বাংলাদেশ মুখ ফিরানোয় ভারতের পেঁয়াজ রপ্তানি সংকটে - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
রাবেয়া পরিবহনের শ্রমিকদের বর্বরোচিত হামলা; রক্তাক্ত দৈনিক রাজবাড়ী কন্ঠের অফিস সহায়ক দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও যাত্রীবাহী বাস পড়ল পদ্মা নদীতে ঈদযাত্রায় দৌলতদিয়া ঘাটে নেই ভোগান্তি নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষের জমকালো আয়োজনে বুটেক্সে শুরু হলো অ্যালামনাই সুপার কাপ রাজবাড়ীর কালুখালীতে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু আইসিএমএবি ও নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত রাজবাড়ী সদরে শ্রেষ্ঠ কলেজ শিক্ষকের সম্মাননা পেলেন সহকারী অধ্যাপক মাসুদুজ্জামান বাগদুলী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকের বেত্রাঘাতে হসপিটালে ছাত্র, শিক্ষক অবরুদ্ধ পতাকা নামাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ঠ হয়ে ঝলসে গেলেন মনিরা ড. রশিদুন্ নবীর হাতে উঠছে বাংলা একাডেমির ‘নজরুল পুরস্কার ২০২৬’

বাংলাদেশ মুখ ফিরানোয় ভারতের পেঁয়াজ রপ্তানি সংকটে

সাবাস বাংলাদেশ ডেস্ক
  • আপডেট সময় শনিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১৫৫ বার দেখা হয়েছে

ভারতের পেঁয়াজ রপ্তানি সাম্প্রতিক সময়ে মারাত্মক মন্দার মধ্যে আছে। বড় ক্রেতা বাংলাদেশ আর সৌদি আরব ভারত থেকে পেঁয়াজ কম কিনছে। এদিকে, এই দেশগুলো পাকিস্তান ও চীনের পেঁয়াজের দিকে ঝুঁকেছে। ফলে ভারতের রপ্তানি ব্যবসা এবং খাত সংশ্লিষ্ট কৃষকরা সমস্যার মুখে পড়েছেন।

ভারতের রপ্তানিকারকরা বলছেন, বাংলাদেশে ভারতীয় পেঁয়াজের রপ্তানি ব্যাপকভাবে কমে গেছে। একসময় ভারতের মোট রপ্তানির তিনচতুর্থাংশ বাংলাদেশে পাঠানো হতো। কিন্তু গত আট মাসে ঢাকা মাত্র অল্প পরিমাণ পেঁয়াজ আমদানি করেছে। এছাড়া সৌদি আরবও প্রায় এক বছর ধরে ভারত থেকে পেঁয়াজ নিচ্ছে না।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারতের রপ্তানি-নীতি এবং স্থানীয় বাজারে দাম স্থিতিশীল রাখার জন্য একাধিকবার নিষেধাজ্ঞা আরোপের কারণে ক্রেতারা বিকল্প উৎস খুঁজেছে। পাকিস্তান ও চীনের পেঁয়াজ এখন এই বিকল্প হিসেবে ক্রেতাদের কাছে পৌঁছাচ্ছে। এই পরিবর্তনের ফলে ভারতীয় পেঁয়াজ খাতের দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব পড়ছে।

ভারতের পেঁয়াজ রপ্তানিকারকরা জানান, অবৈধভাবে ভারতীয় পেঁয়াজের বীজ বিভিন্ন দেশে চলে গেছে। এ কারণে আমদানিকারক দেশগুলো নিজেদের পেঁয়াজ উৎপাদন বৃদ্ধি করছে এবং স্বনির্ভর হচ্ছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে ভারতের আধিপত্য কমে গেছে।

রপ্তানিকারক অজিত শাহ ইকোনোমিক টাইমসকে বলেছেন, “আমরা আন্তর্জাতিক বাজারে থাকলে ভালো দাম পেতাম, কিন্তু নিষেধাজ্ঞার কারণে ক্রেতারা বিকল্প খুঁজেছে। এখন তারা মূলত কম দামের দিকে নজর দিচ্ছে, কোয়ালিটি নয়।”

২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ভারত ৬ মাসের জন্য, ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর থেকে আরও ৫ মাসের জন্য পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। ফলস্বরূপ, বাংলাদেশের মতো নির্ভরশীল দেশে দাম বেড়ে যায় এবং তারা বিকল্প উৎসের দিকে চলে যায়।

পরিস্থিতি এভাবে চললে, ভারতের পেঁয়াজ রপ্তানিকারকরা ক্রমেই তাদের মূল বাজার হারাচ্ছেন। রপ্তানিকারকরা বলছেন, দেশগুলোর স্বনির্ভরতা বৃদ্ধি এবং বিকল্প উৎসের কারণে ভারতের পেঁয়াজ চাষিরা আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছেন।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT