ছাত্রলীগের টর্চার সেলকে পাঠাগারে রূপান্তর - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
রাবেয়া পরিবহনের শ্রমিকদের বর্বরোচিত হামলা; রক্তাক্ত দৈনিক রাজবাড়ী কন্ঠের অফিস সহায়ক দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও যাত্রীবাহী বাস পড়ল পদ্মা নদীতে ঈদযাত্রায় দৌলতদিয়া ঘাটে নেই ভোগান্তি নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষের জমকালো আয়োজনে বুটেক্সে শুরু হলো অ্যালামনাই সুপার কাপ রাজবাড়ীর কালুখালীতে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু আইসিএমএবি ও নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত রাজবাড়ী সদরে শ্রেষ্ঠ কলেজ শিক্ষকের সম্মাননা পেলেন সহকারী অধ্যাপক মাসুদুজ্জামান বাগদুলী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকের বেত্রাঘাতে হসপিটালে ছাত্র, শিক্ষক অবরুদ্ধ পতাকা নামাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ঠ হয়ে ঝলসে গেলেন মনিরা ড. রশিদুন্ নবীর হাতে উঠছে বাংলা একাডেমির ‘নজরুল পুরস্কার ২০২৬’

ছাত্রলীগের টর্চার সেলকে পাঠাগারে রূপান্তর

মিজানুর রহমান (ইবি প্রতিনিধি)
  • আপডেট সময় বুধবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৫
  • ২৪৭ বার দেখা হয়েছে
পাঠাগারে রূপান্তরিত হওয়া ইবির সেই গণরুম
পাঠাগারে রূপান্তরিত হওয়া ইবির সেই গণরুম
কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের লালন শাহ (আবাসিক) হলের গনরুম নামক ৩৩০ নম্বর কক্ষকে শিক্ষার্থীদের জন্য পাঠাগার হিসেবে প্রস্তুত করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মনোরম পরিবেশ সৃষ্টির জন্য লালন শাহ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. আকতার হোসেন এই সময়োপযোগী পদক্ষেপ নিয়েছেন।
মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) পাঠকক্ষের সিংহভাগ কাজ সম্পন্ন হয় এবং আগামী সপ্তাহে এটি উদ্বোধনের করা হবে বলে জানা গেছে।
হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, লালন শাহ হলের ৩৩০ নম্বর গনরুম একসময় ছাত্রলীগের টর্চার সেল হিসেবে ব্যবহৃত হতো। একাধিকবার এই রুমে শিক্ষার্থীদের বিভিন্নভাবে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ ওঠে। পাঁচ আগস্টের পর এই গনরুমকে বাতিল করে পাঠকক্ষ করার পরিকল্পনা করা হয়।
সমাজকল্যাণ বিভাগের শিক্ষার্থী মাহমুদুল ইসলাম বলেন, “লালন শাহ হলের শিক্ষার জন্য প্রয়োজন নিরবচ্ছিন্ন পড়াশোনার পরিবেশ। ২০০৯ সালে লালন শাহ হল প্রতিষ্ঠা হয় কিন্তু শিক্ষার্থীদের পড়ার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা ছিল না। দীর্ঘ ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে গণরুমগুলোকে অপরাজনীতির কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হতো। এতে করে হলে পড়াশোনার পরিবেশ ছিল না। জুলাই বিপ্লবের পর আমরা পড়াশোনার সুন্দর পরিবেশ ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা করি। তারই ধারাবাহিকতায় গত ডিসেম্বরে হল প্রশাসনের কাছে রিডিং রুমের প্রস্তাবনা দেওয়া হয়। কিন্তু হল ফান্ডে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় কাজ করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনকে অবহিত করা হলে তাদের সহযোগিতা এবং আমাদের পরামর্শক্রমে প্রভোস্ট  স্যারের প্রচেষ্টায় আজকের এইমনোরম পরিবেশ। আমরা চাই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যেকটি হলে এমন সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টি হোক।”
লালন শাহ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. আকতার হোসেন বলেন, “পাঁচ আগস্টের পর থেকে আমি শিক্ষার্থীদের জন্য নতুনভাবে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। লালন শাহ হলের ৩৩০ নাম্বার রুম আগে পাঠকক্ষ ছিল। ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে ছাত্রলীগ এটাকে গনরুমে পরিনত করে। ইতিমধ্যে গনরুম বাতিল করেছি এবং গনরুমকে পাঠকক্ষে রূপান্তর করেছি। এখানে আমি চাকরির কিছু বই কিনে দেব এবং আশা করব শিক্ষার্থীরা যেন সময় নষ্ট না করে মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করে। পাঠকক্ষে সিসিটিভি ক্যামেরা ও পরবর্তীতে এসি লাগানোর পরিকল্পনা আছে। আমার আরও কিছু পরিকল্পনা আছে যা অর্থাভাবে করা সম্ভব হচ্ছে না। আমরা আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে রিডিং রুমটি উদ্বোধনের ব্যবস্থা করবো।”

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT