লাগামহীন লুটপাটে বিলুপ্তির পথে সাদাপাথর পর্যটন কেন্দ্র - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে রেকর্ড ১২ কোটি ৯ লাখ টাকা তাসকিন–লিটনের ঝড়ে ডাচদের সহজে হারাল বাংলাদেশ, সিরিজে ১–০ নেতৃত্ব সাবেক ভিপি নুরের ওপর হামলার প্রতিবাদে কুড়িগ্রামে বিক্ষোভ কেরালায় ক্যানারা ব্যাংকে গরুর মাংস নিষিদ্ধ, কর্মীদের ‘বিফ-ফেস্ট’ প্রতিবাদ ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম: জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধসহ তিন দফা দাবিতে গণঅধিকার পরিষদের হুঁশিয়ারি ভিপি নূরের ওপর হামলা সেনা নেতৃত্বে: পিনাকী যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা: ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের জাতিসংঘে যোগ দেওয়ার পথ বন্ধ নিখোঁজ দুই শিক্ষার্থীর সন্ধানের দাবিতে ইবিতে ছাত্রশিবিরের মানববন্ধন কিশোরগঞ্জ পাগলা মসজিদের দানবাক্সতে ৩২ বস্তা টাকা ও শেখ হাসিনাকে নিয়ে লেখা সহ নানান চিরকুট ডাকসু নির্বাচনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চার দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

লাগামহীন লুটপাটে বিলুপ্তির পথে সাদাপাথর পর্যটন কেন্দ্র

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ১২ আগস্ট, ২০২৫
  • ৭৪ বার দেখা হয়েছে
লাগামহীন লুটপাটে বিলুপ্তির পথে সাদাপাথর পর্যটন কেন্দ্র
সাদাপাথর পর্যটন কেন্দ্রে পাথর লুট

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জ সাদাপাথর পর্যটনকেন্দ্রে চলছে প্রকাশ্যে পাথর লুটপাট। গেল বছরের ৫ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া এই লুটে প্রায় পাথরশূন্য হয়ে পড়েছে জনপ্রিয় পর্যটন এলাকাটি। পরিবেশকর্মী ও স্থানীয়দের অভিযোগ, মাত্র এক বছরে প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ ঘনফুট পাথর লুট হয়েছে, যার বাজারমূল্য ২০০ কোটি টাকারও বেশি। পাথরের সঙ্গে বালুও লুট করা হচ্ছে। অথচ কেন্দ্রের চারপাশে রয়েছে বিজিবির চারটি ক্যাম্প ও পোস্ট।

সরেজমিন দেখা গেছে, ধলাই নদীর উৎসমুখ থেকে শত শত নৌকা দিয়ে অবিরাম পাথর উত্তোলন চলছে। মূল স্পটের বড় বড় পাথর নেই, কোথাও কোথাও জেগে উঠেছে ধু-ধু বালুচর।

প্রশাসনের উদাসীনতা ও দুর্বল নজরদারির সুযোগে পাথরখেকোরা নির্বিঘ্নে তাদের ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। মাঝে মাঝে অভিযান চালালেও তার প্রভাব থাকে অল্প সময়ের জন্য। কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি উজায়ের আল মাহমুদ আদনান জানান, সাদাপাথরকে কেন্দ্র করে ১৫টি মামলা হয়েছে, গ্রেফতার হয়েছে প্রায় ৭০ জন। তবে স্থায়ী সমাধানে বড় ধরনের অভিযানের প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।

সাদাপাথরের ইতিহাস বলছে, ভারতের মেঘালয়ের পাহাড়ি অঞ্চল থেকে বৃষ্টির স্রোতে এই পাথর ধলাই নদী হয়ে বাংলাদেশে আসে। ১৯৯০ সালে ব্যাপক পাথর জমলেও লুটপাটে তা নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। ২৭ বছর পর, ২০১৭ সালে পাহাড়ি ঢলে আবারও প্রায় ২০ ফুট উঁচু পাথরের স্তর জমে, যা সংরক্ষণ করে পর্যটনকেন্দ্র ঘোষণা দেওয়া হয়। কিন্তু মাত্র কয়েকদিনের লুটপাটে ৮ বছরে গড়ে ওঠা সেই সৌন্দর্য এখন বিলীন।

পরিবেশ ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষায় দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকেই। তাদের প্রশ্ন, “রাষ্ট্রীয় সম্পদ যারা রক্ষা করতে পারে না, তারা নাগরিকের জান-মালের নিরাপত্তা কীভাবে দেবে?”

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT