নোটিশ:
শিরোনামঃ
নগরের নালা-নর্দমা পরিষ্কার রাখা জনস্বাস্থ্যনীতিরও অংশ ইন্দোনেশিয়ায় ভয়াবহ ধোঁয়াশা, সাত প্রদেশে শ্বাসতন্ত্রের রোগে আক্রান্ত তিন লাখের বেশি নেপালের বন্যা পুনর্গঠনে জাতিসংঘ তহবিলের ২ কোটি ডলারের প্রাথমিক বরাদ্দ হরমুজ প্রণালিতে অক্টোবরে জাহাজে হামলার রেকর্ড, বাড়ছে নৌবাণিজ্যের ঝুঁকি ইউরোপের গ্রীষ্মের তাপে ৫০ হাজারের বেশি মৃত্যুর হিসাব, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ব্যাডমিন্টন উন্নয়নে পাঁচ বছরের পরিকল্পনা, দেশে আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের লক্ষ্য সুন্দরবনের প্রতিবেশে শিল্পকারখানার বায়ুদূষণ নিয়ে বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ বাংলাদেশে ৬৩৬ কোটি ডলারের জাপানি বেসরকারি বিনিয়োগ পরিকল্পনার খবর ডেঙ্গু প্রতিরোধে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচ্ছন্ন রাখার নির্দেশ ডেঙ্গুতে আরও তিন মৃত্যু, এক দিনে হাসপাতালে ১২৯৯ রোগী

৩০০ দিন পর মহাকাশ থেকে নিরাপদে ফিরলেন দুই নভোচারী

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক
  • আপডেট সময় বুধবার, ১৯ মার্চ, ২০২৫
  • ২১৫ বার দেখা হয়েছে
৩০০ দিন পর মহাকাশ থেকে ফিরলেন, দুই নভোচারী, মহাকাশ স্টেশন, আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন, স্পেসএক্স ড্রাগন ক্যাপসুল, নাসা, সুনিতা উইলিয়ামস, বুচ উইলমোর, নিক হগ, আলেকজান্ডার গর্বুনভ, ফ্লোরিডা, আটলান্টিক মহাসাগর, নিরাপদ অবতরণ, মহাকাশ মিশন, কারিগরি ত্রুটি, নৌবাহিনী উদ্ধার অভিযান, শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা, মহাকাশ খাদ্য, নভোচারীদের অভিজ্ঞতা, মহাকাশ গবেষণা, ভবিষ্যৎ মিশন

আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে আটকে থাকার দীর্ঘ ৯ মাস পর অবশেষে পৃথিবীতে ফিরেছেন দুই মার্কিন নভোচারী বুচ উইলমোর ও সুনিতা উইলিয়ামস। আট দিনের মিশনে মহাকাশে গেলেও কারিগরি ত্রুটির কারণে তাদের সেখানে থাকতে হয়েছে প্রায় ৩০০ দিন।

বুধবার (১৯ মার্চ) ভারতীয় সময় ভোর ৩টা ২৭ মিনিটে স্পেসএক্সের ড্রাগন ক্যাপসুলে চড়ে তারা ফ্লোরিডার আটলান্টিক মহাসাগরে অবতরণ করেন। নাসার তথ্য অনুযায়ী, নভোচারীদের এই প্রত্যাবর্তন সম্পূর্ণ নিরাপদ ছিল। তাদের সঙ্গে ফিরেছেন নাসার নিক হগ এবং রুশ নভোচারী আলেকজান্ডার গর্বুনভও।

পৃথিবীতে ফিরেই তারা মার্কিন নৌবাহিনীর উদ্ধার অভিযানে অংশ নেয়া একটি জাহাজে ওঠেন। হাইড্রোলিক পদ্ধতিতে ক্যাপসুলটি জাহাজে তোলা হয় এবং প্রথমে বেরিয়ে আসেন নিক হগ। এরপর হাসিমুখে ক্যাপসুল ত্যাগ করেন সুনীতা উইলিয়ামস।

তবে ফেরার পরপরই তারা পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে পারবেন না। নাসার নিয়ম অনুযায়ী, তাদের প্রথমে বিশেষ কোয়ার্টারে রাখা হবে, যেখানে কয়েক সপ্তাহ ধরে শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলবে।

মহাকাশে দীর্ঘ সময় থাকলেও খাবার নিয়ে কোনো সংকট হয়নি নভোচারীদের। প্রতিদিন তিন বেলা খাবার পেয়েছেন তারা, যার মধ্যে ছিল গুঁড়া দুধ, পিৎজা, রোস্টেড চিকেন, টুনা, শ্রিম্প ককটেলের মতো নানা আইটেম। প্রতি তিন মাস অন্তর তাদের কাছে তাজা শাকসবজি ও অন্যান্য খাবার পাঠানো হয়, যা প্যাকেজ করা অবস্থায় সংরক্ষিত থাকে। এছাড়া পৃথিবী থেকে রান্না করা মাছ-মাংস পাঠিয়ে দেওয়া হয়, যা মহাকাশে গিয়ে বিশেষ ফুড ওয়ার্মারে গরম করে খাওয়া হয়।

দীর্ঘ অপেক্ষার পর নিরাপদে পৃথিবীতে ফিরতে পেরে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন নভোচারীরা। তবে পরবর্তী মিশনগুলোর জন্য এই দীর্ঘ অভিজ্ঞতা নতুন করে ভাবনার সুযোগ করে দিচ্ছে মহাকাশ গবেষকদের।

  • দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ এর সর্বশেষ নিউজ পড়তে ক্লিক করুন: সর্বশেষ
  • দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ এর ফেসবুক পেজটি ফলো করুন: dailysabasbd

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT