নোটিশ:
শিরোনামঃ
প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতির স্বপ্ন বাস্তবায়নে চাই গবেষণা ও দক্ষতার সেতুবন্ধ এআই ও সেমিকন্ডাক্টর খাতে প্রবাসী দক্ষতা কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ লন্ডনে ‘চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬’: প্রবাসীদের সাংস্কৃতিক মিলনমেলা প্রবাসী আয়ের প্রবৃদ্ধি: পরিবারগুলোর প্রাপ্তি নিশ্চিত করাই মূল লক্ষ্য কাতারের উত্তরে ট্যাংকারে দুটি অজ্ঞাত বস্তুর আঘাত: ইউকেএমটিও আশুলিয়ায় বেতন আন্দোলনে শতাধিক পোশাক কারখানার কার্যক্রম স্থগিত প্রবাসী আয় ১৪.২ শতাংশ বেড়ে ১২.১১ বিলিয়ন ডলার: বাংলাদেশ ব্যাংক যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জয়, বৈশ্বিক বাজারে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জলবায়ু অভিযোজন অর্থায়নের চাহিদা বছরে ৩০৫ বিলিয়ন ডলার: জাতিসংঘ জলবায়ু অভিযোজন অর্থায়নের বিশাল ঘাটতি: প্রতিশ্রুতিকে বাস্তবে রূপ দিতে হবে

বলাৎকার ধর্ষণ অপরাধ বলে ধার্য করা হবে

ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট সময় বুধবার, ২৬ মার্চ, ২০২৫
  • ৩০০ বার দেখা হয়েছে
বলৎকার এখন ধর্ষণ বলে বিবেচিত হবে, ছবি: সংগৃহীত
বলৎকার এখন ধর্ষণ বলে বিবেচিত হবে, ছবি: সংগৃহীত

সরকার সম্প্রতি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধন করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৫ জারি করেছে। এতে পূর্বের আইনের ২৬টি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে, যা নারী ও শিশুদের প্রতি সহিংসতা রোধে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিফলিত করে।

ধর্ষণের সংজ্ঞায় পরিবর্তন ও নতুন সংযোজন

এই অধ্যাদেশে ধর্ষণের সংজ্ঞা প্রসারিত করা হয়েছে। এখন থেকে নারী ও শিশুর পাশাপাশি কোনো ছেলে শিশুর মুখ বা পায়ুপথে সংঘটিত যৌনকর্ম (বলাৎকার) ধর্ষণের অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

এছাড়া, বিয়ের প্রলোভনের মাধ্যমে যৌন সম্পর্ক স্থাপন নতুন অপরাধ হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে।

৯(খ) ধারার সংযোজন অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি দৈহিক বলপ্রয়োগ ছাড়া বিবাহের প্রলোভন দেখিয়ে ১৬ বছরের বেশি বয়সের নারীর সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন এবং তাদের মধ্যে আস্থাভাজন সম্পর্ক থাকে, তবে তিনি সর্বোচ্চ সাত বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

মিথ্যা মামলা প্রতিরোধে নতুন ধারা

অধ্যাদেশে মিথ্যা মামলার অপব্যবহার রোধে ১৭(৩) উপধারা সংযোজন করা হয়েছে।

ট্রাইব্যুনাল এখন মিথ্যা মামলা প্রমাণিত হলে বাদীকে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দিতে পারবেন।

প্রয়োজনে, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার পাশাপাশি বাদীকে সর্বোচ্চ দুই বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত করার আদেশ দেওয়া যেতে পারে।

তদন্ত ও বিচার ব্যবস্থার পরিবর্তন

১. ধর্ষণের মামলা তদন্তের সময়সীমা

  • পূর্বে তদন্তের সময়সীমা ৬০ কার্যদিবস ছিল, যা ৩০ কার্যদিবস করা হয়েছে।

  • প্রয়োজনে অতিরিক্ত ১৫ কার্যদিবস সময় নেওয়া যাবে।

  • হাতেনাতে ধরা পড়লে তদন্ত ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে শেষ করতে হবে।

২. বিচার প্রক্রিয়ার দ্রুত সম্পন্নকরণ

  • পূর্বে বিচার সম্পন্নের সময়সীমা ছিল ১৮০ কার্যদিবস।

  • এটি পরিবর্তন করে ৯০ কার্যদিবস নির্ধারণ করা হয়েছে।

শিশু ধর্ষণ দমন ট্রাইব্যুনাল গঠন

নতুন ২৬(ক) ধারা অনুযায়ী, সরকার প্রত্যেক জেলায় ও মহানগরে শিশু ধর্ষণ সংক্রান্ত অপরাধ বিচারের জন্য পৃথক ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারবে।

ট্রাইব্যুনাল পরিচালনার দায়িত্ব জেলা ও দায়রা জজদের মধ্য থেকে বিচারকরা পালন করবেন।

যৌতুক সংক্রান্ত মামলার বিচারব্যবস্থা পরিবর্তন

নতুন ৩৫ ধারা সংযোজনের মাধ্যমে যৌতুক সংক্রান্ত মামলাগুলো নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বাইরে প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিচারযোগ্য করা হয়েছে।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৫ বিদ্যমান আইনের বৈষম্য দূর করে, বিচারের গতি বাড়িয়ে এবং মিথ্যা মামলা প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে আইনব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করেছে। এটি নারী ও শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়।

  • দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ এর সর্বশেষ নিউজ পড়তে ক্লিক করুন: সর্বশেষ
  • দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ এর ফেসবুক পেজটি ফলো করুন: dailysabasbd

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT