শেখ হাসিনাসহ ১৫ জনকে সাক্ষ্য প্রদানের জন্য ডেকেছে পিলখানা হত্যাকাণ্ড নিয়ে গঠিত তদন্ত কমিশন - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
কারাগারে ইমরান খানের দৃষ্টিশক্তির ৮৫% নষ্ট: সুপ্রিম কোর্টে মেডিকেল রিপোর্ট জমা নারী প্রার্থীকে কেন্দ্রের সামনে চড়থাপ্পড়ের অভিযোগ, হাসপাতালে হাবিবা নির্বাচনের দিন চার ধাপে ভোটের হার পাঠাতে নির্দেশ ইসির ব্যালট বাক্সে হাত দেওয়ার চেষ্টা করলে কঠিন পরিণতি শায়খ আহমাদুল্লাহ গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে আমার ভোটে জিতবে যে, দায় আমারও যা করবে সে যানবাহনে বিধিনিষেধ: ভোটের আগে–পরে চলাচলে কড়াকড়ি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে না খেললেও শাস্তি নয়, বাংলাদেশকে নতুন আইসিসি ইভেন্ট আয়োজনের আশ্বাস ইসলামি বিপ্লবের বার্ষিকীতে ইরানে ২ হাজারের বেশি বন্দির সাজা মওকুফ রোহিঙ্গা সংকটে ২০ লাখ ইউরো সহায়তা দিল ইইউ

শেখ হাসিনাসহ ১৫ জনকে সাক্ষ্য প্রদানের জন্য ডেকেছে পিলখানা হত্যাকাণ্ড নিয়ে গঠিত তদন্ত কমিশন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় রবিবার, ৯ মার্চ, ২০২৫
  • ১১০ বার দেখা হয়েছে
জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশনের পত্রিকায় প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি
জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশনের পত্রিকায় প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি

২০০৯ সালের পিলখানা হত্যাকাণ্ডের তদন্তে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৫ জনকে সাক্ষ্য দিতে বলেছে জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন। ০৯ মার্চ রবিবার বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে  জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন সভাপতি মেজর জেনারেল আ ল ম ফজলুর রহমান, এনডিসি, পিএসসি (অব:) এই আহ্বান জানান।

বিজ্ঞপ্তিতে কমিশন জানায়, আগামী সাত দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ধানমন্ডির কমিশন কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে অথবা অনলাইনে সাক্ষ্য দিতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর সদর দপ্তরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের তদন্তে এ ১৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। তালিকায় রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর সাবেক নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারেক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক মেয়র ফজলে নূর তাপস, সাবেক সংসদ সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, জাহাঙ্গীর কবির নানক, মির্জা আজম, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমসহ সামরিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন সাবেক কর্মকর্তা।

সাক্ষ্য প্রদানের জন্য দুটি পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়েছে—সরাসরি কমিশন কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে অথবা অনলাইনে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে। সরাসরি সাক্ষ্য দিতে ইচ্ছুক ব্যক্তিরা কমিশনের প্রদত্ত মুঠোফোন নম্বরে অথবা ইমেইলে যোগাযোগ করে সময়সূচি নির্ধারণ করতে পারবেন।

কমিশন আরও জানিয়েছে যে, সাক্ষীদের অসহযোগিতার ক্ষেত্রে জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন আইন অনুযায়ী কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

কমিশনের মতে, ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ ও দায়ীদের চিহ্নিত করার জন্য এই সাক্ষ্যগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কমিশন আশাবাদী যে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা সময়মতো সাক্ষ্য দিয়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতা করবেন। তদন্ত কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কমিশন গণমাধ্যম ও সাধারণ জনগণের জন্য নিয়মিত আপডেট প্রদান করবে। কমিশন আরও উল্লেখ করেছে, যারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সাক্ষ্য দিতে ব্যর্থ হবেন, তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ এর সর্বশেষ নিউজ পড়তে ক্লিক করুন: সর্বশেষ
  • দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ এর ফেসবুক পেজটি ফলো করুন: dailysabasbd

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT