চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলার প্রতিবাদে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
আমার ভোটে জিতবে যে, দায় আমারও যা করবে সে যানবাহনে বিধিনিষেধ: ভোটের আগে–পরে চলাচলে কড়াকড়ি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে না খেললেও শাস্তি নয়, বাংলাদেশকে নতুন আইসিসি ইভেন্ট আয়োজনের আশ্বাস ইসলামি বিপ্লবের বার্ষিকীতে ইরানে ২ হাজারের বেশি বন্দির সাজা মওকুফ রোহিঙ্গা সংকটে ২০ লাখ ইউরো সহায়তা দিল ইইউ ভোট উৎসবে গ্রামমুখী জনস্রোত, সড়ক-রেল-নৌপথে বাড়তি চাপ ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ৯ লাখ ৫৮ হাজার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, প্রথমবার ড্রোন ও বডি ওর্ন ক্যামেরা নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সারা দেশে ড্রোন উড্ডয়ন নিষিদ্ধ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিতে ভূষিত আইটি বিশেষজ্ঞ মোস্তাফা রফিকুল ইসলাম ডিউক উৎসবমুখর পরিবেশে নির্ভয়ে ভোট দেওয়ার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টা ইউনূসের

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলার প্রতিবাদে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

মিজানুর রহমান, ইবি প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় রবিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৫
  • ১০৫ বার দেখা হয়েছে

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর স্থানীয় সন্ত্রাসীদের হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থীরা। রবিবার (৩১ আগস্ট) বিকেলে ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচি থেকে দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও নিরাপদ ক্যাম্পাস নিশ্চিতের দাবি জানানো হয়।

ইবি শিক্ষার্থীরা জিয়া মোড় থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বটতলায় সমাবেশ করেন। এসময় তারা স্লোগান দেন— “আমার ভাই আহত কেন, প্রশাসনের জবাব চাই”; “চবিতে হামলা কেন, ইন্টেরিম জবাব দে”; “প্রশাসনের প্রহসন, মানি না মানব না”; “সন্ত্রাসীদের ঠিকানা, এই বাংলায় হবে না”

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলার সময় প্রশাসন কার্যকর ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়েছে। তারা প্রশ্ন তোলেন— “হামলার সময় প্রশাসন কোথায় ছিল? শিক্ষার্থীদের জন্য কী ধরনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছিল? নুরের আন্দোলনে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হলেও শিক্ষার্থীদের হামলার ঘটনায় প্রশাসন নীরব কেন?” তারা সতর্ক করে বলেন, বিচার না হলে আবারও আগস্টের মতো ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

সমাবেশে জুলাইযোদ্ধা ও সাবেক সমন্বয়ক এস এম সুইট বলেন, “চব্বিশের জুলাই থেকে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার একটি ট্রেন্ড তৈরি হয়েছে। অথচ জুলাই-পরবর্তী সময়ে পুলিশ, বাহিনী ও অন্যান্য সেক্টরে সংস্কার হওয়ার কথা ছিল। এ ঘটনা প্রমাণ করে, চট্টগ্রামের প্রশাসন রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে। আগামী ১২ ঘণ্টার মধ্যে যদি সমস্যার সুরাহা না হয়, তবে ইন্টেরিম গভর্নমেন্টের চেয়ার ছেড়ে দেওয়া উচিত। এরা স্থানীয় নয়, এরা সন্ত্রাসী।”

তিনি আরও বলেন, “ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়েও এ ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে। তাই ইবি প্রশাসনকে এখনই বিকল্প ব্যবস্থা নিতে হবে। বিশেষ করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কেনাবেচার জন্য ক্যাম্পাসের ভেতরে দোকান প্রতিষ্ঠা করা যেতে পারে, যাতে শিক্ষার্থীদের বাইরে যেতে না হয়।”

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT