বছরজুড়ে ডেঙ্গুর হুমকি: টিকা আবিষ্কার হলেও কেন এখনো বাংলাদেশে ব্যবহার হচ্ছে না? - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
সীমান্তে তীব্র গুলি বিনিময়, পাকিস্তান–আফগানিস্তান উত্তেজনা চরমে জাককানইবিতে সমুদ্র ও জলবায়ু–বিষয়ক ‘Exploring the Blue Earth’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত দুধকুমার নদে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে এসিল্যান্ডের হস্তক্ষেপ, স্বস্তিতে তীরবর্তী বাসিন্দারা ইবিতে জুলাই বিপ্লববিরোধী অভিযোগে ফের ৯ শিক্ষক বরখাস্ত নানিয়ারচর জোন (১৭ই বেংগল) এর মানবিক উদ্যো‌গে বিনামূল্যে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রথম নির্বাহী পরিচালক হলেন মো. সাদি উর রহিম জাদিদ আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস উপলক্ষে ইবিতে আলোচনা সভা জামায়াতের মনোনয়নে কে এই হিন্দু প্রার্থী ভারত ছাড়তে তড়িঘড়ি সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামাল পশ্চিমবঙ্গে বেওয়ারিশ কুকুরের প্রহরায় বেঁচে গেল পরিত্যক্ত নবজাতক

বছরজুড়ে ডেঙ্গুর হুমকি: টিকা আবিষ্কার হলেও কেন এখনো বাংলাদেশে ব্যবহার হচ্ছে না?

সাবাস বাংলাদেশ ডেস্ক
  • আপডেট সময় শনিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৬৯ বার দেখা হয়েছে

একসময় বর্ষাকালে ডেঙ্গু প্রাদুর্ভাবের আতঙ্ক থাকলেও এখন বছরের যে কোনো সময়েই ডেঙ্গু সংক্রমণ দেখা দিচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তন, অপরিকল্পিত নগরায়ন ও আবর্জনা ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতার কারণে এডিস মশার বিস্তার আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে।

কীটতত্ত্ববিদরা বলছেন, ডেঙ্গুর প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে একদিকে মশার বংশবিস্তার রোধ করতে হবে, অন্যদিকে ভ্যাকসিন ব্যবহারের দিকেও নজর দিতে হবে। তবে কার্যকর ও নিরাপদ টিকা নিয়ে এখনো রয়েছে নানা প্রশ্ন ও বিতর্ক।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুর জন্য দুটি টিকার অনুমোদন দিয়েছে—ফ্রান্সের “ডেঙ্গাভেক্সিয়া” এবং জাপানের “কিউডেঙ্গা”। কিন্তু এই টিকাগুলোর ব্যবহারে বয়সসীমা, পূর্বে আক্রান্ত হওয়া এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সংক্রান্ত নানা সীমাবদ্ধতা থাকায় বাংলাদেশে সেগুলোর অনুমোদন দেওয়া হয়নি।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মোশতাক হোসেন বলেন, “টিকা আবিষ্কৃত হলেও তা সবার জন্য উপযোগী নয়। ব্যবহারে সতর্কতা দরকার।”
কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক কবিরুল বাশার মনে করেন, “টিকার অনুমোদনের আগে ডেঙ্গুকে মহামারি (Epidemic) হিসেবে ঘোষণা করতে হয়। কিন্তু সরকার সেটি করতে চাইছে না, কারণ এতে ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হতে পারে।”

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব হেলথ (NIH) উদ্ভাবিত TV005 নামে একটি টিকার দ্বিতীয় ধাপের ট্রায়াল ২০২৩ সালে বাংলাদেশে পরিচালনা করেছিল আইসিডিডিআর,বি ও ভার্মন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা। তবে সেই গবেষণা এখনো বাণিজ্যিক পর্যায়ে যায়নি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভ্যাকসিনের পাশাপাশি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো মানুষের সচেতনতা। ঘরে বা আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া, মশারি ব্যবহার, নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা—এসব প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাই ডেঙ্গু মোকাবেলায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT