গণঅভ্যুত্থানে প্রাণহানির সংখ্যা নিয়ে ধোঁয়াশা: সরকারের গেজেটে ৮৪৪, জাতিসংঘ বলছে ১৪০০ - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
গ্রিস উপকূলে উদ্ধার ২০২ অভিবাসী, বেশিরভাগই বাংলাদেশি মক্কায় সৌদি, পাকিস্তান ও তুরস্কের ঐতিহাসিক প্রতিরক্ষা চুক্তি, একজনের ওপর হামলা মানেই তিন দেশের ওপর হামলা নেত্রকোনার বড় বাজারে ভয়াবহ আগুন, পুড়ছে ৫ বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান; নিয়ন্ত্রণে ৭ ইউনিটের প্রাণপণ চেষ্টা সাকিবের দেশে ফেরা ও জাতীয় দলে ফেরার সম্ভাবনা নেই, ইঙ্গিত ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর ফেসবুকে যুক্ত হলো বিকাশ, সহজ হলো ডিজিটাল পেমেন্ট বৃষ্টি উপেক্ষা করে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে’ দর্শনার্থীদের ঢল সেমিকন্ডাক্টর খাতে সুখবর, আসছে বিশেষ প্রণোদনা দক্ষিণ কোরিয়ার নজরে বাংলাদেশের পোশাক শিল্প, বড় বিনিয়োগ সম্ভাবনা জলাবদ্ধ এলাকায় কৃষিতে নতুন দিগন্ত: পলি নেট হাউসে বছরে ১০ লাখ পর্যন্ত মানসম্মত চারা উৎপাদন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ২০ আগস্ট, তফসিল ঘোষণা ইসির

গণঅভ্যুত্থানে প্রাণহানির সংখ্যা নিয়ে ধোঁয়াশা: সরকারের গেজেটে ৮৪৪, জাতিসংঘ বলছে ১৪০০

সাবাস বাংলাদেশ ডেস্ক
  • আপডেট সময় বুধবার, ৬ আগস্ট, ২০২৫
  • ২০১ বার দেখা হয়েছে

কোটা সংস্কারের দাবিতে শুরু হওয়া এক দফা আন্দোলন থেকে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের মধ্য দিয়ে ঘটে যায় ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ গণঅভ্যুত্থান। সরকার বলপ্রয়োগ করলেও ছাত্র-জনতার দৃঢ় অবস্থান ছিল অটল। এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে যে প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে, তা স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ।

তবে ঠিক কতজন মানুষ এতে প্রাণ হারিয়েছেন, তা নিয়ে সরকারের হিসাব ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিবেদনে রয়েছে বড় ধরনের পার্থক্য। সরকার পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের গেজেটে নিহতের সংখ্যা বলা হয়েছে ৮৪৪ জন, যাদের ‘শহীদ’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন বলছে, নিহতের সংখ্যা প্রায় ১৪০০ জন

সরকারি তালিকায় একাধিক নাম পুনরাবৃত্তি, ভুয়া নাম অন্তর্ভুক্তি ও বেওয়ারিশ দাফন হওয়া অনেকের নাম না আসার মতো বিষয় উঠে এসেছে। অনেক অভিযোগের পর মন্ত্রণালয় নিজেই বলছে, তালিকা থেকে কিছু নাম বাতিল করা হবে।

জাতিসংঘের রিপোর্টে পুলিশের গুলিতে শিশুসহ বহু মানুষের মৃত্যুর কথা বলা হলেও, সরকারের গেজেটে তা প্রতিফলিত হয়নি। শুধু আওয়ামী লীগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হামলায় নিহত আন্দোলনকারীদের নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। পুলিশের নিহত ৪৪ সদস্যেরও আলাদা তালিকা থাকলেও গেজেটে তারা অন্তর্ভুক্ত নন।

অন্যদিকে, ঢাকায় রায়েরবাজার কবরস্থানে ১১৪ জনকে বেওয়ারিশ হিসেবে দাফনের তথ্য গণমাধ্যমে উঠে এসেছে। ধারণা করা হয়, এদের অনেকেই আন্দোলনে নিহত ছিলেন। তবে সরকারের তালিকায় অজ্ঞাতনামাদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, তালিকা তৈরিতে শৃঙ্খলার অভাব এবং ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত সুযোগের কারণে ভুয়া নাম যোগ হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

তারা বলছেন, এলাকাভিত্তিক যাচাই-বাছাই ও তথ্য অনুসন্ধানের মাধ্যমে একটি নির্ভুল তালিকা দ্রুত প্রকাশ করা প্রয়োজন।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT