ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরাপদ ক্যাম্পাস ও সংস্কারের দাবিতে ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
তারেক রহমান: জুলাই গণ অভ্যুত্থানের শহীদ-আহতদের জন্য নতুন বিভাগ হবে ২০২৬ হজের জন্য হজযাত্রীদের টিকাদান কার্যক্রম শুরু আলিফ হত্যা মামলা- চিন্ময় কৃষ্ণ দাসসহ ৩৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন, বিচার শুরু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতাল: উচ্চপর্যায় বৈঠকে অগ্রগতি ও দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার ২১ জানুয়ারির মধ্যে সিদ্ধান্ত চাইছে আইসিসি, ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ভাগ্য অনিশ্চিত মাগুরার চিত্রা নদী থেকে উদ্ধার মুঘল আমলের তরবারি, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত দক্ষিণ স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা: লাইনচ্যুতি ও সংঘর্ষে নিহত ২১, আহত শতাধিক দীর্ঘ ২৬ বছর পর কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ রিপোর্টার্স ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা জম্মু-কাশ্মীরে বন্দুকযুদ্ধে সাত ভারতীয় সেনা আহত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে বৃদ্ধাঙ্গুলি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের প্রার্থী রুমিন ফারহানাকে তলব

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরাপদ ক্যাম্পাস ও সংস্কারের দাবিতে ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ

মিজানুর রহমান, ইবি প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় শনিবার, ২ আগস্ট, ২০২৫
  • ৯৩ বার দেখা হয়েছে

নিরাপদ ক্যাম্পাস, শিক্ষার্থী সাজিদ আব্দুল্লাহর মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্ত এবং ‘জুলাই বিপ্লব’-এর আলোকে ক্যাম্পাস সংস্কারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।

শনিবার (২ আগস্ট) বিকেল তিনটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়া মোড় থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রধান ফটকে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন স্লোগানে ক্যাম্পাসে ছাত্র অধিকার, নিরাপদ পরিবেশ, ও ছাত্র সংসদ গঠনের দাবি জানান। তাদের প্ল্যাকার্ড ও কণ্ঠে শোনা যায়: “ইবিতে ছাত্র সংসদ গঠন করতে হবে”, “ইকসু নিয়ে টালবাহানা আর না”, “সনদ পেতে গেলে শিক্ষার্থীদের নাভিশ্বাস”, “অফিসে সাড়া মেলে না”, “শিক্ষার্থীদের দিশাহারা অবস্থা”, “নাপাকেন্দ্রের ডাক্তার বদলাতে হবে” ইত্যাদি।

সমাবেশে শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মো. ইউসুব আলী বলেন, “জুলাই বিপ্লবের এক বছর পার হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো দৃশ্যমান সংস্কার হয়নি। বরং এখনো ফ্যাসিবাদী শক্তি মাথা চাড়া দিয়ে উঠছে। প্রশাসন সময় থাকতে হুঁশিয়ার না হলে শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদে মসনদ নাড়িয়ে দিতে পারে।”

শাখা সভাপতি মাহমুদুল হাসান বলেন, “জুলাই বিপ্লবের পর আমরা ভেবেছিলাম বিশ্ববিদ্যালয় একটি নিরাপদ ও শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশে রূপ নেবে, নিখোঁজ ওয়ালীউল্লাহ ও মুকাদ্দাসের সন্ধান মিলবে। কিন্তু বাস্তবে প্রশাসন আন্দোলনকারীদের অবজ্ঞা করেছে। আমরা ১১০ দফা দাবি দিয়েছিলাম, যার মধ্যে অধিকাংশই শিক্ষার্থীদের মৌলিক দাবি, কিন্তু কোনো অগ্রগতি নেই।”

তিনি বলেন, “শাহজালাল, যশোর এবং হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ইতোমধ্যে ছাত্র সংসদ গঠন করেছে, অথচ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনো ইকসু গঠন হয়নি। শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে ইকসু গঠন করতে হবে। সাজিদ হত্যার বিচার ছাড়া প্রশাসনের প্রতি কোনো আস্থা ফিরবে না।”

তিনি আরো অভিযোগ করেন, “শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রশাসন শুধু সার্কুলার দিয়েই থেমে থাকে, নিয়োগ হয় না। শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকটসহ নানা সমস্যা দূর করতে প্রশাসনের উচিত ছাত্র প্রতিনিধিদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা।”

সমাবেশে বক্তারা প্রশাসনকে সময়মতো পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, দাবি মানা না হলে আরও বড় পরিসরে আন্দোলনে যাবেন।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT