ঢাকার কসাইটুলীতে ভূমিকম্পে শেষ হয়ে গেল বাবার সঙ্গে ছেলের আনন্দের সকাল - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
“ভূগর্ভস্থ টানেল ও বাঙ্কার: দূরদর্শী রাষ্ট্রীয় সুরক্ষার এক নতুন দিগন্ত” -ড. মোহাম্মদ ফয়েজ উদ্দিন, এমবিই কুবির বিজয়-২৪ হলকে মাদকমুক্ত করতে উপাচার্য ও প্রক্টর বরাবর স্মারকলিপি নানিয়ারচর সেনাবাহিনীর উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা ও শিক্ষা সামগ্রী উপহার হাউজ অব লর্ডসে মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা প্রদান, ইতিহাস সংরক্ষণ ও ঐতিহাসিক স্থাপনা রক্ষায় জোর দাবি গুচ্ছের ‘এ’ ইউনিটের ফলাফল প্রকাশ; পাসের হার ৩০ শতাংশ কুবিতে ৭০টি আসন ফাঁকা, গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের সিদ্ধান্ত ময়মনসিংহ মেডিকেলের ছাত্রাবাসে ছাত্রদলের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ২ খুলনায় ‘নিজের অস্ত্রের গুলিতে’ নিহত পুলিশ সদস্য কুড়িগ্রামে র‍্যাব-১৩ এর অভিযান; প্রায় ২ মণ গাঁজাসহ গ্রেফতার মাদক ব্যবসায়ী অনুমতি জটিলতায় প্রীতি ম্যাচ স্থগিত, ক্ষোভ আবাসিক শিক্ষার্থীদের

ঢাকার কসাইটুলীতে ভূমিকম্পে শেষ হয়ে গেল বাবার সঙ্গে ছেলের আনন্দের সকাল

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ২১ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১৬৮ বার দেখা হয়েছে

ঢাকার কসাইটুলী এলাকায় শুক্রবার সকালে ভূমিকম্পের তীব্র ঝাঁকুনিতে বাবা আবদুর রহিম (৪৮) ও তাঁর ছেলে রিমন (১২) নিহত হয়েছেন। মাংস কেনার জন্য বের হওয়া তাঁদের আনন্দের সকাল এক মুহূর্তে দুঃখে পরিণত হয়।

শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকাল ১০টা ৪৮ মিনিটে কসাইটুলীর নয়নের মাংসের দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন আবদুর রহিম ও তাঁর ষষ্ঠ শ্রেণির ছেলে রিমন। ঠিক সেই সময় কেপিগোজ স্ট্রিটের একটি ভবনের ছাদের রেলিং ভেঙে তাদের ওপর পড়লে ঘটনাস্থলেই নিহত হন বাবা ও ছেলে। একই ঘটনায় গুরুতর আহত হন স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী রাফিউল ইসলামও। হাসপাতালে নেওয়ার পর তিনজনকেই মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। [ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন]

মর্গের বাইরে দাঁড়িয়ে আহাজারি করছিলেন রহিমের ভাই নাসির। তিনি চোখের অশ্রু পोंছাতে পোঁছাতে বললেন, “আমার ভাই খুব ভালো মানুষ ছিল। দুই বছর আগে হজ করেছেন। আল্লাহ ওদের দুজনকে জান্নাতবাসী করুন।”

রহিমের বাড়ি লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে। পুরান ঢাকার গার্ডেন সিটিতে কাপড়ের ব্যবসা করতেন তিনি। স্ত্রী, তিন ছেলে এবং এক মেয়ে নিয়ে ছিল তাঁর সংসার। বড় ছেলে মাত্র এক মাস আগে অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি দিয়েছে। ছোট ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে ছুটির দিনের আনন্দ উপভোগ করার পরিকল্পনা ছিল, কিন্তু ভাগ্যবশত সেই ছোট্ট হাতই শেষবার বাবার হাত ধরেছিল।

পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, আজ সকালে রান্নার জন্য বিশেষ আয়োজন করা হয়েছিল। মাংস কিনে বাড়ি ফেরার পর নাশতার আয়োজন থাকলেও সেই মুহূর্ত আর ঘটলো না—মারাও ফিরে এল নিথর দেহ দুটো।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT