গণতন্ত্র রক্ষায় সংবাদপত্রের স্বাধীনতা অপরিহার্য -তারেক রহমান - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
তারেক রহমান: জুলাই গণ অভ্যুত্থানের শহীদ-আহতদের জন্য নতুন বিভাগ হবে ২০২৬ হজের জন্য হজযাত্রীদের টিকাদান কার্যক্রম শুরু আলিফ হত্যা মামলা- চিন্ময় কৃষ্ণ দাসসহ ৩৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন, বিচার শুরু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতাল: উচ্চপর্যায় বৈঠকে অগ্রগতি ও দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার ২১ জানুয়ারির মধ্যে সিদ্ধান্ত চাইছে আইসিসি, ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ভাগ্য অনিশ্চিত মাগুরার চিত্রা নদী থেকে উদ্ধার মুঘল আমলের তরবারি, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত দক্ষিণ স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা: লাইনচ্যুতি ও সংঘর্ষে নিহত ২১, আহত শতাধিক দীর্ঘ ২৬ বছর পর কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ রিপোর্টার্স ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা জম্মু-কাশ্মীরে বন্দুকযুদ্ধে সাত ভারতীয় সেনা আহত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে বৃদ্ধাঙ্গুলি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের প্রার্থী রুমিন ফারহানাকে তলব

গণতন্ত্র রক্ষায় সংবাদপত্রের স্বাধীনতা অপরিহার্য -তারেক রহমান

সাবাস বাংলাদেশ ডেস্ক
  • আপডেট সময় সোমবার, ১৬ জুন, ২০২৫
  • ১৫৬ বার দেখা হয়েছে

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, গণতন্ত্রকে নিরাপদ ও টেকসই করতে হলে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। সোমবার ‘সংবাদপত্রের কালো দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি জানান, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা বহুদলীয় গণতন্ত্রের একটি অপরিহার্য উপাদান।

তারেক রহমান উল্লেখ করেন, ৫ আগস্ট ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের পর গণমাধ্যম কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পারলেও, এখনও তারা সম্পূর্ণভাবে ফ্যাসিবাদী প্রভাবমুক্ত হয়নি।

তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ১৯৭৫ সালের ১৬ জুন ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে এক কালো দিন। সেদিন তৎকালীন সরকার সব রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করে একদলীয় বাকশাল ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করে। শুধু চারটি সরকার-সমর্থিত পত্রিকা রেখে বাকিগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়, ফলে বহু সাংবাদিক কর্মহীন হয়ে পড়েন এবং তাদের পরিবার অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে।

তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম মূল উদ্দেশ্য ছিল গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা। নাগরিক স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের অধিকার ও চিন্তার স্বাধীনতা ছাড়া গণতন্ত্র অর্থহীন। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা থাকলে রাষ্ট্রের জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয় এবং জনগণের ইচ্ছা সরকার গঠনে প্রতিফলিত হয়। কিন্তু স্বাধীনতার পর যারা ক্ষমতায় আসে, তারা এই মূল্যবোধকে অবজ্ঞা করে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা চাপিয়ে দেয়।

তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই অবস্থার পরিবর্তন ঘটিয়ে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনেন।

তারেক রহমান অভিযোগ করেন, স্বাধীন মত প্রকাশে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করাই হচ্ছে বিবেক ও চিন্তাকে বন্দি রাখার নামান্তর। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মতোই তাঁর কন্যা শেখ হাসিনাও একদলীয় শাসনকে আধুনিকভাবে ফিরিয়ে আনেন। সাংবাদিকদের দমন ও সংবাদপত্র নিয়ন্ত্রণে কঠোর আইন তৈরি করে মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে হুমকির মুখে ফেলা হয়। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও সাইবার সিকিউরিটি আইনসহ একাধিক কঠোর আইন প্রয়োগ করে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন করা হয়।

তিনি বলেন, এই দমনমূলক ব্যবস্থার ফলে সাংবাদিকসহ সাধারণ জনগণকে সবসময় আতঙ্কের মধ্যে থাকতে হয়েছে।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT