৩৩,৩০০ দরিদ্র পরিবারের জন্য ২৩৩ মেট্রিক টন ইফতার সামগ্রী প্রস্তুত করছে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
পিনাকী-ইলিয়াসের ভরাডুবির কারণ বিশ্লেষণ ৩৩,৩০০ দরিদ্র পরিবারের জন্য ২৩৩ মেট্রিক টন ইফতার সামগ্রী প্রস্তুত করছে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন হেফাজত অভিনন্দন জানাল তারেক-বিএনপি-কে, নতুন সরকারের জন্য সুশাসনের আহ্বান বাংলাদেশের শপথ অনুষ্ঠানে মোদি আসছেন না, দিল্লি পাঠাচ্ছে উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় প্রথমবার এমপিদের এবং মন্ত্রিসভার শপথ তারেক রহমান এর সাথে বসতে রাজি সজীব ওয়াজেদ জয় হজ সহজ করতে মক্কায় নিজস্ব ‘হজ ভিলেজ’ গড়ছে ইন্দোনেশিয়া ইউরোপীয় ইউনিয়ন নির্বাচনের পর্যবেক্ষণে: বাংলাদেশ ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন গ্রহণযোগ্য ও সুষ্ঠু ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত বাবর, পিন্টু ও আজহার সংসদে – বিপুল ভোটে জয় ফরিদপুরের সালথায় বাজার নিয়ন্ত্রণের দ্বন্দ্বে সংঘর্ষ, আহত ২০

৩৩,৩০০ দরিদ্র পরিবারের জন্য ২৩৩ মেট্রিক টন ইফতার সামগ্রী প্রস্তুত করছে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন

সাবাস বাংলাদেশ ডেস্ক
  • আপডেট সময় রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১১ বার দেখা হয়েছে

বিশিষ্ট ইসলামিক স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহ জানিয়েছেন, রমজানের পবিত্র মাসে দেশের দরিদ্র ও বিপর্যস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর জন্য ৩৩,৩০০ পরিবারের জন্য মোট ২৩৩ মেট্রিক টন ইফতার সামগ্রী প্রস্তুত করা হয়েছে।

শনিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া স্ট্যাটাসে তিনি জানান, “নির্বাচনের ছুটির মাঝেও আমাদের আস-সুন্নাহ স্কিলের শিক্ষার্থীরা ইফতার প্যাকেজিংয়ে অংশগ্রহণ করছেন। এই উদ্যোগটি শুধু খাদ্য সহায়তা নয়, বরং তরুণদের সামাজিক দায়িত্ববোধ ও ইসলামিক শিক্ষাকে বাস্তব জীবনে প্রয়োগের একটি দৃষ্টান্ত।”

শায়খ আহমাদুল্লাহ আরও জানান, দেশের ৬৪ জেলার ৬২৭টি স্থানে এসব ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হবে। প্রতি প্যাকেজে থাকবে:

  • ২ কেজি ছোলা

  • ২ কেজি মসুর ডাল

  • ১ লিটার সয়াবিন তেল

  • ১ কেজি খেজুর

  • ১ কেজি মুড়ি

এবারের ইফতার প্যাকেজের বিশেষ আকর্ষণ হচ্ছে ‘মাহে রমজানের ২৭ আমল’ বইটি। এটি প্রথমবার ইফতার প্যাকেজের সঙ্গে উপহার হিসেবে দেওয়া হচ্ছে। শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, “রমজানের আমলকে সমৃদ্ধ করতে এবং মানুষকে ইসলামিক জীবনচর্চার দিকে উৎসাহিত করতে এই বইটি দেওয়া হচ্ছে। আশা করি, এটি আমাদের দরিদ্র ভ্রাতৃদেবদের রমজানের মরশুমকে আরও অর্থবহ করবে।”

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এমন উদ্যোগ শুধুমাত্র দরিদ্র পরিবারের ক্ষুধা নিবারণই নয়, বরং সামাজিক সম্প্রীতি, সহমর্মিতা এবং কমিউনিটি অ্যাকটিভিজমকে জোরদার করছে। দেশে বিশেষ করে করোনার পরবর্তী সময়ের অর্থনৈতিক চাপ ও খাদ্য সংকটকে মোকাবিলা করতে এই ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

শায়খ আহমাদুল্লাহর এই উদ্যোগ দেশজুড়ে প্রশংসিত হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই এই প্রচেষ্টাকে অনুকরণীয় ও মানবিক কর্মকাণ্ড হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT