দেশি স্ট্রবেরি: দামের লোভে কৃষকেরা ঝুঁকছে, পচনশীলতার সমস্যা এখনো সমাধান হয়নি! - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
ইবিতে শিক্ষিকা খুন, কর্মচারীর আত্মহননের চেষ্টা ভূমি প্রতিমন্ত্রীর আকস্মিক ভূমি অফিস পরিদর্শন, কর্মকর্তাদের অনুপস্থিতিতে ক্ষোভ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত কুবিতে শিক্ষক সমিতি নির্বাচনের লক্ষ্যে আহ্বায়ক কমিটি গঠন কুবির নটরডেমিয়ান পরিবারের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: ১১০ এতিম শিশুর সঙ্গে ইফতার চট্টগ্রাম সমিতি সি‌লে‌টের উদ্যো‌গে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হাসপাতালে ভর্তি শিক্ষার্থী , অফিস টাইম ছাড়া কল না দেওয়ার নির্দেশ হল প্রভোস্টের জার্মানির হফ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে বুটেক্সের এক্সচেঞ্জ সেমিস্টার বাস্তবায়ন, সুযোগ পেলো তিন শিক্ষার্থী রাজবাড়ীতে ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ১ মধ্যযুগীয় বর্বরতা বনাম অধুনাকালিক বর্বরতা

দেশি স্ট্রবেরি: দামের লোভে কৃষকেরা ঝুঁকছে, পচনশীলতার সমস্যা এখনো সমাধান হয়নি!

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৪৯ বার দেখা হয়েছে

দেশি ফলের মতোই এখন দেশে বাজারে স্ট্রবেরি সহজলভ্য। মূলত শীতপ্রধান দেশের ফল হলেও গত কয়েক বছরে দেশের উৎপাদন বেড়েছে দ্বিগুণের বেশি। স্বাদ ও পুষ্টিগুণের কারণে ক্রেতাদের চাহিদা বাড়ায় কৃষকেরাও চাষে ঝুঁকছেন।

কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্ট্রবেরি অত্যন্ত পচনশীল। দুই-তিন দিনের বেশি তাজা রাখা যায় না। দেশের প্রক্রিয়াকরণ শিল্প গড়ে না ওঠায় দীর্ঘমেয়াদী সম্ভাবনা পুরোপুরি কাজে লাগানো সম্ভব হচ্ছে না। কৃষিবিদ মো. মেহেদী মাসুদ জানিয়েছেন, ‘ফল স্বাদে চমৎকার, আইসক্রিম ও জুসে ব্যবহার করলে বিপুল বাজার তৈরি হবে। তবে কোল্ড চেইন না থাকায় বাজারজাত করা কিছুটা কঠিন।’

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে প্রতি কেজি দেশি স্ট্রবেরি বিক্রি হচ্ছে ৬০০–৮০০ টাকায়। রাতের বেলায় দাম নেমে আসে ৪০০–৬০০ টাকায়। ভারতীয় স্ট্রবেরি বিক্রি হয় প্রায় ৩ হাজার টাকায়। কৃষকেরা প্রতি বিঘা জমিতে ১.৫–২ লাখ টাকা খরচ করে চার থেকে পাঁচ লাখ টাকার বেশি আয় করছেন।

উৎপাদনের শীর্ষ এলাকা চাঁপাইনবাবগঞ্জ, এরপর জয়পুরহাট, চুয়াডাঙ্গা, রাজশাহী ও নওগাঁ। নভেম্বর-ডিসেম্বরে চারা রোপণ, ডিসেম্বরের শেষ থেকে এপ্রিল পর্যন্ত ফল সংগ্রহ করা যায়।

স্ট্রবেরির আদিনিবাস ইতালি। বাংলাদেশে বাণিজ্যিক চাষ শুরু হয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মো. মনজুর হোসেনের হাত ধরে। তিনি রাবি-১, রাবি-২ ও রাবি-৩ জাত উদ্ভাবন করেছেন। বর্তমানে রাবি-২ জাত সবচেয়ে বেশি চাষ হচ্ছে। তিনি আরও জানিয়েছেন, ‘ফ্রিডম-২৪’ নামে নতুন সুপার ভ্যারাইটি বাজারে আনা হয়েছে।

তবে প্রক্রিয়াজাতকরণ ও সরকারিভাবে সম্প্রসারণ না হওয়ায় কৃষকরা মূলত তাত্ক্ষণিক বাজারজাতকরণে নির্ভর করছেন।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT