ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জাতীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান উপস্থিত হওয়ার পর দুপুর ২টায় মূল সমাবেশ শুরু হয়।
এই সমাবেশে জামায়াত ‘ফ্যাসিবাদ বিরোধী’ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল যেমন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), ইসলামী আন্দোলন, গণঅধিকার পরিষদকে আমন্ত্রণ জানালেও আমন্ত্রণ পায়নি দীর্ঘ ২৪ বছরের জোটসঙ্গী বিএনপি। একইসঙ্গে উপেক্ষিত হয়েছে জামায়াত ছেড়ে গঠিত দল এবি পার্টিও, যদিও তারাও পিআর (আনুপাতিক পদ্ধতি) নির্বাচনের পক্ষে।
জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের জানান, সমাবেশে কেবলমাত্র পিআরের পক্ষে থাকা দলগুলোকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আরেক সিনিয়র নেতা ব্যাখ্যা করেন, যেহেতু বিএনপি পিআর ব্যবস্থার বিপক্ষে, তাই দুই পক্ষকেই বিব্রতকর পরিস্থিতি এড়াতে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।
এবি পার্টি পিআরের পক্ষে থাকলেও, দলটির নেতা মুজিবুর রহমান মঞ্জুর নিয়মিত সমালোচনার কারণে কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে। ফলে সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলার ঝুঁকি এড়াতে এবি পার্টিকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।
২০০০-এর দশকের শুরুর দিক থেকে দীর্ঘদিন বিএনপি ও জামায়াত একসঙ্গে জোট করে সরকার চালালেও ২০২২ সালে তাদের পথ পৃথক হয়। ২০২৪ সালের নির্বাচনের পর জামায়াত বিএনপির যুগপৎ আন্দোলন থেকেও নিজেকে সরিয়ে নেয়। যদিও তারা একসময় যৌথভাবে আন্দোলনে অংশ নেয়, বর্তমানে জামায়াত এককভাবে নির্বাচনি রাজনীতিতে সক্রিয়।