বাংলাদেশ মুখ ফিরানোয় ভারতের পেঁয়াজ রপ্তানি সংকটে - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
বালিয়াকান্দিতে জমি বিরোধের তদন্তে অনিয়মের অভিযোগ, পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ গ্রিস উপকূলে উদ্ধার ২০২ অভিবাসী, বেশিরভাগই বাংলাদেশি মক্কায় সৌদি, পাকিস্তান ও তুরস্কের ঐতিহাসিক প্রতিরক্ষা চুক্তি, একজনের ওপর হামলা মানেই তিন দেশের ওপর হামলা নেত্রকোনার বড় বাজারে ভয়াবহ আগুন, পুড়ছে ৫ বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান; নিয়ন্ত্রণে ৭ ইউনিটের প্রাণপণ চেষ্টা সাকিবের দেশে ফেরা ও জাতীয় দলে ফেরার সম্ভাবনা নেই, ইঙ্গিত ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর ফেসবুকে যুক্ত হলো বিকাশ, সহজ হলো ডিজিটাল পেমেন্ট বৃষ্টি উপেক্ষা করে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে’ দর্শনার্থীদের ঢল সেমিকন্ডাক্টর খাতে সুখবর, আসছে বিশেষ প্রণোদনা দক্ষিণ কোরিয়ার নজরে বাংলাদেশের পোশাক শিল্প, বড় বিনিয়োগ সম্ভাবনা জলাবদ্ধ এলাকায় কৃষিতে নতুন দিগন্ত: পলি নেট হাউসে বছরে ১০ লাখ পর্যন্ত মানসম্মত চারা উৎপাদন

বাংলাদেশ মুখ ফিরানোয় ভারতের পেঁয়াজ রপ্তানি সংকটে

সাবাস বাংলাদেশ ডেস্ক
  • আপডেট সময় শনিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১৭৯ বার দেখা হয়েছে

ভারতের পেঁয়াজ রপ্তানি সাম্প্রতিক সময়ে মারাত্মক মন্দার মধ্যে আছে। বড় ক্রেতা বাংলাদেশ আর সৌদি আরব ভারত থেকে পেঁয়াজ কম কিনছে। এদিকে, এই দেশগুলো পাকিস্তান ও চীনের পেঁয়াজের দিকে ঝুঁকেছে। ফলে ভারতের রপ্তানি ব্যবসা এবং খাত সংশ্লিষ্ট কৃষকরা সমস্যার মুখে পড়েছেন।

ভারতের রপ্তানিকারকরা বলছেন, বাংলাদেশে ভারতীয় পেঁয়াজের রপ্তানি ব্যাপকভাবে কমে গেছে। একসময় ভারতের মোট রপ্তানির তিনচতুর্থাংশ বাংলাদেশে পাঠানো হতো। কিন্তু গত আট মাসে ঢাকা মাত্র অল্প পরিমাণ পেঁয়াজ আমদানি করেছে। এছাড়া সৌদি আরবও প্রায় এক বছর ধরে ভারত থেকে পেঁয়াজ নিচ্ছে না।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারতের রপ্তানি-নীতি এবং স্থানীয় বাজারে দাম স্থিতিশীল রাখার জন্য একাধিকবার নিষেধাজ্ঞা আরোপের কারণে ক্রেতারা বিকল্প উৎস খুঁজেছে। পাকিস্তান ও চীনের পেঁয়াজ এখন এই বিকল্প হিসেবে ক্রেতাদের কাছে পৌঁছাচ্ছে। এই পরিবর্তনের ফলে ভারতীয় পেঁয়াজ খাতের দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব পড়ছে।

ভারতের পেঁয়াজ রপ্তানিকারকরা জানান, অবৈধভাবে ভারতীয় পেঁয়াজের বীজ বিভিন্ন দেশে চলে গেছে। এ কারণে আমদানিকারক দেশগুলো নিজেদের পেঁয়াজ উৎপাদন বৃদ্ধি করছে এবং স্বনির্ভর হচ্ছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে ভারতের আধিপত্য কমে গেছে।

রপ্তানিকারক অজিত শাহ ইকোনোমিক টাইমসকে বলেছেন, “আমরা আন্তর্জাতিক বাজারে থাকলে ভালো দাম পেতাম, কিন্তু নিষেধাজ্ঞার কারণে ক্রেতারা বিকল্প খুঁজেছে। এখন তারা মূলত কম দামের দিকে নজর দিচ্ছে, কোয়ালিটি নয়।”

২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ভারত ৬ মাসের জন্য, ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর থেকে আরও ৫ মাসের জন্য পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। ফলস্বরূপ, বাংলাদেশের মতো নির্ভরশীল দেশে দাম বেড়ে যায় এবং তারা বিকল্প উৎসের দিকে চলে যায়।

পরিস্থিতি এভাবে চললে, ভারতের পেঁয়াজ রপ্তানিকারকরা ক্রমেই তাদের মূল বাজার হারাচ্ছেন। রপ্তানিকারকরা বলছেন, দেশগুলোর স্বনির্ভরতা বৃদ্ধি এবং বিকল্প উৎসের কারণে ভারতের পেঁয়াজ চাষিরা আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছেন।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT