাটাগরিতে সেরা ১০–এ জায়গা করে নিয়ে গোল্ড মেডেল জয়ের গৌরব অর্জন করে। দলে রয়েছেন রাবির সাতজন শিক্ষার্থী এবং শহীদ এম. মনসুর আলী মেডিকেল কলেজের একজন শিক্ষার্থী।

প্রতিযোগিতাটি আয়োজন করেছে Dreams of Bangladesh (DOB)। এক্সক্লুসিভ পার্টনার হিসেবে ছিল MIICA Malaysia। জাতীয় পর্যায়ের এ আয়োজনে সৃজনশীলতা, উদ্ভাবনী চিন্তা ও গবেষণার মাধ্যমে দেশের তরুণ উদ্ভাবকেরা তাদের প্রকল্প উপস্থাপন করেন।

‘প্রজেক্ট কানন’ কাজ করছে বর্তমান বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য সংকট অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (Antimicrobial Resistance) এবং ওষুধের অপব্যবহার (Medicine Misuse) প্রতিরোধে। প্রকল্পটির লক্ষ্য—সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি, ওষুধের যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স মোকাবিলায় কার্যকর সমাধান তৈরি।

গোল্ড মেডেল জয়ের পর দলের সদস্য ফারিহা তাবাচ্ছুম বলেন,
“আমাদের প্রজেক্টের যাত্রায় এটি একটি নতুন সূচনা। আমরা বিশ্বাস করি, এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি স্তরে ওষুধের সঠিক ব্যবহার ও অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করতে পারব।”

দলটির কো-ফাউন্ডার নাসিম মাহমুদ খন্দকার বলেন,
“গবেষণা ও সচেতনতার মাধ্যমে ওষুধের অপব্যবহার এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স মোকাবিলায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন সম্ভব। এই অর্জন আমাদের আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও আত্মবিশ্বাসী করেছে।”

উল্লেখ্য, গোল্ড মেডেল অর্জনের পর প্রজেক্ট কানন নির্বাচিত হয়েছে আন্তর্জাতিক বুটক্যাম্পে অংশগ্রহণের জন্য, যা অনুষ্ঠিত হবে ইন্দোনেশিয়ার বান্দুং শহরে। সেখানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সেরা উদ্ভাবনী দলের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে তারা।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT