নোটিশ:
শিরোনামঃ
প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতির স্বপ্ন বাস্তবায়নে চাই গবেষণা ও দক্ষতার সেতুবন্ধ এআই ও সেমিকন্ডাক্টর খাতে প্রবাসী দক্ষতা কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ লন্ডনে ‘চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬’: প্রবাসীদের সাংস্কৃতিক মিলনমেলা প্রবাসী আয়ের প্রবৃদ্ধি: পরিবারগুলোর প্রাপ্তি নিশ্চিত করাই মূল লক্ষ্য কাতারের উত্তরে ট্যাংকারে দুটি অজ্ঞাত বস্তুর আঘাত: ইউকেএমটিও আশুলিয়ায় বেতন আন্দোলনে শতাধিক পোশাক কারখানার কার্যক্রম স্থগিত প্রবাসী আয় ১৪.২ শতাংশ বেড়ে ১২.১১ বিলিয়ন ডলার: বাংলাদেশ ব্যাংক যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জয়, বৈশ্বিক বাজারে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জলবায়ু অভিযোজন অর্থায়নের চাহিদা বছরে ৩০৫ বিলিয়ন ডলার: জাতিসংঘ জলবায়ু অভিযোজন অর্থায়নের বিশাল ঘাটতি: প্রতিশ্রুতিকে বাস্তবে রূপ দিতে হবে

রুমায় সেনা অভিযানে কেএনএ কমান্ডারসহ ২ জন নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই, ২০২৫
  • ২৭৫ বার দেখা হয়েছে
bandarban army

বান্দরবানের রুমা উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সেনাবাহিনীর অভিযানে কুকি চিন ন্যাশনাল আর্মি (কেএনএ) এর সামরিক কমান্ডারসহ দুইজন সশস্ত্র জঙ্গি নিহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে সেনাবাহিনীর এই অভিযান পরিচালিত হয়। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) সহকারী পরিচালক মো. রাশেদুল আলম খান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। নিহতদের নাম ও পরিচয় এখনও জানা যায়নি।

জানা গেছে, সকালে সেনাবাহিনীর বিশেষ দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রুমা উপজেলার এক অতি দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় কেএনএ’র গোপন আস্তানায় অভিযান চালায়। হঠাৎ দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র গুলাগুলি শুরু হয়। দীর্ঘ কিছুক্ষণ গোলাগুলির পর সেনাবাহিনী এলাকা নিয়ন্ত্রণে নেয়। পরে ঘটনাস্থলে কেএনএ’র সামরিক শাখার কমান্ডারসহ দুইজনের লাশ পাওয়া যায়। সেনাবাহিনী ঘটনাস্থল থেকে ৩টি সাবমেশিন গান (এসএমজি), ১টি রাইফেল এবং বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ উদ্ধার করে। সেনাবাহিনীর ধারণা, ঘাঁটির আশপাশের ঝোপঝাড় এবং পাহাড়ি পথের আশপাশে আরও কেএনএ সদস্য লুকিয়ে থাকতে পারে। তাই পুরো এলাকা ঘিরে অভিযান এখনও চলছে।

এর আগে চলতি বছরের ১৯ মে বান্দরবানের রুমা ও রোয়াংছড়ি উপজেলার সীমান্তবর্তী রোনিন পাড়া এবং পাইক্ষ্যং পাড়া এলাকায় সেনাবাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে কুকি চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) এর তিনজন সদস্য নিহত হয়। ওই অভিযানের সময়ও বিপুল অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছিল। এদিকে গত ২৬ জুন বান্দরবানের রুমা উপজেলার সুসুং পাড়ায় সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে পালিয়ে যাওয়া ১২২টি বম পরিবার তাদের নিজ গ্রামে ফিরে এসেছে। দীর্ঘদিন ধরে পাহাড়ে সশস্ত্র জঙ্গি তৎপরতার কারণে নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হয়। সাধারণ মানুষ ভয়ে গ্রাম ছেড়ে চলে যায়। সেনাবাহিনীর টানা অভিযানের ফলে পরিস্থিতি এখন অনেকটা নিয়ন্ত্রণে। মানুষ আবারও নিরাপদে নিজ গ্রামে ফিরে আসছে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২ ও ৩ এপ্রিল রুমা ও থানচি উপজেলায় ব্যাংক ডাকাতি, মসজিদে হামলা, অপহরণ এবং টাকা-অস্ত্র লুটের ঘটনায় কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) এর সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়। সেই ঘটনার পর থেকেই পাহাড়ে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বাধীন যৌথবাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সেনা সূত্রে জানা যায়, পুরো পার্বত্য বান্দরবানে শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতেই এ অভিযান। সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের অস্ত্রের ঝনঝনানি থামিয়ে পাহাড়কে নিরাপদ রাখাই এ অভিযানের মূল লক্ষ্য। সেনাবাহিনীর এ সফল অভিযানকে এলাকাবাসী স্বাগত জানিয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, পাহাড়ে শান্তি ফিরিয়ে আনতে এ ধরনের অভিযান চালিয়ে যেতে হবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT