কুবিতে আদিবাসী ছাত্র সংসদের নবীন বরণ ও প্রবীণ বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
সংবিধান সংস্কার পরিষদে শপথ নেননি বিএনপি এমপিরা, সিদ্ধান্ত পরে ১০ নম্বর জার্সি পরেই এমপি হিসেবে শপথ নিলেন হাসনাত আবদুল্লাহ নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় দফতর বণ্টন সম্পন্ন নাফ নদী থেকে আটক ৭৩ জেলে দেশে ফিরলো, আরাকান আর্মির সঙ্গে আলোচনায় সফল বিজিবি বিএনপি সরকারের শপথে হেফাজত আমিরকে আমন্ত্রণ; পীর সাহেব চরমোনাইয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ আজ কর্মঘণ্টায় মুসলিমদের জামাতে নামাজে উৎসাহ, অফিস আদেশ জারি করল আকিজ ভেঞ্চার সর্বোচ্চ ভোটের ব্যবধানে রাজবাড়ী-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী হারুনের নিরষ্কুশ বিজয় সিঙ্গাপুরে আজিজ খান ও এস আলম এর সম্পদ ও ব্যাংক হিসাব জব্দ রাশিয়ার বৈদেশিক ঋণ ২০ বছরের সর্বোচ্চ, যুদ্ধ ব্যয় ও বাজেট ঘাটতি মোকাবেলায় অর্থনৈতিক চাপ বৃদ্ধি ঢাকা-৮ আসনে ভোট কারচুপির অভিযোগ, শপথ স্থগিতের আবেদন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর

কুবিতে আদিবাসী ছাত্র সংসদের নবীন বরণ ও প্রবীণ বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

শারাফাত হোসাইন, ‎​কুবি প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৬২ বার দেখা হয়েছে

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) আদিবাসী শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘আদিবাসী ছাত্র সংসদ’-এর উদ্যোগে নবীন বরণ ও প্রবীণ বিদায় সংবর্ধনা-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের কনফারেন্স রুমে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সভাপতি সুইচিং মারমার সভাপতিত্বে এবং মং ক্যএ মার্মা ও কাষ্পিয়ান দেওয়ানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোহরাব উদ্দিন। সম্মানিত অতিথি ছিলেন বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. জি. এম. মনিরুজ্জামান এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১২–১৩ শিক্ষাবর্ষের প্রাক্তন শিক্ষার্থী যুবরাজ দেববর্মা।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে যুবরাজ দেববর্মা বলেন, “সংখ্যায় কম হলেও চিন্তা-চেতনায় এগিয়ে থেকে আদিবাসী শিক্ষার্থীরা দেশ ও সমাজের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ত্রিপুরা রাজাদের অবদান, বীরচন্দ্র টাউন হল এবং সংগীত কিংবদন্তি সচিন দেববর্মণের স্মৃতি কুমিল্লার গৌরবময় ইতিহাসের অংশ।” তিনি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে সচিন দেববর্মণের নামে একটি আবাসিক হল নামকরণের প্রস্তাবও দেন।

বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. জি. এম. মনিরুজ্জামান বলেন, “নিজেদের পরিচয় নিয়ে লজ্জিত বা সংকুচিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। আমরা সবাই প্রথমে বাংলাদেশি। জাতিগত বৈচিত্র্য এই দেশের শক্তি।” তিনি আদিবাসী শিক্ষার্থীদের নিজেদের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও সাহিত্য নিয়ে লেখালেখিতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে প্রতি বছর অন্তত একটি সাহিত্য ম্যাগাজিন প্রকাশের পরামর্শ দেন।

সংগঠনের সভাপতি সুইচিং মারমা বলেন, “আদিবাসী ছাত্র সংসদ শুধু নবীন বরণ ও বিদায়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। আদিবাসী শিক্ষার্থীদের দিকনির্দেশনা প্রদান, অধিকার বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং সেগুলো বিশ্বপর্যায়ে তুলে ধরাই আমাদের অন্যতম লক্ষ্য।” তিনি ভবিষ্যতেও সংগঠনটি দেশ ও সমাজের উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT