নোটিশ:
শিরোনামঃ
প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতির স্বপ্ন বাস্তবায়নে চাই গবেষণা ও দক্ষতার সেতুবন্ধ এআই ও সেমিকন্ডাক্টর খাতে প্রবাসী দক্ষতা কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ লন্ডনে ‘চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬’: প্রবাসীদের সাংস্কৃতিক মিলনমেলা প্রবাসী আয়ের প্রবৃদ্ধি: পরিবারগুলোর প্রাপ্তি নিশ্চিত করাই মূল লক্ষ্য কাতারের উত্তরে ট্যাংকারে দুটি অজ্ঞাত বস্তুর আঘাত: ইউকেএমটিও আশুলিয়ায় বেতন আন্দোলনে শতাধিক পোশাক কারখানার কার্যক্রম স্থগিত প্রবাসী আয় ১৪.২ শতাংশ বেড়ে ১২.১১ বিলিয়ন ডলার: বাংলাদেশ ব্যাংক যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জয়, বৈশ্বিক বাজারে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জলবায়ু অভিযোজন অর্থায়নের চাহিদা বছরে ৩০৫ বিলিয়ন ডলার: জাতিসংঘ জলবায়ু অভিযোজন অর্থায়নের বিশাল ঘাটতি: প্রতিশ্রুতিকে বাস্তবে রূপ দিতে হবে

পবিত্র শহরে বাংলাদেশি পোস্টার-স্টিকারের দৃষ্টিকটু প্রচার

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই, ২০২৫
  • ৩৬৬ বার দেখা হয়েছে
Sabas bd photo (10)

মক্কা ও মদিনা—বিশ্বের দুই পবিত্রতম ইসলামিক নগরী। সারা পৃথিবীর কোটি কোটি মুসলমান জীবনের স্বপ্ন পূরণে এই দুই নগরীতে ছুটে আসেন হজ ও ওমরাহ পালন করতে। শহরের প্রতিটি কোণ পরিচ্ছন্ন ও পরিপাটি, সৌদি আরবের কর্তৃপক্ষ ধর্মীয় ভাবগম্ভীরতা বজায় রাখতে সবসময় সচেষ্ট। অথচ এই শহরের অলিগলি, রাস্তার দেয়াল, হোটেলের প্রবেশপথে – এসব জায়গায় চোখে পড়ছে বাংলা ভাষায় লেখা স্টিকার আর পোস্টারে ভরে যাওয়া এক বিশৃঙ্খল চিত্র। এসব স্টিকারে হজ্ব এজেন্সি, ট্রাভেল এজেন্সি বা হোটেল বুকিংয়ের বাংলাদেশি বিজ্ঞাপন—যা  কখনো রঙচঙে ডিজাইন কখনো নিচু মানের প্রিন্টে তৈরি। (দেখুন ফেসবুক পেইজে)

এইসব স্টিকার-পোস্টারের ভিড়ের মধ্যে অনেক সময় কাবাঘর বা মসজিদে নববীর মতো পবিত্র স্থানের আশপাশেও এমন দৃশ্য দেখা যাচ্ছে, যা শুধু দৃষ্টিকটুই নয়, অরুচিকর বলেও অনেকে অভিহিত করছেন। সৌদি প্রশাসন যেখানে শহরের পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্য রক্ষায় কঠোর, সেখানে বাংলাদেশি কিছু এজেন্সির এমন অপেশাদার, অবৈধ ও অশোভন বিজ্ঞাপন পদ্ধতি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেশের ভাবমূর্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

পোস্টারে সাধারণত হজ প্যাকেজ, হোটেল বুকিং, মিনার খাওয়া-দাওয়া, মোবাইল সিম বা গাইড সেবার প্রচার থাকে। তবে এ ধরনের স্টিকার লাগানোর কোনো অনুমতি নেই সৌদি আরবে। স্থানীয় প্রশাসনের নিয়ম অনুযায়ী, দেয়াল ও জনসাধারণের জায়গায় এমনভাবে স্টিকার লাগানো দণ্ডনীয় অপরাধ। তবে সমস্যা হলো, এসব স্টিকার অনেক সময় রাতে বা গোপনে লাগানো হয়, ফলে অপরাধী ধরা পড়ে না সহজে।

বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর প্রায় লাখ লাখ বাংলাদেশী সৌদি আরবে যান হজ ও ওমরাহ করার উদ্দেশ্যে। তাদের অনেকেই আগ্রহের জায়গা থেকে বা নিজেদের প্রয়োজন পূরণে হজ এজেন্সির নম্বর খোঁজেন, কিন্তু তা কোনোভাবেই দেয়াল নোংরা করে বা শহরের সৌন্দর্য নষ্ট করে করা উচিত নয়—এমনটাই মত সচেতন নাগরিকদের। বরং মোবাইল অ্যাপ, অফিশিয়াল সাইনবোর্ড কিংবা সরকার অনুমোদিত ডিজিটাল পদ্ধতির মাধ্যমে হজযাত্রীদের সেবা দেওয়া উচিত।

এ বিষয়ে হজ অফিস বা ধর্ম মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সৌদি সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে এসব অনিয়ম রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি উঠেছে। অন্যথায়, পবিত্র ভূমিতে বাংলাদেশি স্টিকারের স্তুপ শুধু দেশের সুনাম নয়, হজযাত্রীদের নিরাপত্তা ও সম্মানকেও প্রশ্নের মুখে ফেলতে পারে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT