নোটিশ:
শিরোনামঃ
বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নে ২০ উদ্যোগের ৭টি বাস্তবায়ন করেছে সরকার বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর বাণিজ্যে নতুন খাত ও ডিজিটাল ট্রেড সহযোগিতার উদ্যোগ নিউমুরিং টার্মিনাল পরিচালনায় ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে ১৫ বছরের চুক্তি আজ টোকিও ফ্যাশন এক্সপোতে বাংলাদেশের পোশাক, হোম টেক্সটাইল ও চামড়াপণ্য সেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮.৩৪ শতাংশ বাংলাদেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.১২ বিলিয়ন ডলার বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ সভায় নিজস্ব সংস্কার এজেন্ডা তুলে ধরবে বাংলাদেশ বাংলাদেশ-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি দ্রুত সম্পন্নে জার্মানির সমর্থন আবাসন ও পার্বত্য চট্টগ্রামের বিদ্যুতে এডিবির ২৭৭.৭২ মিলিয়ন ডলার সহায়তা বিমানের বহরে আসছে ১০টি এয়ারবাস, থাকবে চারটি A350-900

এফবিআইয়ের মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকাভুক্ত সিন্দি রদ্রিগেজ সিং ভারতে গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় শনিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৬৩ বার দেখা হয়েছে
cindy-rodriguez-singh-wanted-noel-rodriguez

মাসের পর মাস এফবিআই ও ইন্টারপোলকে ফাঁকি দেওয়ার পর অবশেষে ভারতের মাটিতে গ্রেপ্তার হয়েছেন মার্কিন নাগরিক সিন্দি রদ্রিগেজ সিং। বুধবার যৌথ অভিযানে তাঁকে আটক করে ভারতীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এফবিআইয়ের শীর্ষ ১০ মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকাভুক্ত এই নারী টেক্সাসে নিজের ছয় বছরের সন্তান নোয়েল রদ্রিগেজ-আলভারেজকে হত্যার অভিযোগে পলাতক ছিলেন।

এফবিআই পরিচালক কাশ প্যাটেল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়ে গ্রেপ্তারের খবর নিশ্চিত করেছেন। তিনি টেক্সাস পুলিশ, মার্কিন বিচার বিভাগ, ইন্টারপোল ও ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেছেন, এই গ্রেপ্তার আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের এক বড় সাফল্য। গ্রেপ্তারের পর সিন্দিকে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং টেক্সাস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। তাঁর বিরুদ্ধে পুঁজি দণ্ডযোগ্য হত্যাকাণ্ড ও বিচার এড়াতে পালানোর অভিযোগে মামলা চলছে।

মামলার সূত্রপাত ২০২২ সালের অক্টোবর মাসে। টেক্সাসের এভারম্যান এলাকায় ছয় বছরের নোয়েলকে সর্বশেষ দেখা যায়। শিশুটি গুরুতর শারীরিক জটিলতায় ভুগছিল—বুদ্ধি ও সামাজিক বিকাশে সমস্যা, দীর্ঘস্থায়ী ফুসফুস রোগ ও দুর্বল হাড় ছিল তার। কয়েক মাস তাকে না দেখে প্রতিবেশীরা উদ্বেগ প্রকাশ করলে ২০২৩ সালের মার্চে কর্তৃপক্ষ খোঁজ নেয়। তখন সিন্দি দাবি করেন, নোয়েল নাকি মেক্সিকোয় তার বাবার সঙ্গে আছে। কিন্তু তদন্তে প্রমাণ হয় এ তথ্য মিথ্যা। এর দুদিন পরই সিন্দি তাঁর ভারতীয় বংশোদ্ভূত স্বামী ও সন্তানকে নিয়ে দ্রুত ভারতে পালিয়ে যান। তবে নোয়েল তাঁদের সঙ্গে ছিলেন না এবং তাঁর ভ্রমণের কোনো রেকর্ডও পাওয়া যায়নি। তদন্তে প্রমাণ পাওয়া গেছে যে নোয়েলের মৃতদেহ একটি বাড়ির সিমেন্ট ঢালা পোর্চের নিচে রাখা হয়েছে।

২০২৩ সালের অক্টোবরেই টেক্সাসের একটি আদালত সিন্দির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে হত্যার অভিযোগ গঠন করে এবং পরে ফেডারেল পর্যায়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়। ইন্টারপোল তাঁর বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারি করলে তিনি হয়ে ওঠেন বিশ্বের ১৯০টিরও বেশি দেশে পলাতক আসামি। এফবিআই ইংরেজি, স্প্যানিশ ও হিন্দি ভাষায় পোস্টার ছড়িয়ে দেয়। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য ঘোষণা করা হয় আড়াই লাখ ডলার পুরস্কার, যা সাম্প্রতিক সময়ে কোনো নারী আসামির জন্য অন্যতম সর্বোচ্চ।

১৯৮৫ সালে ডালাসে জন্ম নেওয়া সিন্দির উচ্চতা পাঁচ ফুট এক থেকে পাঁচ ফুট তিন ইঞ্চি, ওজন ১২০ থেকে ১৪০ পাউন্ড। মাঝারি গায়ের রঙের এই নারীর চোখ ও চুল বাদামি এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে একাধিক উল্কি আঁকা আছে।

ভারতে আসার পর মাসের পর মাস আড়ালে থাকলেও গোয়েন্দা তথ্য আদানপ্রদানের ফলে শেষ পর্যন্ত তাঁকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়। এফবিআই পরিচালক কাশ প্যাটেল জানিয়েছেন, গত সাত মাসে এফবিআইয়ের মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকার চতুর্থ আসামি ধরা পড়ল। তাঁর ভাষায়, এটি মাঠপর্যায়ের নিরলস কাজ এবং আন্তঃদেশীয় সহযোগিতারই ফল।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT