পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সীমান্তে গোলাগুলির ঘটনায় অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। রোববার (২৩ মার্চ) এক বিবৃতিতে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গণমাধ্যম শাখা ইন্টার সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশনস (আইএসপিআর) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
বিবৃতিতে জানানো হয়, গুলাম খান কল্লে এলাকায় সীমান্ত দিয়ে একদল ‘সন্ত্রাসী’ পাকিস্তানে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করলে নিরাপত্তা বাহিনী তাদের শনাক্ত করে।
এরপর অনুপ্রবেশের প্রচেষ্টা প্রতিহত করতে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র গুলি বিনিময় হয়, যেখানে অন্তত ১৬ জন নিহত হন।
পাকিস্তান সরকার দীর্ঘদিন ধরেই আফগান কর্তৃপক্ষকে সীমান্তের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার আহ্বান জানিয়ে আসছে।
আইএসপিআর বলেছে, দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী সীমান্ত সুরক্ষায় এবং সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
এ ঘটনায় পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি নিরাপত্তা বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করেছেন।
তিনি অনুপ্রবেশ প্রতিহত করতে সাহসিকতার সঙ্গে পরিচালিত অভিযানে ১৬ জন ‘খারেজি’ হত্যার জন্য বাহিনীকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।
আরও পড়ুনঃ
ইরানের কাছে ৫০০ মিলিয়ন ডলার চেয়েছিল হামাস: ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী
গাজায় প্রাণ হারালেন বাংলাদেশের হয়ে কাজ করা ফিলিস্তিনি দুই স্বেচ্ছাসেবী
এদিকে, বেলুচিস্তানে পৃথক দুই হামলায় চার শ্রমিক ও চার পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। শনিবার (২২ মার্চ) এসব হামলা হয়।
এদিকে, আফগানিস্তান সীমান্তে এই গোলাগুলির ঘটনায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই সংঘাত সীমান্ত অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও খারাপ করতে পারে এবং মানবিক সংকট তৈরি করতে পারে।
পাকিস্তান সরকার সীমান্তে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার জন্য আফগান কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফও সীমান্তে সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধে নিরাপত্তা বাহিনীর অবদানের প্রশংসা করেছেন।
আন্তর্জাতিক মঞ্চে এই ধরনের সন্ত্রাসী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে একত্রিত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
বেলুচিস্তানের হামলাগুলোর পর স্থানীয় প্রশাসন নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার ঘোষণা দিয়েছে।
(সূত্র: ডন)