তারেক রহমান এর সাথে বসতে রাজি সজীব ওয়াজেদ জয় - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
গ্রিস উপকূলে উদ্ধার ২০২ অভিবাসী, বেশিরভাগই বাংলাদেশি মক্কায় সৌদি, পাকিস্তান ও তুরস্কের ঐতিহাসিক প্রতিরক্ষা চুক্তি, একজনের ওপর হামলা মানেই তিন দেশের ওপর হামলা নেত্রকোনার বড় বাজারে ভয়াবহ আগুন, পুড়ছে ৫ বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান; নিয়ন্ত্রণে ৭ ইউনিটের প্রাণপণ চেষ্টা সাকিবের দেশে ফেরা ও জাতীয় দলে ফেরার সম্ভাবনা নেই, ইঙ্গিত ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর ফেসবুকে যুক্ত হলো বিকাশ, সহজ হলো ডিজিটাল পেমেন্ট বৃষ্টি উপেক্ষা করে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে’ দর্শনার্থীদের ঢল সেমিকন্ডাক্টর খাতে সুখবর, আসছে বিশেষ প্রণোদনা দক্ষিণ কোরিয়ার নজরে বাংলাদেশের পোশাক শিল্প, বড় বিনিয়োগ সম্ভাবনা জলাবদ্ধ এলাকায় কৃষিতে নতুন দিগন্ত: পলি নেট হাউসে বছরে ১০ লাখ পর্যন্ত মানসম্মত চারা উৎপাদন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ২০ আগস্ট, তফসিল ঘোষণা ইসির

তারেক রহমান এর সাথে বসতে রাজি সজীব ওয়াজেদ জয়

সাবাস বাংলাদেশ ডেস্ক
  • আপডেট সময় রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৮৬ বার দেখা হয়েছে

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রীর পুত্র এবং মার্কিন-বাসী সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান যদি প্রধানমন্ত্রী হন, তাহলে তাঁর সঙ্গে রাজনৈতিক আলোচনা করতে কোনো আপত্তি রাখবেন না, যদিও তিনি সাম্প্রতিক ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে “প্রহসন” বা নাট্যাভিযান বলে অভিহিত করেছেন। জয় এই মন্তব্য করেছেন ব্রিটিশ সম্প্রচার মাধ্যম আইটিভি-কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে।

জয় বলেন, তিনি সবসময়ই সংলাপ এবং কথোপকথনে বিশ্বাসী, “আমি এমন একজন মানুষ, যে সবসময় আলোচনায় বিশ্বাস করে—তা যত কঠিনই হোক বা যার সঙ্গেই হোক।” তিনি আরও বলেন, যদি তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হন, তাহলে অবশ্যই তিনি তাঁর সঙ্গে আলোচনায় বসবেন এবং দেশের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ইস্যু নিয়ে কথা বলবেন।

তবে জয় এই কথাগুলোর পাশাপাশি রাজনৈতিক বাস্তবতায় নিজের অবস্থানও পরিষ্কার করেছেন। তিনি ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে বৈধ বলে মেনে নিচ্ছেন না এবং এটিকে একটি পরিচালিত (stage-managed) ভোট বলে অভিহিত করেছেন। এই নির্বাচনটিতে বিএনপি-এর বিপুল জয় ও সংখ্যাগরিষ্ঠতা এসেছে, যেখানে তারা সংসদের ২/৩ ভাগ আসনে জয়ী হয়েছে।

সাক্ষাৎকারে জয় বলেন, তিনি বিএনপি-এর সঙ্গে আলোচনা বা সংলাপের দরজা বন্ধ করছেন না, এমনকি রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার পরিস্থিতিতেও সংলাপ চালিয়ে যাওয়ার গুরুত্বের উপর জোর দিয়েছেন। তিনি নিজে বাংলাদেশে থাকেন না এবং সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন যে তিনি বর্তমানে বিদেশে বসবাস করেন এবং ভবিষ্যতে বাংলাদেশে ফিরে আসার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

এই মন্তব্যগুলো বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিবেশে বিশেষ গুরুত্ব রাখে, কারণ এটি বাংলাদেশের দুই বড় রাজনৈতিক শক্তির মধ্যে সংলাপ ও সম্ভাব্য সহযোগিতার ইঙ্গিত দেয়, যদিও চলমান মতপার্থক্য ও নির্বাচনী বৈধতার প্রশ্নগুলো এখনো সমাধান হয়নি।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT