নোটিশ:
শিরোনামঃ
নিজেকে বিয়ে করেছিলেন, এক বছর পর ‘নিজেকেই ডিভোর্স’ দিলেন সুয়েলেন কেরি চশমায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ছোঁয়া: সুবিধা, নাকি গোপন নজরদারির ঝুঁকি? অপ্রতিম হত্যার প্রতিবাদে কুবি শিক্ষক সমিতির শোক র‍্যালি ও মানববন্ধন কুবিতে অপ্রতিম হত্যার বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির ধাক্কা সামলাতে এখনই সুরক্ষা পরিকল্পনা দরকার পোশাক কারখানা শীতল রাখার বিনিয়োগ চার বছরের মধ্যে উঠে আসতে পারে: গবেষণা জ্বালানির দাম সর্বোচ্চ ১৭.৪% বাড়ল, ডিজেল লিটারে ১৩৫ টাকা জাতিসংঘে প্রথম ভাষণ দিতে সোমবার নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী হেলথ এশিয়া কনফারেন্সে আন্তর্জাতিক বক্তা তানহা তাবাসসুম ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মৌসুমি অভিযান নয়, বছরজুড়ে প্রস্তুতি চাই

গাজার প্রতি সংহতি জানিয়ে বেরোবি শিক্ষার্থীদের ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা

প্রতিবেদকের ছবি
মোঃ রবিউল ইসলাম, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বেরোবি।
  • আপডেট সময় রবিবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৫
  • ২৬৬ বার দেখা হয়েছে
InShot_20250406_224919326

গাজায় চলমান নির্মম গণহত্যা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রতিবাদে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুরের শিক্ষার্থীরা আগামীকাল সোমবার (০৭ এপ্রিল ২০২৫) ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। আজ রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা স্ব স্ব বিবৃতির মাধ্যমে গাজার নিরীহ মানুষের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন এবং ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

শিক্ষার্থীরা তাদের বিবৃতিতে বলেন, আমরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে নীরব থাকতে পারি না। গাজার রক্তাক্ত পথ, শিশুদের আর্তনাদ, মায়েদের আহাজারি এবং ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়া নিষ্পাপ প্রাণ আমাদের বিবেককে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে। তারা আরও বলেন, এই প্রতিরোধ শুধু প্রতীকী নয়, এটি একদিকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান, অন্যদিকে একটি মুক্ত জাতির পক্ষে দাঁড়ানোর সাহসী উচ্চারণ।

শিক্ষার্থীরা Worldwide General Strike আন্দোলনের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে জানান, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ক্লাস, পরীক্ষা ও একাডেমিক কার্যক্রম আগামীকাল বর্জন করা হবে। একইসঙ্গে তারা আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলোর নীরব ভূমিকাকে ঘৃণার চোখে দেখেন এবং বলেন, গাজায় শিশু, নবজাতক, বৃদ্ধসহ অসংখ্য নিরীহ মানুষ প্রতিনিয়ত প্রাণ হারাচ্ছে। সেখানে অক্সিজেনের অভাবে মানুষ মরছে, সাংবাদিক ও চিকিৎসক পর্যন্ত নিরাপদ নয়। অথচ বিশ্ব নেতারা মানবাধিকারের বুলি আওড়ালেও এই নৃশংসতার বিরুদ্ধে তারা নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এটি কোনো সাধারণ সংঘাত নয়, বরং এটি রাষ্ট্রীয় মদদে পরিচালিত একটি পরিকল্পিত গণহত্যা। এই হত্যাযজ্ঞের দায় শুধু ইসরায়েলের ওপরই নয়, বরং আন্তর্জাতিক সংস্থা ও বিশ্বনেতারাও দায় এড়াতে পারেন না। বিশেষ করে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলোর নিষ্ক্রিয়তা ও নিরবতা আমাদের হতাশ করেছে। এটি একপ্রকার বিশ্বাসঘাতকতা।

শিক্ষার্থীরা তাদের বিবৃতির শেষাংশে বলেন, আমরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে ন্যায়ের কণ্ঠস্বর হয়ে উঠতে চাই। আমরা গাজার নির্যাতিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে বিশ্ব বিবেককে জাগিয়ে তুলতে চাই।

তাদের এই প্রতিবাদ কর্মসূচি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT