গোপালগঞ্জে সহিংসতায় সেনাবাহিনীর বলপ্রয়োগ, আইএসপিআর জানাল আত্মরক্ষার কথা
- আপডেট সময় শুক্রবার, ১৮ জুলাই, ২০২৫
- ১৫৬ বার দেখা হয়েছে

১৮ জুলাই ২০২৫
গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির সভাকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত সহিংস পরিস্থিতিতে আত্মরক্ষার্থে বলপ্রয়োগ করতে বাধ্য হয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।
আইএসপিআর জানায়, গত ১৬ জুলাই জাতীয় নাগরিক পার্টির জুলাই পদযাত্রার অংশ হিসেবে গোপালগঞ্জে আয়োজিত একটি জনসমাবেশ চলাকালে সংঘবদ্ধ একদল উচ্ছৃঙ্খল জনতা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়। এতে বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য ও সাংবাদিক আহত হন।
উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সরকারি স্থাপনা ও যানবাহনে ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে সেনাবাহিনী ও স্থানীয় পুলিশ দ্রুত হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সমাবেশ চলাকালেই মঞ্চে হামলা চালানো হয় এবং একই সময়ে জেলা কারাগারেও ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়।
এ সময় সেনাবাহিনী হামলাকারীদের থামাতে মাইকিংয়ের মাধ্যমে বারবার সতর্কবার্তা দেয়। কিন্তু তারা সেনাসদস্যদের লক্ষ্য করে ককটেল ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। পরিস্থতি নিয়ন্ত্রণে আনতেই সেনাবাহিনী আত্মরক্ষার্থে বলপ্রয়োগ করে।
পরবর্তীতে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ যৌথভাবে পরিস্থিতি সামাল দেয় এবং বিশৃঙ্খলাকারীদের ছত্রভঙ্গ করে। পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আশ্রয় নেওয়া ব্যক্তিদের সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে খুলনায় সরিয়ে নেওয়া হয়।
আইএসপিআরের ভাষ্য অনুযায়ী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পেশাদারিত্ব ও ধৈর্যের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে।
বর্তমানে গোপালগঞ্জে কারফিউ বলবৎ রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনী, বিজিবি, র্যাব, পুলিশ ও প্রশাসনের অন্যান্য সংস্থাগুলো যৌথভাবে দায়িত্ব পালন করছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গুজব বা অপপ্রচারে কান না দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করার জন্য সাধারণ জনগণের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে।






