আমাজন বনে ফুটন্ত পানির নদীর রহস্য কী - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
সড়ক সংস্কারের দাবিতে ইবি শিক্ষার্থীদের কুষ্টিয়া-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ ভোলা বরিশাল সেতুর দাবিতে ইবিতে মানববন্ধন মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদ নির্মাণ নিয়ে উত্তেজনা আদর্শিক নেতৃত্বই জাতিকে এগিয়ে নেয়—আফগানিস্তানের উন্নয়ন তার প্রমাণ: মামুনুল হক নোয়াখালীতে তাহাজ্জুদের সময় ১২ বছরের মাদ্রাসাছাত্রের মৃত্যু শেষ হলো কুবির পঞ্চম ছায়া জাতিসংঘ সম্মেলন ভারত অনুমতি না দেওয়ায় বুড়িমারীতে ভুটানের ট্রানজিট পণ্য আটকে অরুণাচলে মসজিদে ঢুকে ইমামকে ‘ভারত মাতা কি জয়’ বলাতে চাপ গেজেট বঞ্চনার প্রতিবাদে ইবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘The Voice of JKKNIU’-এর গ্র্যান্ড ফাইনাল অনুষ্ঠিত

আমাজন বনে ফুটন্ত পানির নদীর রহস্য কী

অনলাইন ডেস্ক।
  • আপডেট সময় রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ৮৯ বার দেখা হয়েছে
ফুটন্ত পানির নদী,আমাজন বনে ফুটন্ত নদী,স্ক্যালিং নদী, শেনেই-টিম্পিশকা, পেরুর রেইনফরেস্ট, মধ্য পেরুর মায়ানতুয়াকু, গরম পানির নদী, ভূতাপীয় শক্তি, উষ্ণ প্রস্রবণ, তাপমাত্রা বৃদ্ধি, জীববৈচিত্র্য হ্রাস, পাললিক শিলা, ভূত্বকের তাপ, গ্লোবাল চেঞ্জ বায়োলজি, রিলি ফোর্টিয়ার, আমাজন বন, পরিবেশ পরিবর্তন, তাপীয় নদী, উষ্ণায়ন, স্থানীয় কিংবদন্তি, নদীর গঠন, গবেষণা

এই নদীর পানির তাপমাত্রা প্রায় ৯৮ দশমিক ৮৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস দক্ষিণ আমেরিকার আমাজন বনে ফুটন্ত পানির ভিন্ন ধরনের এক নদী রয়েছে। ‘স্ক্যালিং’ নামের এই নদীর পানির তাপমাত্রা প্রায় ৯৮ দশমিক ৮৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ২১০ ডিগ্রি ফারেনহাইট; ফলে পানি আক্ষরিক অর্থেই ফুটতে থাকে। গরম পানির কারণে এই নদীর কাছাকাছি যত জীববৈচিত্র্য আছে, সেগুলো ধ্বংসের মুখে পড়ছে। পেরুর রেইনফরেস্টে বা মধ্য পেরুর মায়ানতুয়াকু অঞ্চলে অবস্থিত চার মাইল দৈর্ঘ্যের এই নদীর গতিপথ বেশ অদ্ভুত। ক্ষেত্রবিশেষে মাত্র ২০ ফুট চওড়া এই নদী নিয়ে অনেক কিংবদন্তি চালু আছে।

যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি বিশ্ববিদ্যালয়ের রিলি ফোর্টিয়ারের নেতৃত্বে একদল বিজ্ঞানী এই নদীর ৭০টি স্থানে জরিপ করেছেন। গ্লোবাল চেঞ্জ বায়োলজিতে প্রকাশিত সেই জরিপের ফলাফলে রিলি ফোর্টিয়ার বলেন, ভবিষ্যতে তাপমাত্রা বৃদ্ধি বনের গঠনে কী প্রভাব ফেলবে, তা জানার সুযোগ পাচ্ছি আমরা। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, গড় তাপমাত্রা ১ দশমিক ৮ ফারেনহাইট বাড়লেই জীববৈচিত্র্য প্রায় ১১ শতাংশ কমতে থাকে। আর তাই নদীটির ভূগর্ভস্থ পানির সঙ্গে পৃথিবীর ভূতাপীয় শক্তির সংযোগ আছে বলে মনে করেন বিজ্ঞানীরা। ভূত্বকের কোনো একটি ছিদ্র দিয়ে আসা তাপ নদীর তরল পানির মাধ্যমে উন্মুক্ত হচ্ছে বলে এই নদীর তাপমাত্রা এত বেশি। ধারণা করা হচ্ছে, বৃষ্টির পানি মাটিতে প্রবেশের পরে পাললিক শিলা মাটির নিচে অতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তখন উষ্ণ প্রস্রবণ হিসেবে নদীর পানি বাহিত হয়।

ফুটন্ত এই নদী স্থানীয়ভাবে শেনেই-টিম্পিশকা নামে পরিচিত, যার অর্থ সূর্যের তাপে সেদ্ধ নদী। অনেক স্থানীয় বাসিন্দা এই নদীকে শ্রদ্ধার জায়গা হিসেবে বিবেচনা করে। রিলি ফোর্টিয়ার বলেন, সামগ্রিকভাবে এই এলাকায় গাছের সংখ্যা বেশ কম, ফলে বৈচিত্র্যও কম। গরম জায়গায় কম প্রজাতি দেখা যায়। উষ্ণতম স্থান বলে বনের গঠন এখানে অন্য রকম।

বিশ্বব্যাপী তাপমাত্রা বৃদ্ধি হচ্ছে। এর ফলে একই ধরনের পরিবর্তন অন্যান্য নিম্নভূমির রেইনফরেস্ট এলাকায় ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে ধারণা করছেন বিজ্ঞানীরা। আর তাই দীর্ঘদিন এই নদীর ওপরে নজর রাখার মাধ্যমে উষ্ণায়নের কারণে নদীর ভবিষ্যৎ কেমন হবে, তা জানতে আগ্রহী তাঁরা।

সূত্র: আর্থ ডটকম

  • দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ এর সর্বশেষ নিউজ পড়তে ক্লিক করুন: সর্বশেষ
  • দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ এর ফেসবুক পেজটি ফলো করুন: dailysabasbd

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT