বেরোবি সাবেক ভিসি নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ দুর্নীতির মামলায় গ্রেফতার - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
বিএনপির বিরুদ্ধে হামলা-কারচুপির অভিযোগ এনসিপির, ‘ফ্যাসিজম শুরু’ দাবি জাতীয় পার্টির দুর্গে ‘লাঙলের জানাজা’, রংপুরে ভাইরাল ছবি ঘিরে তোলপাড় ভোটের লড়াই শেষে সৌহার্দ্য, বিএনপি প্রার্থীকে মিষ্টি মুখ করালেন আমির হামজা নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় খতীবের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পেলেন মুফতি শামছুদ্দোহা আশরাফী হামলা ও ফল কারচুপির অভিযোগে কঠোর হুঁশিয়ারি জামায়াত আমিরের বগুড়া-২ আসনে ভরাডুবি, জামানত হারালেন মাহমুদুর রহমান মান্না নির্বাচন নিয়ে যা বলল মার্কিন দূতাবাস দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন সারজিস আলম, পরাজয়ের পর সৌহার্দ্যের বার্তা সরকার গঠনের দ্বারপ্রান্তে বিএনপি, ৩৫ বছর পর দেশে পুরুষ প্রধানমন্ত্রী কারাগারে ইমরান খানের দৃষ্টিশক্তির ৮৫% নষ্ট: সুপ্রিম কোর্টে মেডিকেল রিপোর্ট জমা

বেরোবি সাবেক ভিসি নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ দুর্নীতির মামলায় গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ৭ আগস্ট, ২০২৫
  • ১২০ বার দেখা হয়েছে

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) সাবেক উপাচার্য ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহকে দুর্নীতির মামলায় গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার, ৭ আগস্ট ২০২৫ দুপুর ১টার দিকে ঢাকা মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

তাকে গ্রেফতারের পর ডিবি জানিয়েছে, সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) যে মামলা করেছে, তা তদন্ত করতে গিয়েই এই গ্রেফতার কার্যক্রম চালানো হয়েছে। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, কলিমুল্লাহসহ পাঁচজন মিলে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন প্রকল্পে চুক্তি ও ব্যয়ের ক্ষেত্রে সরকারি বিধি না মেনে প্রতারণা, জালিয়াতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে সরকারের প্রায় ৪ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

দুদকের উপপরিচালক মো. সামসুল আলমের দায়ের করা মামলার এজাহারে বলা হয়, প্রকল্পের ডিপিপি উপেক্ষা করে এবং মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়াই তারা প্রায় ৩০ কোটি টাকার বেশি মূল্যের চুক্তি সম্পাদন করেন। তারা নকশা পরিবর্তন করে এবং অগ্রিম অর্থ প্রদান না করার নিয়ম থাকা সত্ত্বেও ব্যাংক গ্যারান্টি গ্রহণের মাধ্যমে ঠিকাদারদের অগ্রিম বিল পরিশোধ করেন। এছাড়া নিরাপত্তা জামানতের অর্থ এফডিআর হিসেবে ব্যাংকে জমা রাখা হয় এবং পরবর্তীতে তা ছাড় করে তারা আর্থিকভাবে লাভবান হন।

এই মামলায় অভিযুক্ত অপর ব্যক্তিরা হলেন: বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক সাবেক উপাচার্য ড. একেএম নূর-উন-নবী, সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জাহাঙ্গীর আলম, ঠিকাদার মো. আব্দুস সালাম বাচ্চু এবং ঠিকাদার এম এম হাবিবুর রহমান। তারা সবাই পরস্পর যোগসাজশে সরকারি টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলার বিষয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন সাংবাদিকদের জানান, এটি একটি সুপরিকল্পিত দুর্নীতির ঘটনা, যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা সরাসরি জড়িত ছিলেন।

গ্রেফতারের পর কলিমুল্লাহকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে হাজির করে রিমান্ড চাওয়া হবে বলে জানিয়েছে ডিবি পুলিশ। দুদক এই মামলাকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে এবং দ্রুত বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু হবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT